<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/" xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"><channel><title>Reincarnation Mystery: পুনর্জন্ম বলে কি কিছু হয়? পূর্বজন্মের কথা কি সত্যিই মনে থাকে? গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য, নতুন প্যাটার্ন</title><atom:link href="https://bengali.abplive.com/science/feed" rel="self" type="application/rss+xml"/><link>https://bengali.abplive.com/</link><description/><lastBuildDate>Sun, 8 Nov 2026 06:31:35 +0530</lastBuildDate><language>en-US</language><sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod><sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency><generator>https://bengali.abplive.com</generator><item><title><![CDATA[Hubble Space Telescope: পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে হাবল টেলিস্কোপ! বাঁচাতে মরিয়া NASA, হাতে সময় কমছে প্রতিদিন]]></title><link>https://bengali.abplive.com/science/nasa-hubble-telescope-rescue-plan-orbit-boost-racing-to-save-aged-observatory-1198400</link><comments>https://bengali.abplive.com/science/nasa-hubble-telescope-rescue-plan-orbit-boost-racing-to-save-aged-observatory-1198400#respond</comments><pubDate>Thu, 5 Nov 2026 17:00:02 +0530 </pubDate><dc:creator><![CDATA[ পল্লবী দে ]]></dc:creator><category><![CDATA[ বিজ্ঞান ]]></category><guid isPermaLink="true">https://bengali.abplive.com/science/nasa-hubble-telescope-rescue-plan-orbit-boost-racing-to-save-aged-observatory-1198400</guid><description><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;নয়া দিল্লি:&lt;/strong&gt; মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। কয়েক দশক ধরে মহাবিশ্বের অজানা রহস্য উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এই টেলিস্কোপ। দূরবর্তী ছায়াপথ, নক্ষত্রের জন্ম-মৃত্যু থেকে শুরু করে মহাবিশ্বের বয়স সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের ধারণা তৈরিতে বড় অবদান রয়েছে হাবলের। কিন্তু এবার সেই হাবল টেলিস্কোপের ভবিষ্যৎ নিয়েই তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। ক্রমশ পৃথিবীর দিকে নেমে আসছে তার কক্ষপথ। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, কোনও ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ২০৩৩ থেকে ২০৩৪ সালের মধ্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারে এই ঐতিহাসিক মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। আর সেই সম্ভাবনা ঠেকাতেই এবার নতুন করে উদ্যোগী হয়েছে NASA।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;হাবলকে বাঁচাতে বেসরকারি সংস্থার সাহায্য চাইছে NASA&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;NASA-র সাম্প্রতিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, হাবলকে রক্ষা করতে বেসরকারি মহাকাশ সংস্থাগুলির কাছ থেকে প্রযুক্তিগত প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। গত ২৯ অক্টোবর এ বিষয়ে একটি Request for Information (RFI) জারি করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। কীভাবে হাবলকে আরও উঁচু কক্ষপথে নিয়ে যাওয়া যায়, কীভাবে তার পরিষেবা ও প্রযুক্তিগত উন্নতি করা সম্ভব, কিংবা তার কাজ শেষ হলে কীভাবে নিরাপদে মহাকাশ থেকে সরানো যায়, সেই বিষয়ে বেসরকারি সংস্থাগুলির মতামত জানতে চেয়েছে NASA।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;NASA-র প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যানের বক্তব্য, হাবলের এখনও গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক কাজ বাকি রয়েছে। তাই যতদিন সম্ভব এই টেলিস্কোপকে সচল রাখার প্রতিটি যুক্তিসঙ্গত ও আর্থিকভাবে কার্যকর উপায় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। নতুন কোনও মহাকাশ অভিযান পরিচালনার তুলনায় বিদ্যমান টেলিস্কোপের আয়ু বাড়ানো সম্ভব হলে তাতে বিজ্ঞান ও অর্থ, দুই ক্ষেত্রেই লাভ হতে পারে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;কেন পৃথিবীর দিকে নেমে আসছে হাবল?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;১৯৯০ সালের এপ্রিলে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। পৃথিবী থেকে প্রায় ৫৪০ কিলোমিটার উচ্চতায় প্রদক্ষিণ করছে এটি। কিন্তু এই উচ্চতাতেও পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের অত্যন্ত পাতলা স্তরের অস্তিত্ব রয়েছে। মহাকাশে চলাচলের সময় সেই গ্যাসের সঙ্গে ঘর্ষণ বা বায়ুর বাধার ফলে ধীরে ধীরে গতি ও কক্ষপথের উচ্চতা কমছে হাবলের।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;সমস্যা হল, হাবলের নিজস্ব এমন কোনও প্রপালশন ব্যবস্থা নেই, যার সাহায্যে নিয়মিতভাবে কক্ষপথের উচ্চতা বাড়িয়ে নিতে পারে সে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এই উচ্চতা কমার প্রক্রিয়া চলছে। NASA-র হিসাব অনুযায়ী, কোনও বাহ্যিক সাহায্য না পেলে ২০৩৩ থেকে ২০৩৪ সালের মধ্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারে হাবল।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;কীভাবে বাঁচানো সম্ভব এই ঐতিহাসিক টেলিস্কোপকে?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;হাবলকে বাঁচানোর জন্য NASA-র সামনে একাধিক সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথমত, একটি বিশেষ মহাকাশযান পাঠিয়ে হাবলকে ধাক্কা দিয়ে আরও উঁচু কক্ষপথে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। এতে তার কক্ষপথের উচ্চতা বাড়বে এবং আরও কয়েক বছর বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;দ্বিতীয়ত, বাণিজ্যিক মহাকাশযানের সাহায্যে হাবলের কাছে পৌঁছে তার পরিষেবা বা প্রযুক্তিগত উন্নতি করার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তৃতীয় সম্ভাবনা হল, হাবলের বৈজ্ঞানিক কাজ শেষ হলে তাকে নিরাপদে অবসরে পাঠানো। সেক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিতভাবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করানো অথবা অন্য কোনও নিরাপদ কক্ষপথে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হতে পারে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;তবে এই মুহূর্তে কোনও উদ্ধার অভিযান চূড়ান্ত হয়নি। এগুলি সবই প্রস্তাবিত পরিকল্পনা। NASA-র লক্ষ্য, কোন প্রযুক্তি বাস্তবে ব্যবহার করা সম্ভব এবং কোন পদ্ধতিতে খরচ কম হবে, তা আগে খতিয়ে দেখা।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;সংস্থাটির তরফে জানানো হয়েছে, কক্ষপথের উচ্চতা বাড়ানোর কোনও অভিযান করতে হলে ২০৩২ সালের মধ্যেই তা সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ পরিকল্পনা তৈরি, প্রযুক্তি প্রস্তুত এবং অভিযান পরিচালনার জন্য হাতে রয়েছে সীমিত সময়। আগ্রহী বেসরকারি সংস্থাগুলি ৩০ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রস্তাব জমা দিতে পারবে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;কেন এত গুরুত্বপূর্ণ হাবল টেলিস্কোপ?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;৩৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে মহাকাশ গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে হাবল। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের হার সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের ধারণা বদলে দেওয়া থেকে শুরু করে দূরবর্তী ছায়াপথ, নক্ষত্র এবং গ্রহের পর্যবেক্ষণ&amp;mdash;বিভিন্ন ক্ষেত্রে রয়েছে এই টেলিস্কোপের উল্লেখযোগ্য অবদান।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;NASA এবং ইউরোপীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ESA-র যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই প্রকল্পের পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে NASA-র গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টার। নতুন প্রজন্মের মহাকাশ টেলিস্কোপ তৈরির কাজ চললেও হাবলের বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব এখনও ফুরিয়ে যায়নি।