ছবিতে দেখুন: উমপুনে কীভাবে নষ্ট হয়েছে বিঘার পর বিঘা জমির ফসল
ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বাদাম চাষেরও। সব জমি জলের তলায়। মাথায় হাত কৃষকদের।
পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘার আশেপাশের বিভিন্ন গ্রামে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ধানের।
জেলার বিস্তীর্ণ এলাকাতেও চাষ হয় পান। উমপুনের দাপটে বিশাল ক্ষতি হয়েছে সেই অর্থকরী ফসলের।
উমপুনে প্রায় নিঃস্ব হাজার হাজার কৃষক। তাদের এখন একটাই আর্তি, অবিলম্বে প্যাকেজ ঘোষণা করুক সরকার।
বসিরহাটের সংগ্রামপুরে ইছামতীর বাঁধ ভেঙে নোনা জল ঢোকায় নষ্ট হয়েছে পটল, ঝিঙে, বেগুন, লঙ্কা।
হাবরা ২ নম্বর ব্লকের ভুরকুন্ডা পঞ্চায়েত এলাকা হোক বা বনগাঁ গোপালনগর, নতুনগ্রাম।
কুলতলি ও মৈপীঠের ছবিতেও নেই কোনও বদল। সবজি খেত এখন যেন জলাভূমি।
ঘূর্ণিঝড় উমপুনের তাণ্ডবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষিকাজ। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঢুঁ মারলেই ধরা পড়ছে সেই ছবি।
মাতলার নোনা জল ঢুকে ক্যানিং ও জীবনতলার বোরো ধানচাষ প্রায় শেষ করে দিয়েছে। ফলে ঘুম উড়েছে কৃষকদের।
কাকদ্বীপ ও নামখানায় নষ্ট হয়েছে ৯০% পানের বরজ। মাঠে অবশিষ্ট নেই অন্য সবজিও।
কাকদ্বীপ, নামখানা, ক্যানিং, জীবনতলা, কুলতলি ও মৈপিঠের চাষ জমি প্রায় গিলে খেয়েছে নদীর জল।
সর্বত্রই কৃষকদের হাহাকার আর কপাল চাপড়ানোর ছবি।
ঘূর্ণিঝড়ের মারাত্মক প্রভাব পড়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও।
কোথাও চাষের জমিতে নোনা জল ঢুকেছে, কোথাও ঝড়ের দাপটে শুয়ে পড়েছে ফসল।
উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট, হাবড়া, বনগাঁর বিস্তীর্ণ এলাকায় চাষের জমি বলে আর কিছুই নেই।