Rinku Singh: 'কোনও শব্দই যথেষ্ট নয়..', পিতৃহারা রিঙ্কুকে সমবেদনায় কী বললেন প্রাক্তন ক্রিকেটাররা?
Rinku Singh's Father Demise: আজ ভোরবেলা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রিঙ্কু সিংহের বাবা খানচাঁদ সিংহ। দীর্ঘদিন ধরেই লিভার ক্যান্সারে ভুগছিলেন তিনি। বাবার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরই বাড়িতে ফিরে এসেছেন রিঙ্কু।

আলিগড়: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) খেলতে দেশের জার্সিতে মাঠে নামছেন তিনি। হাসপাতালে ভর্তি থাকা বাবাকে দেখে এসে ফের দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন। নিজের দেশের প্রতি দায়িত্বে অবিচল ছিলেন। ২৬ তারিখ জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে না থাকলেও তাঁকে দেখা গিয়েছিল ফিল্ডিং করতে। তখনই কি জানতেন যে বাবাকে আর দেখা হবে না তাঁর। আজ ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোরবেলা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রিঙ্কু সিংহের বাবা খানচাঁদ সিংহ। দীর্ঘদিন ধরেই লিভার ক্যান্সারে ভুগছিলেন তিনি। বাবার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরই বাড়িতে ফিরে এসেছেন রিঙ্কু। পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে বাবার শেষকৃত্যেও যোগ দিয়েছেন তিনি। এদিকে রিঙ্কুর বাবার প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরই ভারতীয় ক্রিকেটারকে সমবেদনা জানিয়েছেন দেশের প্রাক্তন নামিদামি ক্রিকেটাররা।
রিঙ্কুর প্রয়াণের খবর পাওয়ার পরই সোশ্য়াল মিডিয়ায় পোস্ট করে হরভজন সিংহ লিখেছেন, ''রিঙ্কু সিংহয়ের বাবা শ্রী খানচাঁদ সিংহ জির প্রয়াণের খবর শুনে আমি গভীরভাবে শোকাহত। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দায়িত্ব পালনের মাঝেই রিঙ্কুর ওপর দিয়ে এই ঝড় বয়ে যাচ্ছে। ওর এবং ওর পরিবারের জন্য আমার প্রার্থনা রইল। ঈশ্বর ওঁনাকে শান্তি দিন।"
বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন ভারতীয় অলরাউন্ডার যুবরাজ সিংহ লিখেছেন, ''হৃদয়বিদারক একটা খবর পেলাম যে রিঙ্কুর বাবা প্রয়াত হয়েছেন। কোনও শব্দই এই অনুভূতিকে প্রকাশ করার জন্য যথেষ্ট নয়। তোমার ও তোমার পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা রইল আমার। এই কঠিন সময়ে তুমি আরও শক্তিশালী হও, তোমার ভালবাসার মানুষগুলোকে নিয়ে আরও দৃঢ় হয়ে ওঠো।''
উল্লেখ্য, গ্রেটার নয়ডার যথার্থ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, চতুর্থ পর্যায়ের লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। সম্প্রতি তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে, যার ফলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাবার স্বাস্থ্যের অবনতির খবর পেয়ে, রিঙ্কু সিং হঠাৎ করে টিম ইন্ডিয়া ছেড়ে বাড়ি ফিরে আসেন। চিকিৎসকদের সমস্ত রকম প্রচেষ্টা সত্ত্বেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। ভেন্টিলেটর সাপোর্টেই ছিলেন শেষ কয়েকদিন। রেনাল রিপ্লেসমেন্ট থেরাপিও দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু সেই চেষ্টাও সফল হল না। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঝেই বাবাকে দেখতে এসেছিলেন রিঙ্কু। দলের সঙ্গে যদিও জিম্বাবোয়ে ম্য়াচের আগেই যোগ দিয়েছিলেন। একাদশে না থাকলেও ফিল্ডিং করতে নেমেছিলেন। রিঙ্কুর হাত থেকে ক্যাচ মিস দেখে অনেকেই অবাক হয়েছিলন! কিন্তু তাঁর মনে কী চলছিল, তার আভাস হয়ত অনেকেই পাননি।




