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;তাই একটি ঐতিহাসিক মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রকে আরও কিছু বছর সচল রাখা সম্ভব কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন। হাবলকে বাঁচানোর এই উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হয়, সেদিকেই নজর রাখছেন বিশ্বের মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;iframe title=&quot;YouTube video player&quot; src=&quot;https://www.youtube.com/embed/PKwLsAu-z10?si=zWuaSsFJdGES_Kd5&quot; width=&quot;560&quot; height=&quot;315&quot; frameborder=&quot;0&quot; allowfullscreen=&quot;allowfullscreen&quot;&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;/p&gt;]]></description><slash:comments>0</slash:comments><media:thumbnail url="https://feeds.abplive.com/onecms/images/uploaded-images/2026/11/05/00cceec16aa323dd716f3674f6f0da3f1793878162542223_original.jpg" width="220"/></item><item><title><![CDATA[NASA Telescope Falling to Earth: পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে নাসার দেড় টনের টেলিস্কোপ! ধ্বংসাবশেষ পড়তে পারে ভারতের এই ২ শহরে]]></title><link>https://bengali.abplive.com/science/nasa-swift-telescope-falling-earth-india-debris-zone-mumbai-hyderabad-1198223</link><comments>https://bengali.abplive.com/science/nasa-swift-telescope-falling-earth-india-debris-zone-mumbai-hyderabad-1198223#respond</comments><pubDate>Tue, 3 Nov 2026 20:35:08 +0530 </pubDate><dc:creator><![CDATA[ পল্লবী দে ]]></dc:creator><category><![CDATA[ বিজ্ঞান ]]></category><guid isPermaLink="true">https://bengali.abplive.com/science/nasa-swift-telescope-falling-earth-india-debris-zone-mumbai-hyderabad-1198223</guid><description><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;কলকাতা:&lt;/strong&gt; মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে নাসার একটি বিশাল টেলিস্কোপ! ওজন প্রায় দেড় টন। প্রায় ২২ বছর ধরে মহাকাশে ঘুরে মহাবিশ্বের নানা রহস্যের সন্ধান দিয়েছে এই যন্ত্র। এবার তারই পৃথিবীতে ফিরে আসার পালা। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে নয়, কার্যত নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে চলেছে নাসার 'Neil Gehrels Swift Observatory'। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় টেলিস্কোপটির বেশিরভাগ অংশ পুড়ে গেলেও কিছু ভারী যন্ত্রাংশ পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়তে পারে। সম্ভাব্য ধ্বংসাবশেষের বিস্তৃত এলাকার মধ্যে রয়েছে ভারতও। মুম্বই, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু ও চেন্নাইয়ের মতো শহর রয়েছে সম্ভাব্য ঝুঁকির অক্ষাংশের মধ্যে। কিন্তু কলকাতা কি বিপদমুক্ত? কবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবে এই মহাকাশযান? কতটা বিপজ্জনক হতে পারে এই ঘটনা? জেনে নিন বিস্তারিত।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;কবে পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে নাসার টেলিস্কোপ?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;নাসার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৪ নভেম্বর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারে Neil Gehrels Swift Observatory। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, সম্ভাব্য সময় দুপুর ২টো নাগাদ। তবে এই সময়ের ক্ষেত্রে প্রায় ১১ ঘণ্টার অনিশ্চয়তা রয়েছে। অর্থাৎ, ঠিক কখন এবং পৃথিবীর কোথায় টেলিস্কোপটির ধ্বংসাবশেষ এসে পড়বে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;প্রায় ১,৫০০ কিলোগ্রাম ওজনের এই মহাকাশ টেলিস্কোপটি ২০০৪ সালের ২০ নভেম্বর মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে মাত্র দু'বছরের অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি সময় ধরে কাজ করেছে Swift। প্রায় ২২ বছর ধরে মহাবিশ্বের নানা বিস্ফোরণ, সুপারনোভা এবং মহাজাগতিক ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেছে এই টেলিস্কোপ।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ভারতের কোন কোন শহরে পড়তে পারে ধ্বংসাবশেষ?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;নাসার হিসাব অনুযায়ী, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সম্ভাব্য বলয়টি বিষুবরেখার উত্তর অক্ষাংশ ২০.৬ ডিগ্রি থেকে দক্ষিণ অক্ষাংশ ২০.৬ ডিগ্রির মধ্যে বিস্তৃত। অর্থাৎ পৃথিবীর মাঝের একটি বিশাল অংশ এই সম্ভাব্য অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। ভারতের ক্ষেত্রে এই বলয়ের মধ্যে রয়েছে মুম্বই, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু ও চেন্নাইয়ের মতো শহর। পশ্চিম উপকূলের দমন থেকে পূর্ব উপকূলের ওড়িশার কটক পর্যন্ত একটি কাল্পনিক রেখার দক্ষিণের বিস্তীর্ণ অঞ্চল এই বলয়ের মধ্যে পড়ছে। তবে কলকাতা, দিল্লি এবং উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অংশ এই অক্ষাংশের বলয়ের বাইরে রয়েছে। ফলে কলকাতার উপর সরাসরি ধ্বংসাবশেষ পড়ার সম্ভাব্য অঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আকাশেই পুড়ে ছাই হয়ে যাবে অধিকাংশ অংশ?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় প্রচণ্ড ঘর্ষণ ও উত্তাপের কারণে টেলিস্কোপটির অধিকাংশ অংশই পুড়ে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কথা। তবে কিছু ভারী যন্ত্রাংশ পুরোপুরি নষ্ট না-ও হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, টেলিস্কোপের কিছু টাংস্টেন দিয়ে তৈরি অংশ এবং আয়নার কয়েকটি টুকরো বায়ুমণ্ডলের প্রচণ্ড উত্তাপ সহ্য করে পৃথিবীর পৃষ্ঠ পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। টাংস্টেন অত্যন্ত ঘন এবং উচ্চ গলনাঙ্কের ধাতু হওয়ায় এই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রায় দেড় টন ওজনের টেলিস্কোপটির ১০০ কিলোগ্রামেরও কম অংশ শেষ পর্যন্ত অক্ষত অবস্থায় পৃথিবীতে পৌঁছতে পারে। এমনকী, বেঁচে যাওয়া অংশগুলির অধিকাংশই সমুদ্রে পড়ার সম্ভাবনা বেশি।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;কেন নিয়ন্ত্রণ হারাল নাসার এই মহাকাশ টেলিস্কোপ?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;মহাকাশে থাকা কোনও উপগ্রহ বা টেলিস্কোপ চিরকাল একই কক্ষপথে থাকতে পারে না। পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে থাকা বস্তুর উপরেও বায়ুমণ্ডলের অতি পাতলা স্তরের প্রভাব পড়ে। এর ফলে ধীরে ধীরে গতি কমে এবং কক্ষপথ নিচের দিকে নামতে থাকে। Swift-এর ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। গত কয়েক বছরের সৌরঝড় ও সূর্যের অতিরিক্ত সক্রিয়তার কারণে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তর প্রসারিত হয়েছে। ফলে মহাকাশযানটির উপর বায়ুমণ্ডলীয় বাধা বা Atmospheric Drag বেড়েছে। দ্রুত কমেছে তার কক্ষপথের উচ্চতা। টেলিস্কোপটিকে বাঁচানোর জন্য নাসা একটি বিশেষ উদ্ধার অভিযানও চালিয়েছিল। Katalyst Space নামে একটি সংস্থার তৈরি Link নামের রোবোটিক মহাকাশযানকে পাঠানো হয়েছিল Swift-এর কক্ষপথ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে। কিন্তু সেই অভিযান সফল হয়নি। মহাকাশযানটির দিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থায় সমস্যা হওয়ায় Swift-কে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা কতটা?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;এই ঘটনায় সাধারণ মানুষের জন্য বড়সড় বিপদের আশঙ্কা অত্যন্ত কম বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। কারণ পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশই জলভাগ। ফলে কোনও ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীতে পৌঁছলেও সমুদ্রে পড়ার সম্ভাবনাই বেশি। নাসার মূল্যায়ন অনুযায়ী, এই ঘটনার কারণে পৃথিবীর কোনও মানুষের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা অত্যন্ত কম। CBS/AP-র প্রতিবেদনে সেই ঝুঁকি আনুমানিক ২,১০০-এর মধ্যে ১ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ভারতের নিজস্ব মহাকাশ নজরদারি ব্যবস্থাও রয়েছে। শ্রীহরিকোটায় অবস্থিত ISRO-র Multi-Object Tracking Radar বা MOTR পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের আগে মহাকাশের বিভিন্ন বস্তু ও উপগ্রহের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে পারে। তবে Swift-কে এই মুহূর্তে ইসরো আলাদাভাবে ট্র্যাক করছে কি না, সে বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;২২ বছরে কী কী আবিষ্কার করেছে Swift?