নয়াদিল্লি: মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর। দেশের 'নারী শক্তি'র উদ্দেশে চিঠি দিলেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি লিখেছেন, '২০২৯-এ লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ। দশকের পর দশক ধরে বিষয়টি আটকে রয়েছে। সংরক্ষণের প্রশংসা করছেন দেশের মা, বোনেরা। খুব শীঘ্রই বিষয়টির সমাধান হবে", পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর।

আরও পড়ুন, আজই রাজ্যে রাহুল, পৌঁছনোর আগেই হেলিপ্যাড "তছনছ" করল তৃণমূল !

রাজ্যে শাসকদল হোক বা বিরোধী, কেন্দ্রে হোক বা রাজ্যে,  মহিলা ভোটব্যাঙ্কের দিকে নজর থাকে সবার। দোরগড়ায় পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোট, তখন বাংলায় ভোটের প্রচারে এসে, মহিলা সংরক্ষণ আইনে সংশোধনী বিলের প্রসঙ্গ টানেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার লোকসভা এবং বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের আইন তৈরি করেছিল, পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের সব মহিলারা যাতে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়ে থেকে এর সুবিধা পান, সেটা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে, কেন্দ্রীয় সরকার ১৬, ১৭, ১৮ এপ্রিল সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডেকেছে, মা-বোনদের এই অধিকার ৪০ বছর ধরে আটকে রয়েছে, আর বেশি দেরি করা ঠিক হবে না। 

মূলত, ২০২৩ সালে লোকসভা ভোটের আগে সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশ হয়। লোকসভা ও বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের বন্দোবস্ত থাকলেও সেটা কার্যকর হয়নি। কারণ আইনে বলা ছিল, জনগণনা এবং আসন পুনর্বিন্যাসের পরেই আসন সংরক্ষণ হবে।  কোচবিহারের সভা থেকে মহিলা সুরক্ষায় সরকার পরিবর্তনের ডাক দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ শক্তিপুজোর ভূমি, আমি পশ্চিমবঙ্গের মা ওবোনদের বলতে চাই, আপনাদের সম্মান ও সমৃদ্ধির জন্য ময়দানে রয়েছে বিজেপি। বিজেপি সরকার এলে প্রকৃত নারী ক্ষমতায়নেপর রাস্তা খুলবে। আমাদের পুরনো ট্র্যাক রেকর্ড আছে, সেই জন্য দেশজুড়ে মা ও বোনদের প্রথম পছন্দ বিজেপি। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার সবরকম সুযোগ সুবিধা মা ও বোনদের কাছে পৌঁছেছে। অন্যদিকে আবার বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশে মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কটাক্ষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।