Ranji Trophy 2025-26: পুন্দিরের সেঞ্চুরি, হাসান, সামাদের অর্ধশতরানে রঞ্জি ফাইনালের প্রথম দিনে জম্মু ও কাশ্মীরের দাপট
Ranji Trophy Final: রঞ্জি ফাইনালের প্রথম দিনের খেলাশেষে জম্মু ও কাশ্মীরের স্কোর মাত্র দুই উইকেটের বিনিময়ে ২৮৪ রান।

হুবলি: গোটা রঞ্জি মরশুমে 'জায়ান্ট কিলার' হিসাবে সুখ্যাতি অর্জন করেছে জম্মু ও কাশ্মীরের দল। মুম্বই, দিল্লি, বাংলা সকলকে তাদের ঘরের মাঠে পরাজিত করেছে পরস ডোগরার দল। তবে এবার শুধু জায়ান্ট কিলার নয়, কর্ণাটককে তাদের ঘরের মাঠে পরাজিত করলে জম্মু ও কাশ্মীরের নামের পাশে লাগবে রঞ্জি ট্রফি (Ranji Trophy 2025-26) চ্যাম্পিয়নের তকমা। সেই স্বপ্ন বাস্তব করে ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে শুরুটা কিন্তু খুবই ভালভাবে করল ডোগরার দল। সৌজন্যে শুভম পুন্দিরের (Shubham Pundir) অপরাজিত সেঞ্চুরি এবং ইয়াওয়ের হাসান ও আব্দুল সামাদের (Abdul Samad) অর্ধশতরান।
হুবলির পিচ যত সময় গড়াবে, ততই তাতে ফাটল ধরবে। সেই কথা মাথায় রেখে স্বাভাবিকভাবেই এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন জম্মু ও কাশ্মীর অধিনায়ক ডোগরা। শুরুটা অবশ্য প্রথমবারের ফাইনালিস্টদের জন্য ভাল হয়নি। জম্মু ও কাশ্মীর ওপেনার কামরান ইকবাল কর্ণাটকের তারকা ফাস্ট বোলার প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা দিয়ে স্লিপে কেএল রাহুলের হাতে ধরা দেন। মাত্র ১৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় জম্মু ও কাশ্মীর। কামরানের সংগ্রহ ছিল ছয়। তবে এর পর দ্বিতীয় উইকেট পেতে কর্ণাটককে বেশ অপেক্ষা করতে হয়। হাসান ও পুন্দির দ্বিতীয় উইকেটে দারুণ এক পার্টনারশিপ গড়েন।
হাসান ও পুন্দির, দুইজনে দুরন্ত গতিতে রান করতে পারেননি। অভিজ্ঞ কর্ণাটকের বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকবার তাঁদের ব্যাটের কাণায় লেগে বল উইকেটের পিছনে যায়। তবে দৃঢ় মানসিকতার পরিচয় দিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের দুই ব্যাটার উইকেট দেননি। প্রথম সেশনে আর কোনও উইকেটই পরেনি। ১০৪ রান বোর্ডে তোলে জম্মু ও কাশ্মীর। হাসান ৫৭ ও পুন্দির ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন। হাসান এই ম্য়াচের আগে নয় ম্য়াচে অর্ধশতরানের গণ্ডিও পার করতে পারেননি। তবে বড় ম্যাচে তিনি শতরানের পথে অগ্রসর ছিলেন। ঠিক এই সময়ই প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ফের একবার জম্মু ও কাশ্মীরকে ধাক্কা দেন। হাসানকে ৮৮ রানে ফিরতে হয়। তাঁর প্রথম শতরান হাতছাড়া হয়।
এরপর অভিজ্ঞ ডোগরা ব্যাটে নামান। বাংলার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে তিনি ১০ হাজার রানের গণ্ডি পার করেছিলেন। জম্মু ও কাশ্মীর অধিনায়ক অবশ্য বড় রানের পথে এগানোর আগেই এক বাউন্সার দ্বারা আহত হয়ে নয় রানে রিটায়ার্ড হার্ট হন। এরপর আব্দুল সামাদ ক্রিজে নামেন। তিনি পুন্দিরের সঙ্গে মিলে আরও এক শতরানের পার্টনারশিপ গড়েন। পুন্দির দুরন্ত সেঞ্চুরি পূরণ করেন। তিনি ১১৭ রানে অপরাজিত থেকেই দিনশেষ করেন।
দিনের শেষলগ্নে আব্দুল সামাদও হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে ফেলেন। তাঁর সংগ্রহ ৫২। শেষ সেশনে জম্মু ও কাশ্মীর কোনও উইকেটই হারায়নি। তারা দুই উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রানে দিনশেষ করে। প্রথম দিনের খেলা শেষে কিন্তু ম্যাচের রাশ আপাতত জম্মু ও কাশ্মীরেরই হাতে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।




