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;এই মহাকাশ টেলিস্কোপের অবদানও কম নয়। ২০০৪ সালে মাত্র দু'বছরের অভিযানের জন্য পাঠানো হলেও ২২ বছর ধরে মহাবিশ্বের নানা রহস্যের সন্ধান দিয়েছে এটি। ২,০০০-এরও বেশি Gamma-Ray Burst বা গামা রশ্মির বিস্ফোরণ পর্যবেক্ষণ করেছে। প্রায় ১,৪০০টি সুপারনোভা বা নক্ষত্রের বিস্ফোরণ শনাক্ত করেছে। ধূমকেতু, গ্রহাণু এবং ব্ল্যাক হোল সংক্রান্ত বিভিন্ন মহাজাগতিক ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেছে। মহাবিশ্বের অত্যন্ত শক্তিশালী বিস্ফোরণের সংকেত দ্রুত শনাক্ত করে হাবল ও জেমস ওয়েবের মতো টেলিস্কোপকে পরবর্তী পর্যবেক্ষণের সুযোগ করে দিয়েছে। অর্থাৎ, মহাকাশ গবেষণায় দীর্ঘ ২২ বছরের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান হতে চলেছে। এবার পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের অপেক্ষায় Swift। বিজ্ঞানীদের নজর এখন তার শেষ যাত্রার দিকে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;iframe title=&quot;YouTube video player&quot; src=&quot;https://www.youtube.com/embed/PKwLsAu-z10?si=bMz-U_KtuuvsHtRf&quot; width=&quot;560&quot; height=&quot;315&quot; frameborder=&quot;0&quot; allowfullscreen=&quot;allowfullscreen&quot;&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;/p&gt;]]></description><slash:comments>0</slash:comments><media:thumbnail url="https://feeds.abplive.com/onecms/images/uploaded-images/2026/11/03/4fdd27579495b8d72bec9015e308414e1793718293178223_original.png" width="220"/></item><item><title><![CDATA[Electromagnetic Space Tiles: মহাকাশে চুম্বকের বাড়ি, এবার স্বপ্ন সত্যি হওয়ার পালা? বদলে যেতে পারে ভবিষ্যৎ]]></title><link>https://bengali.abplive.com/science/self-assembling-magnetic-tiles-made-to-build-space-habitat-in-near-future-1198010</link><comments>https://bengali.abplive.com/science/self-assembling-magnetic-tiles-made-to-build-space-habitat-in-near-future-1198010#respond</comments><pubDate>Mon, 2 Nov 2026 00:04:02 +0530 </pubDate><dc:creator><![CDATA[ পম্পা অধিকারী সিংহ ]]></dc:creator><category><![CDATA[ বিজ্ঞান ]]></category><guid isPermaLink="true">https://bengali.abplive.com/science/self-assembling-magnetic-tiles-made-to-build-space-habitat-in-near-future-1198010</guid><description><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;strong&gt;নয়াদিল্লি:&lt;/strong&gt; পৃথিবীর বাইরে উপনিবেশ গড়ার স্বপ্নে বিভোর সকলে। কিন্তু পৃথিবী থেকে ইঁট-বালি-সিমেন্ট বয়ে নিয়ে গিয়ে বাড়ি বানানো কি আদৌ সম্ভব? মুশকিল আসানে এগিয়ে এলেন ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (MIT)-র গবেষক এরিয়েল একব্লাউ। মহাকাশে চুম্বকের বাড়ি বানানোর উপায় বাতলে দিলেন তিনি। (Space Architecture)&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;এরিয়েল TESSERAE নামের নয়া প্রযুক্তি আবিষ্কার করলেন, যা আপনাআপনি পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হতে সক্ষম চৌম্বকীয় টাইলস। রকেটের ভিতর থরে থরে সাজিয়ে রাখা সম্ভব সেগুলিকে। মহাকাশে পৌঁছে ছেড়ে দিতে হবে। ইলেক্ট্রো-পার্মানেন্ট চুম্বক, ক্যামেরা এবং AI-এর সাহায্য়ে আপনাআপনি পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাবে টাইলসগুলি। আগে থেকে বাড়ির যে আকার নির্ধারণ করা থাকবে, সেই মতোই পরস্পরের সঙ্গে জুড়বে। (Electromagnetic Space Tiles)&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও পড়ুন: &lt;a title=&quot;পশুপাখিরা কি মিথ্যে বলতে পারে? গবেষণায় নতুন তথ্য বেরোল&quot; href=&quot;https://bengali.abplive.com/science/can-animals-lie-what-scientists-think-and-how-a-bird-can-be-proof-1197997&quot; target=&quot;_self&quot;&gt;পশুপাখিরা কি মিথ্যে বলতে পারে? গবেষণায় নতুন তথ্য বেরোল&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;টাইলসগুলি পরস্পরের সঙ্গে জুড়ে বাড়ির আকার ধারণ করলে, ভিতরে বাতাসের চাপ তৈরি করা সম্ভব হবে। আর তাতেই ভিতরে বসবাস করা যাবে হেসেখেলে। এরিয়েল বলেন, &amp;ldquo;নিজে থেকেই কাঠামোয় রূপান্তরিত হবে চৌম্বকীয় টাইলস। যে রকেটে করে বয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, তার চেয়ে অনেক বড়ই হবে আকারে।&amp;rdquo;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;MIT-তে গবেষণা করার সময়ই এই প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন এরিয়েল। বর্তমানে Aurelia Institute-এর সিইও তিনি। সংস্থার প্রতিষ্ঠাতাও। মহাকাশে স্থাপত্য নির্মাণের গবেষণায় যুক্ত ওই সংস্থা। ওই টাইলসের মান আরও উন্নত হয়েছে তাদের হাতে। এরিয়েলের দাবি, চৌম্বকীয় টাইলস ব্যবহার করে মহাকাশে বৃহদাকার, জমকালো কাঠামোও গড়ে তোলা সম্ভব, যা এতদিন কল্পবিজ্ঞানের গল্পে পড়েছেন সকলে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;strong&gt;আরও পড়ুন: &lt;a title=&quot;মোবাইল-কম্পিউটারে RAM থাকবে না? সব দিয়ে দিতে হবে ডেটা সেন্টারকে? OpenAI কর্ণধারের মন্তব্যে তোলপাড়&quot; href=&quot;https://bengali.abplive.com/technology/sam-altman-says-it-is-terrible-to-have-ram-sitting-in-pcs-amid-memory-chip-shortage-1197987&quot; target=&quot;_self&quot;&gt;মোবাইল-কম্পিউটারে RAM থাকবে না? সব দিয়ে দিতে হবে ডেটা সেন্টারকে? OpenAI কর্ণধারের মন্তব্যে তোলপাড়&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;নয়ের দশকের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন গড়ে তোলা হয় মহাকাশে। রকেটে করে একটি একটি করে সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া হয় পৃথিবীর কক্ষপথে। মহাকাশচারী এবং রোবোটিক আর্মসের সাহায্য়ে গড়ে তোলা হয় গোটা কাঠামো। সাম্প্রতিক সময়ে নতুন ধরনের মহাকাশ পরিকাঠামো গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে, যাতে রকেটে বেশি জায়গা দখল না করে নির্মাণসামগ্রী। কাঠামো তৈরিও সহজ হয়।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;২০১৬ সালে Bigelow Aerospace মহাকাশে বিশেষ ধরনের কাঠামো পাঠায়, যা ফোলানো যায়। সাত ঘণ্টা ধরে ২৫ বারে অল্প অল্প করে বাতাস ভরে সেটিকে ফোলানো হয়েছিল। আজও আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সেটি। Sierra Space একই ধরনের তিন তলা একটি কাঠামো নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা চালাচ্ছে। Voyager Technologies-এর সঙ্গে যুক্ত Max Space আবার মহাকাশে নতুন ধরনের বাসস্থান গড়তে আগ্রহী। সেখানে থেকে কাজকর্ম চালিয়ে যাওয়ার কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থার সিইও সেলিম মিয়াঁ।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;মহাকাশে বাসস্থান গড়ে তোলাকে ঝঞ্ঝাটমুক্ত রাখতে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি আবার পৃথিবী থেকে উপকরণ বয়ে নিয়ে যাওয়ার বিপক্ষে। উল্কাপিণ্ডের ধূলিকণা থেকে লেগোর মতো ফাঁপা ইঁট তৈরি করতে চেষ্টাচরিত্র চালাচ্ছে তারা। চিন আবার চাঁদের মাটি দিয়ে ইঁট তৈরি করে বাসস্থান গড়ে তুলতে আগ্রহী। সেই লক্ষ্যে জোরকদমে গবেষণা চলছে। তবে মহাকাশে ক্ষতিকর বিকিরণ যাতে গায়ে না লাগে, দীর্ঘ সময় যাতে ওই বাসস্থান ব্যবহার করা যায়, তা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। মহাকাশে ডেটা সেন্টার গড়ে তোলা থেকে সৌরপ্যানেল বসানোর লক্ষ্যেও গবেষণা চলছে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;তবে মহাকাশে চৌম্বকীয় টাইলস দিয়ে বাড়ি বানানোর প্রস্তাবটির গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে বিজ্ঞানীদের কাছে। ২০২০ এবং ২০২২ সালে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে সেই নিয়ে ছোটখাটো গবেষণাও চালানো হয়। কয়েক ইঞ্চি ছোট টাইলস দিয়ে কাঠামো গড়ে তোলা হয়। এবছর ডিসেম্বর মাসে অথবা আগামী বছর জানুয়ারিতে ক্যামেরা বসানো টাইলস নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা চালানো হবে। বলের মতো গোলাকার কাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা হবে এবার।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;iframe title=&quot;YouTube video player&quot; src=&quot;https://www.youtube.com/embed/PKwLsAu-z10?si=CREnlsubbM69ONas&quot; width=&quot;560&quot; height=&quot;315&quot; frameborder=&quot;0&quot; allowfullscreen=&quot;allowfullscreen&quot;&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></description><slash:comments>0</slash:comments><media:thumbnail url="https://feeds.abplive.com/onecms/images/uploaded-images/2026/11/01/80231e863a7d58675714b4e4389f38691793557375628338_original.jpg" width="220"/></item><item><title><![CDATA[Science News: পশুপাখিরা কি মিথ্যে বলতে পারে? গবেষণায় নতুন তথ্য বেরোল]]></title><link>https://bengali.abplive.com/science/can-animals-lie-what-scientists-think-and-how-a-bird-can-be-proof-1197997</link><comments>https://bengali.abplive.com/science/can-animals-lie-what-scientists-think-and-how-a-bird-can-be-proof-1197997#respond</comments><pubDate>Sun, 1 Nov 2026 22:12:25 +0530 </pubDate><dc:creator><![CDATA[ পম্পা অধিকারী সিংহ ]]></dc:creator><category><![CDATA[ বিজ্ঞান ]]></category><guid isPermaLink="true">https://bengali.abplive.com/science/can-animals-lie-what-scientists-think-and-how-a-bird-can-be-proof-1197997</guid><description><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;strong&gt;নয়াদিল্লি:&lt;/strong&gt; জীবনে চলার পথে ছোটখাটো মিথ্যে বলে থাকি আমরা। কেউ কেউ আবার মিথ্যে বলাকে শিল্পের পর্যায়েও নিয়ে যান। কিন্তু পশুপাখিরা কি মিথ্যে বলতে পারে? গবেষণায় নয়া