কুম্ভের ইতিহাসে এই প্রথম, রূপান্তরকামীদের কিন্নর আখড়া
বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে গণ্য এই কুম্ভ মেলা। ইউনেস্কো একে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তকমা দিয়েছে। মানব সভ্যতার অবিচ্ছেদ্য সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার হিসেবে গণ্য হওয়া এই মেলা শেষ হবে ৪ মার্চ।
কুম্ভ মেলা চলে ৪৫ দিন ধরে। এবারের মেলা শুরু হচ্ছে ১৫ তারিখ। যোগ দেবেন অন্তত ১২ কোটি মানুষ। তাঁদের নিরাপত্তা ও বসবাসের জন্য চমকপ্রদ ব্যবস্থা করেছে রাজ্য সরকার।
অর্ধকুম্ভে যোগ দিয়েছেন বিভিন্ন আখড়ার সন্ন্যাসীরা। অখিল ভারতীয় আখড়া পরিষদ এই সন্ন্যাসীদের সংগঠন, এরা হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতি রক্ষণাবেক্ষণে কাজ করে। কুম্ভ বেলায় যোগ দেয় সবকটি আখড়া। ছবিতে দেখা যাচ্ছে মহা নির্বাণী আখড়ার নাগা সাধুদের কুম্ভে আগমন। ধর্মীয় এই শোভাযাত্রার নাম পেশোয়াই।
কিন্নর আখড়ার পেশোয়াইয়ে এক রূপান্তরকামীর নাচ।
তিনি বলেছেন, সমাজ এখনও রূপান্তরকামীদের সহজভাবে নেয় না। কিন্তু তাঁরা সকলকে বলতে চান, তাঁরাও এই সমাজেরই সন্তান, সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আরও বেশি করে সমাজে সংযুক্ত হতে চান তাঁরা। রূপান্তরকামীদের কোনও পরিবার নেই, ভালবাসার জন্য তাঁরা বুভুক্ষু। ভালবাসা পেলে এই সমাজকে তাঁরাও ভালবাসায় ভরিয়ে দেবেন।
একটি শিশুকে আশীর্বাদ করছেন লক্ষ্মীনারায়ণ।
দেখছেন লক্ষ্মীনারায়ণ ত্রিপাঠীকে, ইনি কিন্নর আখড়ার প্রধান। ধর্মীয় শোভাযাত্রায় এভাবেই রাজকীয় আবির্ভাব হল তাঁর। কিন্নর আখড়া কাশী, প্রয়াগ, হরিদ্বার ও নাসিকে তাদের আশ্রম খুলতে চায়।
প্রয়াগরাজের অর্ধকুম্ভ মেলায় এবার আখড়া দিলেন রূপান্তরকামীরাও। নাম কিন্নর আখড়া।