Viral News: গা চুলকে দেওয়ার ব্যবসা, মাসে ১৪ লক্ষ টাকা আয়, অভিনব বিজনেস আইডিয়া জীবন বদলে দিল এই যুবকের…
Itch Scratching Business: গা চুলকে মাসে আয় ১৪ লক্ষ টাকা। চাকরি ছেড়ে ব্যবসায় সফল চিনের যুবক।

নয়াদিল্লি: চাকরি ছেড়ে ব্যবসার দিকে ঝুঁকছেন বহু মানুষ। কেউ হোটেল-রেস্তরাঁ খুলছেন, কেউ আবার অন্য সামগ্রীর। তবে সকলকে ছাপিয়ে গা চুলকে দেওয়ার ব্যবসা খুলে বাজিমাত যুবকের। কয়েক হাজার বা ১-২ লক্ষ নয়, মাস গেলে ১৪ লক্ষ টাকা আয় করেন তিনি। (Itch Scratching Business)
চিনের হুবেই প্রদেশের বাসিন্দা ৩২ বছর বয়সি ঝাং শিয়াওচিয়াও। শেংঝেনে গা চুলকে দেওয়ার ব্য়বসা রয়েছে তাঁর। সংস্থার নাম রেখেছেন Suma. মাসাজ পার্লারের মতো সেখানে গিয়ে শয্য়ায় শুয়ে পড়েন গ্রাহকরা। প্রশিক্ষিত কর্মীরা পিঠ চুলকে দেন। শরীরের যে যে অংশে হাত পৌঁছয় না, সেখানেও নখ চালিয়ে দেন যত্ন সহকারে। (Viral News)
আরও পড়ুন: ‘রাজনীতিতে আসতাম না, বলেছিল পরিবর্তন হলে সব হবে’, CBI-আদালতের ভূমিকায় প্রশ্ন রত্না দেবনাথের
‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’ জানিয়েছে, গা চুলকে দেওয়ার জন্য বিশেষ যন্ত্রও রয়েছে Suma-য়। নখ বসানো কিছু সরঞ্জাম রয়েছে। তবে সেগুলি খুব তীক্ষ্ণ নয়। বরং গায়ের উপর বোলালে বেশ আরাম অনুভব করেন গ্রাহকরা। এক ঘণ্টা গা চুলকে দেওয়ার বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে ৩০০ ইউয়ান নেওয়া হয়, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৪২০০ টাকা।
Suma-র পরিষেবায় বেশ খুশি গ্রাহকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, ঘণ্টা খানেক বেশ আরাম পান। চাপমুক্ত লাগে নিজেদের। ভাল ঘুমও হয়। সংস্থার নিজস্ব পরিষেবা থাকলেও, নিজেদের ইচ্ছে মতো শরীরের যে কোনও জায়গা চুলকে দেওয়ার অনুরোধ জানাতে পারেন গ্রাহকরা। এমনকি সুড়সুড়িও খাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: টাটাদের ব্যবসা গোটানোর নির্দেশ, ‘আমরা কি ক্রীতদাস?’, কড়া মন্তব্য় কেনিয়ার প্রেসিডেন্টের
ঝাং জানিয়েছেন, প্রথম সারির শহরগুলিতে মানুষজন অত্যন্ত চাপে থাকেন। ফলে তাঁদের পরিষেবা দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। মে মাসে শেংঝেনের বাওয়ানে প্রথম আউটলেটটি খুলেছিলেন তিনি। একমাস পর আর একটি আউটলেট খোলেন ফুতিয়ানে। ওই দুই আউটলেট থেকে মাসে ১ লক্ষ ইউয়ান আয় হয় তাঁর, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা।
নারী-পুরুষ সকলকেই পরিষেবা প্রদান করা হয় বলে জানিয়েছেন ঝাং। তবে পুরুষ গ্রাহকের সংখ্যাই বেশি, প্রায় ৭০ শতাংশ। মাসাজের চেয়েও তাঁদের পরিষেবা গ্রাহকদের বেশি পছন্দ বলে দাবি করেন তিনি। কিন্তু এমন ভাবনা মাথায় এল কী করে? ঝাং জানিয়েছেন, ছোটবেলায় কেউ গা চুলকে দিলে যে আরাম হতো, তা মাথায় ছিল তাঁর। পাশাপাশি, সোশ্য়াল মিডিয়াতে সেই নিয়ে আলোচনার দরুণই ব্যবসার আইডিয়া পান তিনি।
ঝাং উচ্চশিক্ষিত। বেশ কয়েক বছর চাকরিও করেছেন। কিন্তু কিছুতেই মন বসছিল না তাঁর। তেমন সাফল্যও পাননি চাকরিতে। এর পরই ব্যবসার কথা মাথায় আসে। আর তাতেই কাঙ্খিত সাফল্য পেয়ে গিয়েছেন, তাও অতি অল্প সময়ের মধ্যে।