তথ্য উঠে&amp;nbsp; এল এবার। (Can Animals Lie)&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;পশুপাখিরা মিথ্যে বলতে পারে কি না, সেই নিয়ে গবেষণায় যুক্ত প্রাণী বিজ্ঞানী জেমস ও&amp;rsquo;হ্যানলন। &amp;lsquo;&lt;a title=&quot;Liars, Cheats and Copycats: Trickery and Deception in Nature&amp;rsquo;&quot; href=&quot;https://cup.columbia.edu/book/liars-cheats-and-copycats/9780231568227/&quot; target=&quot;_self&quot;&gt;Liars, Cheats and Copycats: Trickery and Deception in Nature&amp;rsquo;&lt;/a&gt; বইয়ে বিশদ তথ্য তুলে ধরেছেন তিনি। (Science News)&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;পশুপাখিদের ছদ্মবেশ, অনুকরণ, বিভ্রান্তি তৈরির কৌশল অন্বেষণ করতে গিয়ে যে প্রশ্ন উঠে এসেছে, তা হল, পশুপাখিরা কি মিথ্যে বলতে পারে? এ ব্যাপারে কাটার মতো লেজের অধিকারী ড্রঙ্গো পাখির কথা তুলে ধরেছেন হ্যানলন। আফ্রিকায় মূলত দেখা যায় ছোট আকারের পাখিটিকে। মিথ্যে বার্তা দেওযার ক্ষমতা রয়েছে ওই পাখির। প্রতারণামূলক আচরণের জন্য বরাবরই তাই বিজ্ঞানীদের নজরে রয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও পড়ুন: &lt;a title=&quot;মোবাইল-কম্পিউটারে RAM থাকবে না? সব দিয়ে দিতে হবে ডেটা সেন্টারকে? OpenAI কর্ণধারের মন্তব্যে তোলপাড়&quot; href=&quot;https://bengali.abplive.com/technology/sam-altman-says-it-is-terrible-to-have-ram-sitting-in-pcs-amid-memory-chip-shortage-1197987&quot; target=&quot;_self&quot;&gt;মোবাইল-কম্পিউটারে RAM থাকবে না? সব দিয়ে দিতে হবে ডেটা সেন্টারকে? OpenAI কর্ণধারের মন্তব্যে তোলপাড়&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;ওই ড্রঙ্গো পাখি অন্য প্রাণীর ডাক নকল করতে পারে চমৎকার। খাবার চুরি করতে নেউল জাতীয় মিরক্যাটদের হুবহু নকল করে পাখিটি। তার ডাক শুনে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে মিরক্যাটরাও। সঙ্গীর সদস্যবার্তা ভেবে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে যায়। মিরক্যাট ছুটে পালালেই, তাদের ফেলে যাওয়া খাবার উদরস্থ করে ড্রোঙ্গো।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;শুধু তাই নয়, প্রায় ৫০টি প্রাণী এবং একাধিক পাখিকেও নকল করতে পারে ড্রঙ্গো। সেই তালিকায় রয়েছে কেপড গ্লসি স্টার্লিং বা পাইড ব্যাবলারও। মিথ্যে সতর্কবার্তা দেওয়ার কৌশলও বার বার পরিবর্তন করে ড্রঙ্গো, যাতে প্রতিপক্ষ চাতুরি বুঝতে না পারে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;strong&gt;আরও পড়ুন: &lt;a title=&quot;সৌরজগতে নতুন বামনগ্রহের সন্ধান মিলল, প্লুটোর প্রতিবেশী, অনেক দূর থেকে প্রদক্ষিণ করছে সূর্যকে&quot; href=&quot;https://bengali.abplive.com/science/new-dwarf-planet-2026-ed138-found-beyond-pluto-1197853&quot; target=&quot;_self&quot;&gt;সৌরজগতে নতুন বামনগ্রহের সন্ধান মিলল, প্লুটোর প্রতিবেশী, অনেক দূর থেকে প্রদক্ষিণ করছে সূর্যকে&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;পশুপাখিরা মিথ্যে বলতে পারে কি না, তা বোঝার এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছেন বিজ্ঞানীরা। দলবদ্ধ ভাবে যারা জঙ্গলে বাস করে, তাদের মধ্যে এই সম্ভাবনা বেশি বলে মত তাঁদের। তিমি, ডলফিন মৃদু সুরে সঙ্কেত পাঠায়, পিঁপড়ে, উইপোকা আবার রাসায়নিক নিঃসরণের মাধ্যমে। হাঁক দিয়ে বার্তা পাঠায় বুনো কুকুরও। তবে ইচ্ছাকৃত ভাবে পশুপাখিরা মিথ্যে বলে কি না, নাকি প্রাকৃতিক ভাবে ভাবে বিষয়টি আচরণের মধ্যেই নিহিত, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়নি এখনও পর্যন্ত।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;পশুপাখিদের আচরণ নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে প্রধান নিয়ম হল মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বা আবেগের দিক থেকে তাদের না দেখা। পশুপাখিদের সঙ্গে মানুষের আচরণের মিল রয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায় না প্রথমেই। কারণ মিথ্যে বলা মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের মধ্যে পড়ে। পশুপাখিদের ক্ষেত্রে হলফ করে এমনটা বলা যায় না।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;iframe title=&quot;YouTube video player&quot; src=&quot;https://www.youtube.com/embed/PKwLsAu-z10?si=CREnlsubbM69ONas&quot; width=&quot;560&quot; height=&quot;315&quot; frameborder=&quot;0&quot; allowfullscreen=&quot;allowfullscreen&quot;&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></description><slash:comments>0</slash:comments><media:thumbnail url="https://feeds.abplive.com/onecms/images/uploaded-images/2026/11/01/39525bb1be1d06ebcc7010c7f4c3d7021793549584130338_original.jpg" width="220"/></item><item><title><![CDATA[New Dwarf Planet Discovery: সৌরজগতে নতুন বামনগ্রহের সন্ধান মিলল, প্লুটোর প্রতিবেশী, অনেক দূর থেকে প্রদক্ষিণ করছে সূর্যকে]]></title><link>https://bengali.abplive.com/science/new-dwarf-planet-2026-ed138-found-beyond-pluto-1197853</link><comments>https://bengali.abplive.com/science/new-dwarf-planet-2026-ed138-found-beyond-pluto-1197853#respond</comments><pubDate>Sat, 31 Oct 2026 16:33:56 +0530 </pubDate><dc:creator><![CDATA[ পম্পা অধিকারী সিংহ ]]></dc:creator><category><![CDATA[ বিজ্ঞান ]]></category><guid isPermaLink="true">https://bengali.abplive.com/science/new-dwarf-planet-2026-ed138-found-beyond-pluto-1197853</guid><description><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;strong&gt;নয়াদিল্লি:&lt;/strong&gt; গ্রহের স্বীকৃতি হারিয়েছে প্লুটো। সেই নিয়ে কম বিতর্ক নেই। তার মধ্যেই প্লুটোর কক্ষপথের বাইরে, সৌরজগতের প্রান্তিক অংশে আরও একটি গ্রহের সন্ধান মিলল। সৌরজগতের একেবারে কিনারা ঘেঁষে অবস্থান ওই বামনগ্রহটির। (New Planet 2026 ED138)&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;আপাতত গ্রহটির নাম রাখা হয়েছে ২০২৬ ED138. সেটি বামনগ্রহ বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। এখনও পর্যন্ত খাতায়কলমে সিলমোহর পড়েনি। তবে স্বীকৃতি পাওয়া গেলে, এখনও পর্যন্ত সৌরজগতের ওই অংশে আবিষ্কৃত সবচেয়ে বৃহদাকার বামনগ্রহ বলে গণ্য হবে সেটি। (New Dwarf Planet Discovery)&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও পড়ুন: &lt;a title=&quot;সৌরজগতে নতুন বামনগ্রহের সন্ধান মিলল, প্লুটোর প্রতিবেশী, অনেক দূর থেকে প্রদক্ষিণ করছে সূর্যকে&quot; href=&quot;https://bengali.abplive.com/science/new-dwarf-planet-2026-ed138-found-beyond-pluto-1197853&quot; target=&quot;_self&quot;&gt;সৌরজগতে নতুন বামনগ্রহের সন্ধান মিলল, প্লুটোর প্রতিবেশী, অনেক দূর থেকে প্রদক্ষিণ করছে সূর্যকে&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;চিলের Vera C. Rubin Observatory নতুন বামনগ্রহটি আবিষ্কার করেছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ ডিজিটাল ক্যামেরার সাহায্য়ে মহাকাশে সমীক্ষা চালানো হচ্ছিল।&amp;nbsp; আর তাতেই বামনগ্রহটির সন্ধান মেলে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, 2026 ED138 একটি ট্রান্স-নেপচুনিয়ান মহাজাগতিক বস্তু, অর্থাৎ নেপচুনেরও অনেক দূর থেকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে সেটি। প্লুটোর গ্রহের স্বীকৃতি হারানোর পর, সৌরজগতের সবচেয়ে দূরবর্তী গ্রহের স্বীকৃতি পেয়েছে নেপচুন।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;Rubin Operations টিমের সদস্যরা এই আবিষ্কার করেছেন। ওই টিমকে নেতৃত্ব দেন &amp;lsquo;সেন্টার ফর অ্য়াস্ট্রোফিজিক্সে&amp;rsquo;র সদস্য ম্যাথিউ হলম্যান। সমস্ত তথ্য ঘেঁটে দেখতে গিয়ে 2026 ED138-র ঔজ্জ্বল্য এবং আকার বিশেষ ভাবে নজর কাড়ে। হলম্যান বলেন, &amp;ldquo;খুব উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম। আবার বিশ্বাসও হচ্ছিল না। এই ধরনের জিনিস অত্যন্ত বিরল। তাই কোথাও ভুল হয়েছে কি না, বার বার যাচাই করে দেখি আমি।