Ranji Trophy 2025-26: ময়ঙ্ক আগরওয়ালের লড়াকু শতরান সত্ত্বেও নবির অনবদ্য স্পেলে রঞ্জির ফাইনালে এগিয়ে জম্মু ও কাশ্মীর
Ranji Trophy final: রঞ্জির ফাইনালে তিন দিনের খেলাশেষে আপাতত কর্ণাটকের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৩৬৪ রানে এগিয়ে রয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর।

হুব্বালি: গোটা মরশুম জুড়েই তিনি বল হাতে অনবদ্য পারফর্ম করেছেন। জম্মু ও কাশ্মীরের স্বপ্নের রঞ্জি ট্রফি সফরে আকিব নবির (Auqib Nabi) ভূমিকা অপরিহার্য। রঞ্জির ফাইনালেও (Ranji Trophy final) বল হাতে ফের একবার আগুন ঝরালেন নবি। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে ভর করে ইতিহাস গড়ার স্বপ্নে মশগুল জম্মু ও কাশ্মীর। তিন দিনের খেলা শেষে কর্ণাটকের বিরুদ্ধে কিন্তু ম্যাচের রাশ নবিদেরই হাতে। তারা আপাতত প্রথম ইনিংসে ৩৬৪ রানে এগিয়ে রয়েছে। অবশ্য জম্মু ও কাশ্মীরের পথের কাঁটা হয়ে উঠতে পারেন ময়ঙ্ক আগরওয়াল (Mayank Agarwal)। দলের হয়ে দারুণ লড়াই করছেন তিনি।
ম্যাচের তৃতীয় দিনটা জম্মু ও কাশ্মীরের হয়ে আবিদ মুশতাক এবং সাহিল লোথরা শুরু করেছিলেন। দলের স্কোর ছিল ছয় উইকেটে ৫২৭ রান। দুই ব্যাটারই বেশ সেট ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে জম্মু ও কাশ্মীরের সমর্থকরা করছিলেন দল ছয়শো রানের অধিক স্কোর করবে। তেমন হতে দেননি প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। হতাশাজনক কর্ণাটক বোলিংয়ে প্রসিদ্ধই ছিলেন আশার আলো। তিনিই তৃতীয় দিনের শুরুর দিকেই আবিদ এবং আকিব নবিকে সাজঘরে ফেরান। ইনিংসে পাঁচ উইকেটও পূরণ করে ফেলেন। তখনও অবশ্য় অপরপ্রান্তে অর্ধশতরান হাঁকিয়ে সাহিল ক্রিজে ছিলেন।
সাহিলকে সঙ্গ দেন যুধবীর। তিনি দশ নম্বরে নেমে ব্যাট ঘোরান আর তাতেই ৫৫০ রানের গণ্ডি পার করে ফেলে জম্মু ও কাশ্মীর। সাহিল শেষমেশ ৭২ রানে বিজয়কুমার বিশাখের বলে আউট হন। যুধবীর ৩০ রানে রান আউট হলে ৫৮৪ রানে জম্মু ও কাশ্মীরের ইনিংস শেষ হয়। সেমিফাইনালে রানের পাহাড় গড়েছিল কর্ণাটক। কেএল রাহুল, ময়ঙ্ক আগরওয়াল, দেবদত্ত পাড়িক্কালকে নিয়ে তৈরি কর্ণাটক টপ অর্ডারের থেকে এই ম্যাচেও দুরন্ত কিছুর আশা করা হচ্ছিল। তবে তেমনটা হয়নি।
অনবদ্য বলে কেএল রাহুলকে মাত্র ১৩ রানে সাজঘরে ফেরত পাঠান নবি। ময়ঙ্ক ও দেবদত্ত পার্টনারশিপ গড়ে দলের স্কোর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। দেবদত্ত দুইটি বাউন্ডারি মেরে শুরুটাও ভাল করেছিলেন। তবে ম্যাচের মোড় ১২ বলের ব্যবধানে সম্পূর্ণ ঘুরে যায়। কর্ণাটক অধিনায়ক পাড়িক্কালকে ১১ রানে সাজঘরে ফেরান সুনীল কুমার। পরের ওভারে পর পর দুই বলে করুণ নায়ার ও আর সমরণকে খাতা খোলার আগেই আউট করেন নবি। ৫৭ রানে চার উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল কর্ণাটক।
এমন পরিস্থিতিতে দলের দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার ময়ঙ্ক এবং শ্রেয়স গোপাল দলের হাল ধরেন। দুইজনে মিলে ১০৫ রান যোগ করেন। তবে শতরানের পার্টনারশিপ গড়ার পরেই ২৭ রানে গোপালকে ফেরান যুধবীর। অপরদিকে অবশ্য ময়ঙ্ক টিকে ছিলেন। দেখতেই দেখতে ১৭৬ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ফেলেন দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। ষষ্ঠ উইকেটে ময়ঙ্ককে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছেন ক্রুতিক কৃষ্ণ। তিনি ২৭ রানে অপরাজিত রয়েছেন। ময়ঙ্কের সংগ্রহ ১৩০। দিনের শেষবেলা পর্যন্ত যাতে আর কোনও উইকেট না পড়ে, তা দুইজনে নিশ্চিত করেন। দিনশেষে কর্ণাটকের স্কোর পাঁচ উইকেটে ২২০ রান।




















