খুলেছে শক্তিপীঠ কামাখ্যা মন্দির, পুরাণে মন্দির ঘিরে আছে নানা রোমহর্ষক কাহিনি
দীপাবলিতে নরকাসুর বধের স্মৃতি মাথায় রেখে প্রতি বছর দীপের মালায় সেজে ওঠে কামরূপ-কামাখ্যা।
পুরাণ অনুসারে, কামাখ্যায় পুজো করলে মনের সব ইচ্ছা পূর্ণ হয়।আবার কথিত আছে, শিবের স্ত্রী ও মোক্ষদাত্রী শক্তিই ‘কামাখ্যা’ নামে পূজিত।
গর্ভগৃহটি আসলে ভূগর্ভস্থ একটি গুহা। এখানে কোনও মূর্তি নেই। শুধু একটি পাথরের সরু গর্ত দেখা যায়। সেটিই ‘সতীর যোনি’ বলে পূজিত হয়।
মন্দিরের প্রবেশ দ্বারে হবে Rapid Antigen Test. ভক্ত যদি দর্শনের ৩ দিনের মধ্যে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করিয়ে থাকেন এবং তার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে, তবেই মিলবে প্রবেশের অনুমতি। নইলেই Rapid Antigen Test করিয়ে নিতে হবে।
কামাখ্যা তীর্থক্ষেত্র একটি শক্তিপীঠ ও তন্ত্র সাধনার ক্ষেত্র। অসমের কামাখ্যা মন্দির গুয়াহাটি শহরের পশ্চিমাংশে নীলাচল পর্বতে অবস্থিত। এটি ৫১ সতীপীঠের অন্যতম। কথিত আছে, এখানে সতীর দেহত্যাগের পর বিষ্ণুর সুদর্শন চক্রে যোনি ছিন্ন হয়ে পড়েছিল।
মূলত আষাঢ় মাসের অম্বুবাচী উৎসবের জন্য এই মন্দির বিখ্যাত। ভারতের শক্তি সাধনার অন্যতম ক্ষেত্র এই কামাখ্যা। এখানে কালী পুজোও হয় মহা সমারোহে।
হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই তীর্থক্ষেত্র ৫১টি সতীপীঠের অন্যতম। সারা বছরই নানা প্রার্থনা নিয়ে ভক্ত সমাগম হয় এই মন্দিরে।
রিপোর্ট দেখানোর পরেই মিলবে মন্দির প্রাঙ্গনে প্রবেশের অনুমতি। অন্নক্ষেত্র অফিস থেকে এন্ট্রি কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।
মন্দির সূত্রে খবর, প্রতি দর্শনার্থী, মন্দির প্রাঙ্গনে কাটাতে পারবেন সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট। সামাজিক দূরত্ববিধি মেনেই করতে হচ্ছে দর্শন। সকাল ৮টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খোলা থাকছে মন্দির। তবে বন্ধ গর্ভগৃহ।
করোনাকালে প্রায় ৭ মাস পর খুলে গেছে অসমের কামাখ্যা মন্দির। করোনা বিধি মেনেই পুজো দিচ্ছেন ভক্তরা।