&amp;rdquo;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;strong&gt;আরও পড়ুন: &lt;a title=&quot;ডায়নোসর বেঁচে থাকলে পৃথিবী শাসন করতে পারত না পিঁপড়েরা, গ্রহাণু আছড়ে পড়াতেই এত বাড়বাড়ন্ত তাদের, উঠে এল গবেষণায়&quot; href=&quot;https://bengali.abplive.com/science/the-asteroid-that-killed-the-dinosaurs-may-have-helped-ants-to-thrive-and-conquer-the-world-1197468&quot; target=&quot;_self&quot;&gt;ডায়নোসর বেঁচে থাকলে পৃথিবী শাসন করতে পারত না পিঁপড়েরা, গ্রহাণু আছড়ে পড়াতেই এত বাড়বাড়ন্ত তাদের, উঠে এল গবেষণায়&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সব ঠিক থাকলে 2026 ED138 সৌরজতের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু হিসেবে গণ্য হবে। বর্তমানে সূর্য থেকে সেটির দূরত্ব ৪৬ অ্যাস্ট্রনমিক্যাল ইউনিট। সেটির কক্ষপথে ২৫ ডিগ্রি হেলানো। নেপচুনের অভিকর্ষীয় শক্তির সংস্পর্শে এসে বামনগ্রহটি আসল কক্ষপথ থেকে বিচ্যুত হয় বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। সূর্যের থেকে দূরত্ব, ঔজ্জ্বল্য এবং পৃষ্ঠতলের আলো প্রতিফলিত করার ক্ষমতা বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীদের ধারণা, বামনগ্রহটির ব্যাস হতে পারে ৬০০ থেকে ১৫০০ কিলোমিটারের মধ্যে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;আকাশগঙ্গা ছায়াপথের কাছাকাছি অংশে খোঁজ মিলেছে 2026 ED138-এর। লক্ষ লক্ষ নক্ষত্রে পরিপূর্ণ একটি ঘন অঞ্চল সেটি। সেই কারণেই এতদিন আলাদা ভাবে চিহ্নিত করা যায়নি বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;এই মুহূর্তে সৌরজগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় বামনগ্রহ প্লুটো। আগে যদিও সেটি গ্রহ বলেই গণ্য হতো। কিন্তু ২০০৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রনমিক্যাল ইউনিয়ন গ্রহ হিসেবে সেটির স্বীকৃতি কেড়ে নেয়। বিজ্ঞানীদের যুক্তি ছিল, সৌরজগতের কিনারায় যে অসংখ্য মহাজাগতিক বস্তু রয়েছে, তার মধ্যে একটি প্লুটো। আলাদা ভাবে গ্রহ বলে সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া নিষ্প্রয়োজন। ফলে &amp;lsquo;Haumea&amp;rsquo;,&amp;nbsp; &amp;lsquo;Makemake&amp;rsquo;,&amp;nbsp; &amp;lsquo;Eris&amp;rsquo;-এর মতো সৌরজগতের কিনারায় অবস্থিত বামনগ্রহের তালিকায় যুক্ত করা হয় প্লুটোকে। মঙ্গল এবং বৃহস্পতির মধ্যবর্তী গ্রহাণু বলয়ের বৃহত্তম বস্তুগুলির মধ্যে &amp;lsquo;Ceres&amp;rsquo; এবং &amp;lsquo;Vesta&amp;rsquo; গুরুত্বপূর্ণ। সেগুলি তুলনায় সূর্যের অনেক কাছেও।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;নেপচুন ছাড়িয়ে সৌরজগতের কিনারায় যত মহাজাগতিক বস্তু রয়েছে, তার সবক&amp;rsquo;টিই বামনগ্রহ নয়। আকারে বড়, মাধ্য়াকর্ষণ শক্তি রয়েছে এবং দেখতে গোলাকার বস্তুগুলিকেই বামনগ্রহ বলে চিহ্নিত করেন বিজ্ঞানীরা। নেপচুন ছাড়িয়ে, সৌরজগতের কিনারায় অবস্থানকারী সবচেয়ে বৃহদাকার বামনগ্রহ হিসেবে স্বীকৃতি পেতে পারে 2026 ED138.&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;iframe title=&quot;YouTube video player&quot; src=&quot;https://www.youtube.com/embed/PKwLsAu-z10?si=CREnlsubbM69ONas&quot; width=&quot;560&quot; height=&quot;315&quot; frameborder=&quot;0&quot; allowfullscreen=&quot;allowfullscreen&quot;&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></description><slash:comments>0</slash:comments><media:thumbnail url="https://feeds.abplive.com/onecms/images/uploaded-images/2026/10/31/9a53141053a54d2a24a7e86145ce8e9e1793444383777338_original.jpg" width="220"/></item><item><title><![CDATA[Science News: ডায়নোসর বেঁচে থাকলে পৃথিবী শাসন করতে পারত না পিঁপড়েরা, গ্রহাণু আছড়ে পড়াতেই এত বাড়বাড়ন্ত তাদের, উঠে এল গবেষণায়]]></title><link>https://bengali.abplive.com/science/the-asteroid-that-killed-the-dinosaurs-may-have-helped-ants-to-thrive-and-conquer-the-world-1197468</link><comments>https://bengali.abplive.com/science/the-asteroid-that-killed-the-dinosaurs-may-have-helped-ants-to-thrive-and-conquer-the-world-1197468#respond</comments><pubDate>Wed, 28 Oct 2026 15:46:08 +0530 </pubDate><dc:creator><![CDATA[ পম্পা অধিকারী সিংহ ]]></dc:creator><category><![CDATA[ বিজ্ঞান ]]></category><guid isPermaLink="true">https://bengali.abplive.com/science/the-asteroid-that-killed-the-dinosaurs-may-have-helped-ants-to-thrive-and-conquer-the-world-1197468</guid><description><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;strong&gt;নয়াদিল্লি:&lt;/strong&gt; কারও পৌষ মাস, তো কারও সর্বনাশ। পিঁপড়ে এবং ডায়নোসরের সম্পর্ক ব্য়াখ্য়া করতে বাংলার এই প্রবাদটিই সর্বোত্তম হয়ে উঠছে। কারণ ডায়নোসরের বিলুপ্তি না ঘটলে পিঁপড়েদের এত বাড়বাড়ন্ত হতো না বলে উঠে এল নয়া গবেষণায়। আজ থেকে প্রায় ৬ কোটি ৬০ লক্ষ বছর আগে প্রকাণ্ড গ্রহাণু আছড়ে পড়ে পৃথিবী থেকে ডায়নোসরদের অস্তিত্ব মুছে গিয়েছিল। আর তাতেই পিঁপড়েদের সাম্রাজ্য ফুলেফেঁপে ওঠে বলে দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা। (Ant Evolution)&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;জার্মানির ইউনিভার্সিটি অফ মুনস্টারের ইনস্টিটিউট অফ এভলিউশন অ্যান্ড বায়োডাইভারস্টিটির গবেষণায় এই তথ্য় উঠে এসেছে। গবেষণার নেতৃত্বে ছিলেন লুকাস শ্রেডার। তাঁরা জানিয়েছেন, ১৪-১৭ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে আবির্ভাব পিঁপড়ের। ১৫ হাজারের বেশি প্রজাতির পিঁপড়ের সন্ধান মিলেছে এখনও পর্ন্ত। কিন্তু বর্তমানে পৃথিবীতে তাদের যে আধিপত্য, ৭ কোটি বছর আগে তা ছিল না। গ্রহাণু আছড়ে পড়ে ডায়নোসর যুগের অবলুপ্তিত ঘটলে, পৃথিবীতে পিঁপড়ের আধিপত্য সূচনা ঘটে। (Science News)&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও পড়ুন: &lt;a title=&quot;বালুচিস্তানের যুবরাজকে অপহরণ করা হল, অপহৃত তাঁর দেহরক্ষীরাও, নেপথ্যে কে? তল্লাশি চলছে&quot; href=&quot;https://bengali.abplive.com/news/balochistan-prince-prince-muhammad-khan-ahmedzai-kidnapped-along-with-security-guards-pakistan-launches-probe-1197431&quot; target=&quot;_self&quot;&gt;বালুচিস্তানের যুবরাজকে অপহরণ করা হল, অপহৃত তাঁর দেহরক্ষীরাও, নেপথ্যে কে? তল্লাশি চলছে&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&amp;lsquo;Science Advances&amp;rsquo; জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণাপত্রটি। বর্তমান সময়ের ১৬টির মধ্যে ১২টি পিঁপড়ে উপজাতির ১৬৩টি প্রজাতির জিনোম বিশ্লেষণ করেন বিজ্ঞানীরা। পিঁপড়ের ১০ কোটি বছরের বিবর্তনীয় ইতিহাস পুনর্গঠন করেন তাঁরা। দেখা যায়, পিঁপড়ের DNA-তে যে স্থানান্তরযোগ্য উপাদান (Transposable Elements) রয়েছে, যাকে &amp;lsquo;জাম্পিং জিন&amp;rsquo; বলা হয়, তার দ্বারা উপকৃত পিঁপড়েরা। সেগুলি DNA-এর এমন অংশ, যা পরিস্থিতি অনুযায়ী জায়গা বদল করে এবং নিজেদের প্রতিলিপিও তৈরি করে। এতকাল যদি বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, ওই উপাদান হয়ত কোনও &amp;lsquo;জিনোমিক পরজীবী&amp;rsquo;, যা কোনও উপকার করে না, বরং ভাইরাসের মতো রোগ সৃষ্টি করে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;strong&gt;আরও পড়ুন: &lt;a title=&quot;নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পালিয়ে গেলেন বলসোনারো? ব্রাজিলের বাইরে যাওয়া নিষিদ্ধ করেছিল আদালত, দেশ ছাড়লেন রাতারাতি&quot; href=&quot;https://bengali.abplive.com/news/flavio-bolsonaro-leaves-brazil-after-election-loss-to-luis-inacio-lula-da-silva-in-brazil-elections-1197458&quot; target=&quot;_self&quot;&gt;নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পালিয়ে গেলেন বলসোনারো? ব্রাজিলের বাইরে যাওয়া নিষিদ্ধ করেছিল আদালত, দেশ ছাড়লেন রাতারাতি&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;তবে বর্তমানে ওই &amp;lsquo;জাম্পিং জিন&amp;rsquo;গুলিই বিবর্তনের উদ্ভাবনী শক্তি হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, যে সব পিঁপড়ের জিনোমে বেশি সংখ্যক স্থানান্তরযোগ্য উপাদান রয়েছে, বংশ পরম্পরায় তাদের প্রজাতির বৈচিত্র্যই সবচেয়ে বেশি। আজকের পিঁপড়েদের পূর্বপুরুষের শরীরে ঠিক কবে ওই স্থানান্তরযোগ্য উপাদানগুলির স্বতন্ত্র বিস্ফোরণ ঘটে, তাও চিহ্নিত করতে সফল হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। গ্রহাণু আছড়ে পড়ে ডায়নোসরদের বিলুপ্তি ঘটার পর পৃথিবীতে স্তন্যপায়ী প্রাণীদের যে বৃদ্ধি শুরু হয়, সেই প্যালিওজিন বা পুরাজীবীয় যুগের সূচনাপর্বেই পিঁপড়ের শরীরে নিহিত স্থানান্তরযোগ্য় উপাদানগুলি সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন প্রজাতির সৃষ্টি হয়।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;লুকাস শ্রেডার জানিয়েছেন, গ্রহাণুর আঘাতে পরিবেশের উপর নাটকীয় প্রভাব পড়ে। পরিবেশের উপর নেমে আসা ওই বিপর্যয়ই স্থানান্তরযোগ্য় উপাদানগুলিকে সক্রিয় করে তোলে এবং পিঁপড়েদের বৈচিত্রায়নের রাস্তা খুলে দেয়। একই ধরনের প্রভাব চোখে পড়েছে বাদুড়ের ক্ষেত্রেও। হঠাৎই &amp;lsquo;জাম্পিং জিনে&amp;rsquo;র কার্যকলাপে বৃদ্ধি চোখে পড়ে। এই &amp;lsquo;জাম্পিং জিন&amp;rsquo;কে রাসায়নিক কার্যকারণে জিনের প্রসারের সঙ্গেও জুড়ে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। গন্ধ বুঝে দিক নির্ণয় করতে শুরু করে তারা, বাসার সঙ্গীদের চিনতে শুরু করে এবং গড়ে তোলে উপনিবেশ। ওই বিপর্যয় থেকেই পিঁপড়েদের রাসায়নিক সঙ্কেত শনাক্ত করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় বলে মত তাঁদের।