Ranji Trophy: নবিকে নিয়ে বিশেষ ভাবনা নেই, জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে রঞ্জি সেমিফাইনালে কারা খেলছেন বাংলা দলে?
Bengal vs Jammu & Kashmir: ক্রিকেটীয় টক্করের প্রাবল্যের নিরিখে কলকাতার চেয়ে কোনও অংশে পিছিয়ে নেই কল্যাণী। কারণ, বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির মাঠেই রবিবার থেকে রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে পরীক্ষা বাংলার।

সন্দীপ সরকার, কল্যাণী: ইডেন গার্ডেন্সে উৎসবের আবহ। টি-২০ বিশ্বকাপের তৃতীয় ম্যাচ ছিল শনিবার। ইংল্যান্ড-স্কটল্যান্ড ম্যাচ দেখতে হাজির হয়েছিলেন প্রায় ৪০ হাজার মানুষ।
সেদিনই শহর থেকে ৫৬ কিলোমিটার দূরে কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে গিয়ে দেখা গেল অদ্ভুত নিস্তব্ধতা। শুধু ব্যাট-বলের সংঘাতের শব্দ কানে আসছে। আর ভেসে আসছিল মাঠের অনতিদূরে পাকা রাস্তা খুঁড়ে পাইপ বসানোর যান্ত্রিক শব্দ।
ছবি আলাদা। তবে ক্রিকেটীয় টক্করের প্রাবল্যের নিরিখে কলকাতার চেয়ে কোনও অংশে পিছিয়ে নেই কল্যাণী। কারণ, বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির মাঠেই রবিবার থেকে রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে পরীক্ষা বাংলার। প্রতিপক্ষ, জম্মু ও কাশ্মীর। যারা বিশেষজ্ঞদেরও চমকে দিয়ে প্রথমবার রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে উঠেছে। দুরন্ত ছন্দে পেসার আকিব নবি। দুদিকে বল স্যুইং করানোর ক্ষমতা আরও ভয়ঙ্কর করে তুলেছে ডানহাতি পেসারকে।
শেষ চারের ম্যাচে মাঠে নামার আগে নবিকে নিয়ে বিশেষ কাটাছেঁড়া চলল বাংলা শিবিরে। কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্ল অবশ্য স্বভাবসিদ্ধ ঢঙে চিন্তার কথা উড়িয়ে দিলেন। বাংলার প্র্যাক্টিস তখনও চলছে। তারই ফাঁকে লক্ষ্মীরতন বলছিলেন, 'আমি কোনওদিনই কোনও একজন প্রতিপক্ষকে নিয়ে ভাবি না। আকিব নবিকে নিয়েও আলাদা পরিকল্পনা নেই। দল হিসাবে আমাদের ভাল ক্রিকেট খেলতে হবে।' জম্মু ও কাশ্মীরকে দুর্বল বলতেও রাজি নন লক্ষ্মীরতন। বলছিলেন, 'রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে উঠেছে, সেই দলকে দুর্বল বলি কী করে! ভাল খেলেই উঠেছে। আমাদের সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে ওদের হারাতে হলে।'
কল্যাণীর পিচ বরাবরই জোরে বোলারদের সাহায্য করে। তবে জম্মু ও কাশ্মীরের অস্ত্রও যেখানে পেস, সেখানে কতটা সবুজ পিচে খেলতে চাইবে বাংলা, সংশয় থাকছে। সে যতই হাতে মহম্মদ শামি, আকাশ দীপ, মুকেশ কুমার ও সূরয সিন্ধু জয়সওয়ালের মতো চার পেসার থাকুক না কেন।
শনিবার পর্যন্ত অবশ্য উইকেটে সবুজ আভা। বাংলা দলে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। অন্ধ্র প্রদেশের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল যে দল, সেই একাদশই খেলবে জম্মু ও কাশ্মীরের বিরুদ্ধে। ইনিংস ওপেন করবেন অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও সুদীপ চট্টোপাধ্যায়। তারপর থাকছেন গত ম্যাচে ২৯৯ রান করা সুদীপ ঘরামি, অনুষ্টুপ মজুমদার, সুমন্ত গুপ্ত, শাকির হাবিব গাঁধী। স্পিনার অলরাউন্ডার হিসাবে শাহবাজ আমেদ। সঙ্গে চার পেসার। যার মধ্যে সূরযের ব্যাটের হাতও ভাল।
লক্ষ্মীরতন বললেন, 'নক আউট ম্যাচে দক্ষতার পাশাপাশি মানসিক দৃঢ়তারও লড়াই। সব সেশন ভাল খেলতে হবে। ছেলেদের সেটাই বলেছি।' তিন বছর পর রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনাল খেলছে বাংলা। পয়মন্ত কল্যাণী থেকে ফাইনালের টিকিট কনফার্ম করাই পাখির চোখ বাংলা শিবিরের।




















