T20 World Cup 2026: বিশ্বকাপ শুরর আগেই বড় ধাক্কা, ছিটকে গেলেন কামিন্স, জোড়া বদল ঘটানো অজ়ি দলে ডাক পেলেন স্মিথ?
Australian Cricket Team: চলতি মাসেই প্যাট কামিন্সের চোটের স্ক্যান করা হয়। সেই স্ক্যানের রিপোর্ট ইতিবাচক হলেও, তাঁর চোট সারিয়ে তুলতে আরও বেশি সময় লাগবে বলেই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তরফে জানানো হয়েছে।

মেলবোর্ন: চোট আঘাতে বেশ কিছুদিন ধরেই ভুগছেন তিনি। অ্যাশেজে মাত্র একটি টেস্ট ম্যাচই খেলেছিলেন প্যাট কামিন্স (Pat Cummins)। তবে তা সত্ত্বেও বিশ্বজয়ী তারকা ক্রিকেটারকে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) প্রাথমিক স্কোয়াডে রাখা হয়েছিল। তবে শেষমেশ চোটের কারণে মেগা টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকেই গেলেন কামিন্স।
মাঝ ডিসেম্বরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অ্যাডিলেডে নিজের শেষ ম্যাচ খেলেছিলেন কামিন্স। তাঁর পিঠের চোট থাকলেও মনে করা হচ্ছিল টুর্নামেন্টের একেবারে প্রথম কয়েকটি ম্যাচ না খেললেও তিনি পরের দিকে ম্যাচ খেলতে পারবেন। চলতি মাসেই কামিন্সের চোটের স্ক্যান করা হয়। সেই স্ক্যানের রিপোর্ট ইতিবাচক হলেও, তাঁর চোট সারিয়ে তুলতে আরও বেশি সময় লাগবে বলেই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তরফে জানানো হয়েছে। তারকা ক্রিকেটারের বদলে অজ়ি দলে (Australian Cricket Team) বেন ডরশিসকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক দল থেকে আরও এক ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে। খারাপ ফর্মের মধ্যে দিয়ে যাওয়া ম্যাট শর্টকে বাদ দিয়েছে অজ়িরা। অনেকেই মনে করছিলেন প্রাথমিক দলে না থাকলেও বিগ ব্যাশ লিগে অনবদ্য ব্যাটিং করা স্টিভ স্মিথকে হয়তো শেষবেলায় অস্ট্রেলিয়ান বিশ্বকাপ দলে ডেকে নেওয়া হবে। শর্ট বাদ গেলেও স্মিথ অবশ্য সুযোগ পেলেন না। ম্যাট রেনশঁকে শর্টের বদলি হিসাবে দলে ডেকে নেওয়া হয়েছে।
শর্ট হালে একেবারেই ফর্মে নেই। উপরন্তু, দলে মাঝের ওভারে স্পিন খেলতে দক্ষ একজন বাঁ-হাতি ব্যাটারের প্রয়োজন ছিল। সেইদিকে লক্ষ্য করেই রেনশঁকে দলে নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য বিষয় হল তিনি গতকালই নিজের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি অভিষেক ঘটান। তবে দীর্ঘদিন বিগ ব্যাশে ভাল পারফরম্যান্স তো আছেই, পাশাপাশি ভারতের বিরুদ্ধে গত বছর ওয়ান ডেতেও দক্ষতার সঙ্গে স্পিন বোলিং সামলান রেনশঁ। মূলত এইসব দিকে লক্ষ্য করেই তাঁকে দলে ডেকে নেওয়া হয়েছে।
তবে কামিন্স চোটের জেরে বাদ পড়লেও, অজ়িদের জন্য ইতিবাচক খবরও রয়েছে। আরও দুই তারকা অজ়ি বোলার ন্যাথান এলিস এবং জশ হ্যাজেলউডেরও চোট ছিল। হ্যাজেলউডকে অ্যাশেজে খেলতে দেখা যায়নি। তবে দুই তারকা বোলারই ফিটনেস টেস্ট পাশ করে ফেলেছেন। পাশাপাশি ফিটনেস টেস্ট পাশ করেছেন টিম ডেভিডও। পেশির চোটে বিগ ব্যাশ থেকে ছিটকে যাওয়ায় বিশ্বকাপে তাঁর অংশগ্রহণ নিয়ে প্রবল প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছিল। তবে তিনি ফিট হয়ে গিয়ে দলের শক্তি বাড়ালেন।



