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;iframe title=&quot;YouTube video player&quot; src=&quot;https://www.youtube.com/embed/PKwLsAu-z10?si=CREnlsubbM69ONas&quot; width=&quot;560&quot; height=&quot;315&quot; frameborder=&quot;0&quot; allowfullscreen=&quot;allowfullscreen&quot;&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></description><slash:comments>0</slash:comments><media:thumbnail url="https://feeds.abplive.com/onecms/images/uploaded-images/2026/10/28/e8a6da0f9e67093347251df0ba11cd581793181767264338_original.jpg" width="220"/></item><item><title><![CDATA[Who is Ashoke Sen: স্ট্রিং থিওরি নিয়ে কাজের জন্য ‘অস্কার ক্লাইন মেডেল’, বিদেশে থিতু হননি, ভারতের মুকুটে নয়া পালক যোগ করলেন বঙ্গসন্তান অশোক সেন]]></title><link>https://bengali.abplive.com/photo-gallery/science/ashoke-sen-becomes-the-first-indian-physicist-to-win-oskar-klein-medal-for-five-string-theories-discovery-know-about-him-in-details-1197164</link><comments>https://bengali.abplive.com/photo-gallery/science/ashoke-sen-becomes-the-first-indian-physicist-to-win-oskar-klein-medal-for-five-string-theories-discovery-know-about-him-in-details-1197164#respond</comments><pubDate>Sun, 25 Oct 2026 19:20:49 +0530 </pubDate><dc:creator><![CDATA[ পম্পা অধিকারী সিংহ ]]></dc:creator><category><![CDATA[ বিজ্ঞান ]]></category><guid isPermaLink="true">https://bengali.abplive.com/photo-gallery/science/ashoke-sen-becomes-the-first-indian-physicist-to-win-oskar-klein-medal-for-five-string-theories-discovery-know-about-him-in-details-1197164</guid><description><![CDATA[Who is Ashoke Sen: স্ট্রিং থিওরি নিয়ে কাজের জন্য ‘অস্কার ক্লাইন মেডেল’, বিদেশে থিতু হননি, ভারতের মুকুটে নয়া পালক যোগ করলেন বঙ্গসন্তান অশোক সেন]]></description><slash:comments>0</slash:comments><media:thumbnail url="https://feeds.abplive.com/onecms/images/uploaded-images/2026/10/25/9d027af9bb4fbc61bf19e7a9bc8dd3431792935362889338_original.jpg" width="220"/></item><item><title><![CDATA[US UFO Files: রাতের আকাশে রহস্যময় যান, দেখাল আমেরিকার UFO ফাইলস]]></title><link>https://bengali.abplive.com/science/mysterious-ufo-like-triangle-sighting-revealed-in-us-pentagon-files-1197080</link><comments>https://bengali.abplive.com/science/mysterious-ufo-like-triangle-sighting-revealed-in-us-pentagon-files-1197080#respond</comments><pubDate>Sat, 24 Oct 2026 19:56:31 +0530 </pubDate><dc:creator><![CDATA[ পম্পা অধিকারী সিংহ ]]></dc:creator><category><![CDATA[ বিজ্ঞান ]]></category><guid isPermaLink="true">https://bengali.abplive.com/science/mysterious-ufo-like-triangle-sighting-revealed-in-us-pentagon-files-1197080</guid><description><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;strong&gt;নয়াদিল্লি:&lt;/strong&gt; আকাশে ফের রহস্যময় বস্তুর দেখা মিলল। মিশমিশে কালো, একটি ত্রিভুজ। দ্রুত গতিতে ছুটে যাচ্ছিল। অথচ সেটির গতিপথে সাধারণ বিমানের মতো বাষ্পীয় রেখা চোখে পড়েনি। আমেরিকা সরকারের তরফে নতুন করে যে UFO ফাইল প্রকাশ করা হয়েছে, তাতেই ওই দৃশ্য় ধরা পড়েছে। ফলে সেটি ভিন্গ্রহী যান কি না, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে নতুন করে। (Mysterious UFO Like Sighting)&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;শুক্রবার Unidentified Anomalous Phenomena (অজ্ঞাত অস্বাভাবিক ঘটনা) সংক্রান্ত যে নথিপত্র প্রকাশ করেছে আমেরিকার সরকার, তাতেই ওই রহস্যময় যানটিকে দেখা গিয়েছে। আমেরিকার একটি গোপন সামরিক ঘাঁটির উপর ছিল সেটি। একবার নয়, দু&amp;rsquo;বার নয়, গত বছরেই তিন-তিন বার দেখা গিয়েছে রহস্যময় ওই যানটিকে। সেটির গতি ঘণ্টায় প্রায় ১৮০০ মাইল ছিল বলে জানা যাচ্ছে। সেটি অন্য কোনও দেশের কি না, তাও পরিষ্কার নয়। (US UFO Files)&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;রহস্যময় ওই যানটিকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সেটি অত্যাধুনিক কোনও যান কি না, অন্য কোনও দেশ থেকে এসেছে, না কি ভিন্গ্রহীদের পাঠানো যান, চর্চা সর্বত্র। তবে নিরাপত্তার খাতিরে ওই নথিপত্রের পেশ কিছু অংশ গোপন রাখা হয়েছে। ফলে সেটিকে ঠিক কোন এলাকায় দেখা গিয়েছিল, তা বোঝা যাচ্ছে না।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;blockquote class=&quot;twitter-tweet&quot;&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot; lang=&quot;en&quot;&gt;NEW UFO DROP 🛸👀 https://t.co/oUYLzcjTIY https://t.co/2bt4NujNAi&lt;/p&gt;
&amp;mdash; The White House (@WhiteHouse) &lt;a href=&quot;https://x.com/WhiteHouse/status/2113649451697164594?ref_src=twsrc%5Etfw&quot;&gt;October 23, 2026&lt;/a&gt;&lt;/blockquote&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও পড়ুন: &lt;a title=&quot;মহাকাশে নজিরবিহীন ঘটনা, হঠাৎ আমেরিকার স্যাটেলাইটের পিছু নিল রুশ স্যাটেলাইট, বড় কিছু ঘটতে চলেছে কি? বাড়ছে উদ্বেগ&quot; href=&quot;https://bengali.abplive.com/science/russian-satellite-cosmos-2612-stalks-iceye-x36-in-close-proximity-without-permission-1196957&quot; target=&quot;_self&quot;&gt;মহাকাশে নজিরবিহীন ঘটনা, হঠাৎ আমেরিকার স্যাটেলাইটের পিছু নিল রুশ স্যাটেলাইট, বড় কিছু ঘটতে চলেছে কি? বাড়ছে উদ্বেগ&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;আমেরিকার সরকার যে স্কেচ প্রকাশ করেছে, তাতে পাহাড়ি অঞ্চলের আকাশে ত্রিভুজ যানটিকে দেখা গিয়েছে। কোনও ছবি প্রকাশ করা হয়নি যানটির। FBI রিপোর্ট অনুযায়ী, মাত্র তিন সেকেন্ডে সেটি ১.৫ মাইল দূরত্ব পেরিয়ে যায়। সেটির ওড়ার কোনও শব্দ পাওয়া যায়নি, কোনও রকম গ্যাস বেরোতে দেখা যায়নি বলে উল্লেখ রয়েছে রিপোর্টে। থার্মাল যন্ত্র দিয়ে স্ক্যান করার সময় সুষম তাপীয় সঙ্কেত পাওয়া যায়, যা সাধারণত বিমান বা ড্রোনের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে না। বরং সেক্ষেত্রে ইঞ্জিনের নির্দিষ্ট কিছু অংশে তাপীয় সঙ্কেত বেশ তীব্র হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;রহস্যময় ওই যানটির আকারও নজরও কেড়েছে সকলের। নথিতে বলা রয়েছে, এত দ্রুত গতিতে উড়ছিল যানটি, তাতে যুদ্ধবিমানের সঙ্গে তুলনা করা যায় সেটিকে। বাইরের অংশ ছিল সম্পূর্ণ মসৃণ। কোনও জোড়াতাপ্পি, খাঁজ চোখে পড়েনি। সাধারণ বিমান বা যুদ্ধবিমানে থাকা ককপিটের অংশও চোখে পড়েনি যানটিতে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;আকাশে ওই যানটিকে উড়তে দেখেন দুই ব্যক্তি। তাঁরা জানান, যানটিকে দেখার সময় কোনও শারীরিক অস্বস্তি অনুভব করেননি তাঁরা। বমিভাব, মাথাব্যথা, বিভ্রান্তি হয়নি। রহস্যময় ওই যানটি আমেরিকার তৈরি কোনও অত্যাধুনিক যান কি না, সেই সম্ভাবনা খারিজ করে দিয়েছেন সরকারি আধিকারিকরা। সেটিকে অন্য কোনও দেশের যান বলেও তাঁরা মানতে রাজি নন। এত উন্নত প্রযুক্তি কোনও দেশের হাতে রয়েছে বলে খবর খবর নেই তাঁদের কাছে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;strong&gt;আরও পড়ুন: &lt;a title=&quot;মাসে ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা বেতন, শুধু পেঙ্গুইন গুনতে হবে, আন্টার্কটিকায় চাকরির সুযোগ&quot; href=&quot;https://bengali.abplive.com/photo-gallery/offbeat/counting-penguins-for-2500-euros-a-month-uk-antarctic-heritage-trust-job-opportunity-1197016&quot; target=&quot;_self&quot;&gt;মাসে ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা বেতন, শুধু পেঙ্গুইন গুনতে হবে, আন্টার্কটিকায় চাকরির সুযোগ&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;পৃথিবীতে এলিয়েনদের আনাগোনা, ভিন্গ্রহী যান দেখতে পাওয়ার মতো একাধিক দাবি সামনে এসেছে এখনও পর্যন্ত। আমেরিকা আসল সত্য গোপন করছে বলেও অভিযোগ উঠে আসছে লাগাতার। সেই নিয়ে কাটাছেঁড়ার মধ্যেই অজ্ঞাত যান সংক্রান্ত যাবতীয় ফাইলস প্রকাশ্যে আনার ঘোষণা করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। সেই মতো সপ্তম দফায় আরও ফাইল প্রকাশ করা হল। তবে এখনও পর্যন্ত ভিন্গ্রহীদের অস্তিত্ব বা পৃথিবীতে তাদের আনাগোনার সপক্ষে অকাট্য প্রমাণ মেলেনি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;শুক্রবার প্রকাশিত নথিপত্রে আরও বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে। বলা হয়েছে, উটায় অবস্থিত ৫১২ একরের খামার থেকে UFO দেখা থেকে বেশ কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা সামনে এসেছে। ২০১০ সালে সেখান থেকে চুল সংগ্রহ করা হয়েছিল। খামারের মালিকের দাবি ছিল, একটি রহস্যময় প্রাণী দেখতে পান তিনি। পোষ্যরা সেটির পিছু নিলে কাঁটাতার পেরিয়ে পালিয়ে