ছবিতে দেখুন: উমপুনের জেরে কলকাতা কার্যত ধ্বংসস্তুপ, শহরবাসীর ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যেই কাজ করে চলেছেন জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা
পরিস্থিতি মোকবিলায় ওসিকে সহযোগিতা করছেন টালিগঞ্জ ট্রাফিক গার্ডের অ্যাডিশনাল ওসি, পুলকেশ চৌধুরী।
কলকাতা পুরসভার ডেপুটি চিফ ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন সোমনাথ সেন। অবসর নেওয়ার পর এখন তিনি এক্সটেনশনে ওএসডি পার্কস অ্যান্ড স্কোয়ারস। তিনিও লেগে রয়েছেন, শহরকে সারিয়ে তোলার কাজে।
শহরজুড়ে পড়ে গিয়েছে প্রায় ৫ হাজার গাছ। সব গাছ সরানো যায়নি ঝড়ের তাণ্ডবের এতদিন পরেও। বাড়ছে মানুষের ক্ষোভ। জায়গায় জায়গায় শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। এরই মধ্যে কাজ করে চলেছেন অভিজিৎ পাণ্ডে, ডিরেক্টের, অপারেশন, দমকল।
কলকাতা পুরসভার ডিজি, সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, সুভাশিস চট্টোপাধ্যায়। নয়াবাদের বাড়িতে গেলে মিলবে না ইন্টারনেট বা মোবাইল ফোনের কানেকশন। উমপুনের দিন থেকে তাই ঘাঁটি গেড়েছেন, পুরসভার গেস্ট হাউসে। দিনরাত তদারকি করছেন শহর পরিষ্কারের কাজের।
টালিগঞ্জ থানার ওসি সরোজ প্রহরাজ। প্রতি মুহূর্তে এনডিআরএফ ও পুরসভার সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করা এবং সেই সঙ্গে কাজ কতদূর এগোল তা দেখাই তাঁর দায়িত্ব।
পুরসভার হিসেব অনুযায়ী শহরে পড়ে গিয়েছে প্রায় আড়াই হাজার বিদ্যুতের খুঁটি। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে আলো ফেরানোর কাজ। আর সেই কাজে সামনের সারিতে কলকাতা পুরসভার আলো বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মিঠুন মিত্র। মিঠুনের বাড়ি আলিপুরে। ঝড়ের সেই রাত থেকেই বাইক নিয়ে চষে বেড়াচ্ছেন শহর।
কলকতা পুরসভার কর্মী তাপসকুমার ঘোষ। বাড়ি হাওড়ার রামরাজাতলায়। এতদূর আসা-যাওয়া করতে গেলে মানুষ যদি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়, এই ভেবে লকডাউনের আগে থেকেই ঘাঁটি গেড়েছেন কেওড়াতলা শ্মশানের পাশে মহীশূর গার্ডেনের একটি ঘরে।
উমপুন বিপর্যয় সামলাতে নাওয়া-খাওয়া ভুলে কাজ করে চলেছেন পুলিশকর্মীরাও। তাঁদেরই একজন, অনিমেষ হাওলাদার, অ্যাডিশনাল ওসি, টালিগঞ্জ থানা।