Bangladesh vs Pakistan: 'এবার কি আইসিসি ট্রফি চুরি করে নিয়ে আসবে?’ বাংলাদেশের কাছে হারের পরেই শাহিনদের আক্রমণ আকমলের
Pakistan Cricket: ১১ বছর পর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজ়ে পরাজিত হয় পাকিস্তান দল।

ঢাকা: সাম্প্রতিক সময়টা পাকিস্তান পুরুষ ক্রিকেট দলের জন্য খুব একটা ভাল কাটছে না। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে পৌঁছতে ব্যর্থ হয়েছেন সলমন আলি আঘারা। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার সপ্তাহখানেকের মধ্যেই ফের ধাক্কা। এবার এক দশকেরও বেশি সময় পরে বাংলাদেশের কাছে (Bangladesh vs Pakistan) ওয়ান ডে সিরিজ়ে হারতে হল পাকিস্তানকে।
তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ়ের প্রথম দুই ম্যাচ যথাক্রমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান জিতেছিল। তাই সপ্তাহান্তে সিরিজ় নির্ণায়ক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল তাঁরা। সেই ম্যাচে ১১ রানে পাকিস্তান পরাজিত হয়ে সিরিজ় খোয়ায়। দলের এহেন পারফরম্যান্সের পরেই বিস্ফোরক পাকিস্তান দলেরই প্রাক্তনী কামরান আকমল (Kamran Akmal)। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজ় হারার পরেই আকমল ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ’যদি অপর দলগুলিকে ম্যাচে হারাতেই না পার, তাহলে এবার কি আইসিসি ট্রফি চুরি করবে এবং সেটাকে দেশে নিয়ে আসবে?’
কামরান আকমল কোন প্রসঙ্গ টেনে এহেন মন্তব্য করেছেন, সেটা কারুরই বুঝতে খুব একটা অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। গত বছর ফাইনালসহ নাগাড়ে তিন ম্য়াচে ভারতের বিরুদ্ধে এশিয়া কাপে পরাজিত হয় পাকিস্তান। কিন্তু ভারতীয় দল এশিয়া কাপ জেতার পরেও সূর্যকুমার যাদবদের ট্রফি দেওয়া হয়নি। তাঁরা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড তথা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান মহসিন নকভির হাত থেকে ট্রফি নিতে অস্বীকার করেন। তবে নকভিও নাছোড়বান্দা, তাঁর দাবি ভারতীয় দলকে ট্রফি নিতে হলে তাঁর হাত থেকেই নিতে হবে।
ভারত তা অস্বীকার করায় প্রথমে সেই এশিয়া কাপ ট্রফি আইসিসির প্রধান কার্যলয় এবং নকভির বাছাই করা গোপন আস্তানা ঘুরে পাকিস্তানে ফিরেছে বলে খবরে দাবি করা হয়। সেই ‘ট্রফি চুরি‘-র প্রসঙ্গ টেনেই সম্ভবত আকমল খোঁচা দেন।
ম্যাচের বিষয়ে আসলে এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে তাঁরা ২৯০ রান তোলে বোর্ডে। দলের হয়ে তরুণ ব্যাটসম্যান তানজিদ হাসান ১০৭ বলে ১০৭ রান করেন। এছাড়াও, তৌহিদ হৃদয় অপরাজিত ৪৮ রানের একটি কার্যকরী ইনিংস খেলেন। নাজমুল হোসেন শান্ত ২৭ এবং লিটন দাস ৪১ রান করে দলের স্কোরকে ভাল জায়গায় নিয়ে যান। পাকিস্তানের হয়ে ফাস্টবোলার হ্যারিস রউফ সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন। তিনি ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের রান ওঠার গতিতে কিছুটা রাশ টানেন।
জবাবে সলমন আলি আঘা কেরিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দলকে লড়াইয়ে ফেরান। তিনি ৯৮ বলে ১০৬ রান করেন। তবে তা জয়ে জন্য যথেষ্ট ছিল না। বাংলাদেশের জয়ে ফাস্টবোলার তাসকিন আহমেদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। তিনি ৪ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের আশা ভেঙে দেন। এছাড়াও, মুস্তাফিজুর রহমান ৩ উইকেট এবং নাহিদ রানা ২ উইকেট নিয়ে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।



