যায় সেটি। সেই কাঁটাতার থেকেই চুল সংগ্রহ করা হয়। সেটির DNA-ও পরীক্ষা করে দেখেন বিশেষজ্ঞরা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;পাশাপাশি, দু&amp;rsquo;পেয়ে কুকুরের মতো দেখতে প্রাণী, অস্বাভাবিক চিৎকার ও আর্তনাদ, মানুষের মতো দেখতে খর্বাকার প্রাণী, ৮ ফুট লম্বা পোকা দেখার দাবিও উঠে এসেছে নথিপত্রেে। ছয়ের দশকে NASA-র একটি নথির উল্লেখও রয়েছে তাতে, যাতে মহাকাশ থেকে খসে পড়া বস্তুর সংস্পর্শে এলে কী করণীয় লেখা রয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;iframe title=&quot;YouTube video player&quot; src=&quot;https://www.youtube.com/embed/PKwLsAu-z10?si=CREnlsubbM69ONas&quot; width=&quot;560&quot; height=&quot;315&quot; frameborder=&quot;0&quot; allowfullscreen=&quot;allowfullscreen&quot;&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></description><slash:comments>0</slash:comments><media:thumbnail url="https://feeds.abplive.com/onecms/images/uploaded-images/2026/10/24/0609b8ecfa2dc7c3b18c25229b9bb3021792851722987338_original.jpg" width="220"/></item><item><title><![CDATA[Space Conflict: মহাকাশে নজিরবিহীন ঘটনা, হঠাৎ আমেরিকার স্যাটেলাইটের পিছু নিল রুশ স্যাটেলাইট, বড় কিছু ঘটতে চলেছে কি? বাড়ছে উদ্বেগ]]></title><link>https://bengali.abplive.com/science/russian-satellite-cosmos-2612-stalks-iceye-x36-in-close-proximity-without-permission-1196957</link><comments>https://bengali.abplive.com/science/russian-satellite-cosmos-2612-stalks-iceye-x36-in-close-proximity-without-permission-1196957#respond</comments><pubDate>Fri, 23 Oct 2026 19:13:49 +0530 </pubDate><dc:creator><![CDATA[ পম্পা অধিকারী সিংহ ]]></dc:creator><category><![CDATA[ বিজ্ঞান ]]></category><guid isPermaLink="true">https://bengali.abplive.com/science/russian-satellite-cosmos-2612-stalks-iceye-x36-in-close-proximity-without-permission-1196957</guid><description><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;strong&gt;নয়াদিল্লি:&lt;/strong&gt; পৃথিবী ছাড়িয়ে মহাকাশেও যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আমেরিকা মহাকাশে যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন রাখার কথা মেনে নিয়েছে ইতিমধ্যেই। চিন ও রাশিয়ার মতো দেশ সরাসরি স্বীকার না করলেও, তাদের গতিবিধি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আর সেই আবহেই উদ্বেগ বাড়ল। কারণ রাশিয়ার একটি স্যাটেলাইট আচমকাই গতি পরিবর্তন করে আচমকাই আমেরিকার স্যাটেলাইটের কাছাকাছি পৌঁছে যায় বলে খবর। এ নিয়ে আগাম কিছু জানানো হয়নি, অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। আর তাতেই মহাকাশে মুখোমুখি সংঘাতের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। (Cosmos 2612)&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;রাশিয়ার স্যাটেলাইট Cosmos 2612 (Kosmos 2612) আমেরিকার ICEYE-X36 নামের একটি বাণিজ্যিক স্যাটেলাইটের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। ১৫ থেকে ১৯ অক্টোবরের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্পেস ট্র্যাকিং সংস্থা LeoLabs. শুধুমাত্র কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়াই নয়, টানা দু&amp;rsquo;দিন আমেরিকার স্যাটেলাইটের কাছাকাছি মোতায়েন ছিল রুশ স্যাটেলাইট। একটা সময় পর দূরত্ব ছিল মাত্র কয়েকশো মিটার। ( ICEYE-X36)&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও পড়ুন: &lt;a title=&quot;পুনর্জন্ম বলে কি কিছু হয়? পূর্বজন্মের কথা কি সত্যিই মনে থাকে? গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য, নতুন প্যাটার্ন&quot; href=&quot;https://bengali.abplive.com/science/reincarnation-myster-scientific-research-found-bizarre-pattern-in-over-1000-cases-1196909&quot; target=&quot;_self&quot;&gt;পুনর্জন্ম বলে কি কিছু হয়? পূর্বজন্মের কথা কি সত্যিই মনে থাকে? গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য, নতুন প্যাটার্ন&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;বিষয়টি সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আচমকা দুই স্যাটেলাইটের এত কাছাকাছি চলে আসা অত্যন্ত বিপজ্জনক। কেন গতিপথ বদল করে রুশ স্যাটেলাইটটি আমেরিকার স্যাটেলাইটের কাছে পৌঁছে গেল, কী উদ্দেশ্য ছিল, তা এখনও পরিষ্কার নয়। আমেরিকার যে ICEYE-X36 স্যাটেলাইটের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল রুশ স্যাটেলাইটটি, সেটি মহাকাশ থেকে ইউক্রেনকে &amp;lsquo;রেডার ইমেজারি&amp;rsquo; সরবরাহ করছিল।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&amp;lsquo;রেডার ইমেজারি&amp;rsquo; এক ধরনের ভিস্যুয়াল ম্যাপ। ভিস্যুয়াল ম্যাপকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি চোখও বলা চলে। কারণ বৃষ্টি, মেঘ, ধোঁয়া অতিক্রম করে নির্দিষ্ট জায়গার ছবি তুলে ধরতে পারে সেটি। রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন ইউক্রেনকে ওই রেডার ইমেজারি সরবরাহ করা হচ্ছিল ICEYE-X36&amp;nbsp; স্যাটেলাইট থেকে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;strong&gt;আরও পড়ুন: &lt;a title=&quot;জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তিব্বত, মাটি কাঁপল চিনেরও, নেপালে বিপর্যয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই&quot; href=&quot;https://bengali.abplive.com/science/earthquake-in-tibet-twice-china-also-had-tremors-weeks-after-nepal-tragedy-1196855&quot; target=&quot;_self&quot;&gt;জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তিব্বত, মাটি কাঁপল চিনেরও, নেপালে বিপর্যয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;চলতি বছরের ১৬ এপ্রিল Cosmos 2612 স্যাটেলাইটটিকে মহাকাশে পাঠায় রাশিয়া। মহাকাশে যে ছয়টি সামরিক স্যাটেলাইট রয়েছে তাদের, Cosmos 2612 তার মধ্যে অন্যতম। আমেরিকার সামরিক বাহিনী ওই স্যাটেলাইটগুলির গতিবিধির উপর নজর রাখছিল। আর তাতেই গতিপথ পরিবর্তনের বিষয়টি ধরা পড়ে। জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহেই হঠাৎ আমেরিকার স্যাটেলাইটটির পিছু নেয় Cosmos 2612. একটা সময় পর দূরত্ব কমে ৫০০ মিটারেরও কম হয়ে যায়।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;LeoLabs জানিয়েছে, একেবারে পরিকল্পনা মাফিক ICEYE-X36-এর দিকে এগোয় Cosmos 2612. নেদারল্যান্ডসের ডেলফট ইউনিভার্সিটি অফ ডেকনোলজির স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং বিশেষজ্ঞ মার্কো ল্যাংব্রোক জানিয়েছেন, ইচ্ছাকৃত ভাবে বিষয়টি ঘটানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে গোড়ায় সন্দিহান ছিলেন তাঁরা। তবে পর পর যে পদক্ষেপ করে Cosmos 2612, যেভাবে&amp;nbsp; ICEYE-X36-এর কাছে পৌঁছে যায় এবং অবস্থান প্রায় একই জায়গায় চলে যায়, তাতে স্পষ্ট হয়ে যায় সবকিছু।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও রাশিয়ার বিরুদ্ধে অন্য স্যাটেলাইটের পিছু নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। ২০২২ সালে রাশিয়ার গুপ্তচর স্যাটেলাইট Cosmos 2558 আমেরিকার USA 338 স্যাটেলাইটের কাছাকাছি পৌঁছে যায়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;iframe title=&quot;YouTube video player&quot; src=&quot;https://www.youtube.com/embed/PKwLsAu-z10?si=CREnlsubbM69ONas&quot; width=&quot;560&quot; height=&quot;315&quot; frameborder=&quot;0&quot; allowfullscreen=&quot;allowfullscreen&quot;&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></description><slash:comments>0</slash:comments><media:thumbnail url="https://feeds.abplive.com/onecms/images/uploaded-images/2026/10/23/ca06d9e71f9fb7832f3748c9c8cbfb621792762644993338_original.jpg" width="220"/></item><item><title><![CDATA[Reincarnation Mystery: পুনর্জন্ম বলে কি কিছু হয়? পূর্বজন্মের কথা কি সত্যিই মনে থাকে? গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য, নতুন প্যাটার্ন]]></title><link>https://bengali.abplive.com/science/reincarnation-myster-scientific-research-found-bizarre-pattern-in-over-1000-cases-1196909</link><comments>https://bengali.abplive.com/science/reincarnation-myster-scientific-research-found-bizarre-pattern-in-over-1000-cases-1196909#respond</comments><pubDate>Fri, 23 Oct 2026 14:17:36 +0530 </pubDate><dc:creator><![CDATA[ পম্পা অধিকারী সিংহ ]]></dc:creator><category><![CDATA[ বিজ্ঞান ]]></category><guid isPermaLink="true">https://bengali.abplive.com/science/reincarnation-myster-scientific-research-found-bizarre-pattern-in-over-1000-cases-1196909</guid><description><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;strong&gt;নয়াদিল্লি:&lt;/strong&gt; পুনর্জন্মে