Ranji Trophy: কল্যাণীতে জমজমাট ম্যাচ, নবির ৫ শিকারের পর সামাদ-ডোগরার লড়াই, বাংলা এখনও ১৩০ রানে এগিয়ে
BCCI: ম্যাচের দ্বিতীয় দিন আগের দিনের স্কোরের সঙ্গে আর ৭৯ রান যোগ করে শেষ হয় বাংলার ইনিংস। ১৪৬ রান করেন ঘরামি।

কল্যাণী: কখনও চাপের মুখে সুদীপ কুমার ঘরামির সেঞ্চুরি। কখনও ঘরোয়া ক্রিকেটে সাড়া ফেলে দেওয়া আকিব নবির বল হাতে প্রত্যাঘাত। মহম্মদ শামির শুরুর দাপট, তো শেষ লগ্নে আব্দুল সামাদের মারকাটারি ব্যাটিং। নো বলে এলবিডব্লিউ হয়ে রক্ষা, সহজ ক্যাচ ফেলা - রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে জমজমাট লড়াই চলছে কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে। বাংলার ৩২৮ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে জম্মু ও কাশ্মীরের স্কোর ১৯৮/৫। বাংলার চেয়ে এখনও ১৩০ রানে পিছিয়ে। বাকি তিনদিনও রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের ইঙ্গিত।
সোমবার খেলা শুরু হয়েছিল বাংলার প্রথম ইনিংসের ২৪৯/৫ স্কোরে। ১৩৬ রানে অপরাজিত ছিলেন ঘরামি। ম্যাচের দ্বিতীয় দিন আগের দিনের স্কোরের সঙ্গে আর ৭৯ রান যোগ করে শেষ হয় বাংলার ইনিংস। ১৪৬ রান করেন ঘরামি। জম্মু ও কাশ্মীরের পেসার আকিব নবি ৮৭ রানে ৫ উইকেট নেন। বাংলার ব্যাটিংয়ের লোয়ার মিডল অর্ডার দাগ কাটতে পারেনি। একমাত্র সুমন্ত গুপ্ত ৩৬ বলে ৩৯ রান করেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে যায় জম্মু ও কাশ্মীর। মাত্র ১৩ রানে ৩ উইকেট চলে যায় তাদের। দুই ওপেনার শুভম খাজুরিয়া ও ইয়াবের হাসানকে ফেরান শামি। শুভম পুণ্ডিরকে ফেরান মুকেশ কুমার। যদিও সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের ক্যাচ পরিচ্ছন্ন ছিল কি না, প্রশ্ন রয়েছে।
এরপরই পাল্টা লড়াই জম্মু ও কাশ্মীরের। ১৩/৩ হয়ে যাওয়ার পর চতুর্থ উইকেটে ১৪৩ রানের পার্টনারশিপ গড়েন আব্দুল সামাদ ও পারশ ডোগরা। ৩৪ রানের মাথায় একবার জীবন পান সামাদ। মুকেশের বলে তাঁর ক্যাচ ফেলেন উইকেটকিপার শাকির হাবিব গাঁধী। ব্যাট হাতে চেষ্টা করলেও কিপিংয়ে এখনও দলের আস্থা অর্জন করতে পারেননি গাঁধী। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৮৫ বলে ৮২ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলেন সামাদ। এক ডজন চার মারেন।
বাংলার বোলারদের চাপে ফেলে দিয়েছিল সামাদ-ডোগরা জুটি। ত্রাতার ভূমিকায় ফের শামি। তিনি তুলে নেন সামাদের উইকেট। তার তিন বলের মাথায় ডোগরাকে (৫৮ রান) ফেরান মুকেশ। তবে ষষ্ঠ উইকেট পার্টনারশিপে ৪২ রান যোগ করে ফেলেছেন আবিদ মুস্তাক ও কানহাইয়া ওয়াধাওয়ান।
দিনের খেলার শেষে বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্ল বলেছেন, 'ম্যাচ এখনও সমান সমান জায়গায়। যে কোনও দলই জিততে পারে। কাল খুব গুরুত্বপূর্ণ দিন। ওদের দ্রুত অল আউট করতে হবে।'




