বিশ্বাস করেন কিছু মানুষ। হাতেগোনা কিছু মানুষ আবার দাবি করেন, আগের জন্মের কথা মনে আছে তাঁদের। কিন্তু মৃত্য়ুর পর পুনরায় জন্মগ্রহণ নিয়ে এখনও পর্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত কোনও তথ্যপ্রমাণ হাতে আসেনি। তবে পূর্বজন্মের কথা মনে থাকা নিয়ে বিশেষ গাণিতিক &amp;lsquo;প্য়াটার্ন&amp;rsquo; খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা। (Reincarnation Research)&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;মৃত্যুর পর আমাদের চেতনার কী হয়, তা নিয়ে যেমন কৌতূহলের শেষ নেই, তেমনই পুনর্জন্মের তত্ত্বও নিয়েও গবেষণা চলে আসছে দীর্ঘ সময় ধরে। পূর্বজন্মের কথা মনে থাকার যে দাবি শোনা যায়, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে যখন এমন দাবি শোনা যায়, তার জন্য পৃথক গবেষণা চলে। এই ধরনের ঘটনাকে Cases of the Reincarnation Type (CORT) বলা হয়। (Reincarnation Mystery)&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;ছয়ের দশক থেকেই এ নিয়ে গবেষণা চালিয়ে আসছে &lt;a title=&quot;ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়া&quot; href=&quot;https://med.virginia.edu/clinical/psychiatry-neurobehavioral-sciences/perceptual-studies/our-research/children-who-report-memories-of-previous-lives&quot; target=&quot;_self&quot;&gt;ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়া&lt;/a&gt;র ডিভিশন অফ পার্সেপচুয়াল স্টাডিজ় বিভাগ। এমন এমন হাজার হাজার মানুষের তথ্য় জমা করে রাখা হয়েছে সেখানে, যাঁরা পূর্বজন্মের স্মৃতি থাকার কথা জানিয়েছেন। সেই তথ্যভাণ্ডার নিয়ে কাটাছেঁড়া করতে গিয়েই নতুন একটি গাণিতিক &amp;lsquo;প্যাটার্ন&amp;rsquo; বা যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া গিয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;strong&gt;আরও পড়ুন: &lt;a title=&quot; সত্যি সত্যিই ডেমোগর্গন চলে এল পৃথিবীতে? সিসিটিভিতে রহস্যময় প্রাণীর দেখা মিলল, অন্য ডাইমেনশন থেকে এসেছে বলে দাবি&quot; href=&quot;https://bengali.abplive.com/science/demogorgon-like-creature-spotted-near-us-mexico-border-allegedly-usfo-inestigator-claims-it-could-be-from-another-dimension-1196781&quot; target=&quot;_self&quot;&gt; সত্যি সত্যিই ডেমোগর্গন চলে এল পৃথিবীতে? সিসিটিভিতে রহস্যময় প্রাণীর দেখা মিলল, অন্য ডাইমেনশন থেকে এসেছে বলে দাবি&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;Psychology of Consciousness: Theory, Research, and Practice জার্নালে রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকদের মতে, বিষয়টির সোজাসাপ্টা ব্যাখ্যা সম্ভব নয়। তবে একটি চমকপ্রদ বিষয় সামনে এসেছে। মোট ১৬৭৮টি ঘটনা বিচার-বিশ্লেষণ করে দেখে এক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়। তাঁকে Past Person বা গত ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত করেন গবেষকরা। দেখা যায়, ওই ব্যক্তির জীবন বৃত্তান্ত এবং একটি শিশুর পূর্বজন্মের স্মৃতি মিলে গিয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;ওই শিশুটির মা-বাবা, আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীর সঙ্গে কথা বলেন গবেষকরা। সব তথ্য যাচাই করে দেখা হয়। মিলিয়ে দেখা হয় নির্ভরযোগ্য নথিপত্রের সঙ্গে। গবেষণা করতে গিয়ে Intermission Time বা অন্তর্বর্তী সময়কে চলকরাশি হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ মৃত ব্যক্তি এবং শিশুটির জন্মের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধানের উপর জোর দেওয়া হয় বিশেষ ভাবে। এর পর ১৩১৯টি এমন ঘটনা সামনে আসে, যেখানে অন্তর্বর্তী সময়কাল ছিল ১৬ মাস।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;বিস্ময়কর ভাবে ওই তথ্যভাণ্ডার থেকে এমন একটি ঘটনাও উঠে আসে, যেখানে অন্তর্বর্তী সময়কাল ছিল সবচেয়ে দীর্ঘ, ১৫০ বছর। অর্থাৎ অর্থাৎ পূর্বজন্মের স্মৃতি বলে একজনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মিলে যায় ১৫০ বছর আগে প্রয়াত এক ব্যক্তির জীবনের সঙ্গে। তবে অদ্ভুত বিষয় হল, আকস্মিক মৃত্যুতে এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের ব্যবধান রহস্যজনক ভাবেই কমে যায়। অর্থাৎ দুর্ঘটনা, যুদ্ধক্ষেত্র বা হঠাৎ করে কেউ যদি মারা যাওয়া ব্যক্তির জীবনের সঙ্গে যখন কারও পূর্বজন্মের স্মৃতি মিলে যায়, সেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তি এবং পূর্বজন্মের স্মৃতি তুলে ধরা ব্যক্তির জন্মের মধ্যেকার অন্তর্বর্তী সময়ের ব্যবধান ছিল তুলনামূলক কম, গড়ে মাত্র ১২ মাস। অথচ মৃত্যু নিশ্চিত ছিল, এমন ক্ষেত্রে ওই ব্যবধান গড়ে ২১ মাস ছিল। দেখা যায়, মৃত্যু যতটা আকস্মিক, যতটা অপ্রত্যাশিত, অন্তর্বর্তীকালীন সময়কালের ব্যবধান ততটাই সংক্ষিপ্ত। অর্থাৎ আকস্মিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে শিশুর জন্মের ব্যবধান কমে যাচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও পড়ুন: &lt;a title=&quot;জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তিব্বত, মাটি কাঁপল চিনেরও, নেপালে বিপর্যয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই&quot; href=&quot;https://business.facebook.com/latest/posts/published_posts/?asset_id=198230903525774&amp;amp;nav_ref=internal_nav&quot; target=&quot;_self&quot;&gt;জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তিব্বত, মাটি কাঁপল চিনেরও, নেপালে বিপর্যয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;এর বিপরীতে সম্ভাব্য যুক্তি হিসেবে সাংস্কৃতিক প্রভাবের কথা উঠতেই পারে। পুনর্জন্মে বিশ্বাস করেন যাঁরা, তাঁরা এই ধরনের চর্চাকে জিইয়ে রাখেন। তাই স্মৃতি বিকৃতি, পারিবারিক প্রভআব, সামাজিক মর্যাদা, গেঁথে থাকা বিশ্বাস, সব কিছুই খতিয়ে দেখেন গবেষকরা। তাতে দেখা যায়, অন্তর্বর্তী সময়কাল কমে আসার প্রবণতা সেই সব পরিবারের ক্ষেত্রে বেশি স্পষ্ট, যাঁদের ধর্মবিশ্বাসে পুনর্জন্মের কোনও স্থান নেই। তাই পূর্বজন্মের স্মৃতি নিয়ে যে সব কাহিনি শোনা যায়, সামাজিক বিশ্বাস সেগুলির চালিকাশক্তি, অথবা সেগুলি কোনও ধর্মীয় বা সামাজিক বিশ্বাসের ফলবলে মনে করছেন না ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়ার গবেষক ফিলিক কোজোলিনো।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;আরও একটি বিষয় নজর কেড়েছে গবেষকদের, যা হল, বিচার-বিশ্লেষণ করে দেখাগিয়েছে, ৫৭ শতাংশ ক্ষেত্রে মৃত্যুকে অপ্রত্যাশিত বলে গণ্য করা হয়। ৬৮ শতাংশ ক্ষেত্রে মৃত্যুকে গণ্য করা হয় অপ্রত্যাশিত বলে। অস্বাভাবিক ও অপ্রত্যাশিত মৃত্য়ুর এই হার সাধারণ মৃত্যুহারের চেয়ে পরিসংখ্যানগত ভাবে অনেকটাই বেশি। এছাড়াও, গত ব্যক্তি, অর্থাৎ যাঁকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করা হচ্ছে, মৃত্যুর সময় তাঁর বয়সও অনেকটাই কম ছিল, মাত্র ৩০ বছর। এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হননি গবেষকরা। তবে তাঁদের মতে, এই সূত্র ঘরে মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ ঘটনার ব্যাখ্য়া সম্ভব। ব্যক্তিগত বা অন্য কোনও নির্দিষ্ট বিষয় থাকতে পারে এক্ষেত্রে। তবে মৃত্যুর পরও চেতনার অস্তিত্ব টিকে থাকে কি না, তা এর দ্বারা প্রমাণিত হয় না।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;গবেষকদের মতে, এই গবেষণাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এতে এক ধরনের সংযোগকেই তুলে ধরা হয়েছে। তবে মৃত ব্যক্তির সঙ্গে শিশুর জন্মের সময়ের মধ্যে যোগসূত্র তৈরি হয়, এমন কিছু নেই। তবে হিন্দু, বৌদ্ধ এবং উত্তর আমেরিকার জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষের যে বিশ্বাস, তার সঙ্গে মিলে যায় অনেকটা। কারণ তাঁদের বিশ্বাস, হঠাৎ কেউ মারা গেলে, তাঁর অনেক কাজ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। সেই অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করতেই পুনর্জন্ম হয়। কিন্তু এই গবেষণা কোনও অলৌকিক যোগসূত্রের প্রমাণ নয় বলেই জানিয়েছেন গবেষকরা। বরং আরও অনুসন্ধান প্রয়োজন বলে মত তাঁদের।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-weight: 400;&quot;&gt;&lt;iframe title=&quot;YouTube video player&quot; src=&quot;https://www.youtube.com/embed/PKwLsAu-z10?si=CREnlsubbM69ONas&quot; width=&quot;560&quot; height=&quot;315&quot; frameborder=&quot;0&quot; allowfullscreen=&quot;allowfullscreen&quot;&gt;&lt;/iframe&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></description><slash:comments>0</slash:comments><media:thumbnail url="https://feeds.abplive.com/onecms/images/uploaded-images/2026/10/23/e038890c038dd3ba30ab63016dfe828d1792745147031338_original.jpg" width="220"/></item></channel></rss>