Ranji Trophy: সেমিফাইনালে সেঞ্চুরি করে বাংলাকে স্বস্তি দিলেন ঘরামি, জোড়া শতরানে দারুণ জায়গায় কর্নাটক
Ranji Semifinal: কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির মাঠ যে তাঁর কাছে হাতের তালুর মতো চেনা হয়ে গিয়েছে, সেমিফাইনালেও তা দেখিয়ে দিলেন সুদীপ কুমার ঘরামি। সেঞ্চুরি করে বাংলাকে টানলেন।

কল্য়াণী: রঞ্জি ট্রফির শুরুর দিকে রান পাচ্ছিলেন না। তবে হরিয়ানা ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংস থেকে ছন্দে ফেরেন। কোয়ার্টার ফাইনালে অন্ধ্র প্রদেশের বিরুদ্ধে ২৯৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির মাঠ যে তাঁর কাছে হাতের তালুর মতো চেনা হয়ে গিয়েছে, সেমিফাইনালেও তা দেখিয়ে দিলেন সুদীপ কুমার ঘরামি। সেঞ্চুরি করে বাংলাকে টানলেন।
কল্যাণীর ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নেন জম্মু ও কাশ্মীরের অধিনায়ক পারশ ডোগরা। সকালের পিচে আকিব নবি সমৃদ্ধ জম্মু ও কাশ্মীরের পেস বোলিং আক্রমণ বাংলাকে সমস্যায় ফেলতে পারে, মনে করা হচ্ছিল। শুরুতেই সুনীল কুমার তুলে নেন সুদীপ চট্টোপাধ্যায়কে (০)।
এরপরই পাল্টা লড়াই সুদীপ ও অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণের। দ্বিতীয় উইকেটে ৮৫ রান যোগ করেন দুজনে। নৈহাটির তরুণ শুরুতেই একবার আউট হয়েছিলেন। এলবিডব্লিউ হয়েছিলেন। তবে ডিআরএস নিয়ে প্রাণরক্ষা হয় তাঁর। তৃতীয় আম্পায়ার রিপ্লে দেখে নট আউট ঘোষণা করেন তাঁকে। তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে।
রঞ্জি সেমিফাইনালে জম্মু ও কাশ্মীরের বিরুদ্ধে প্রথম দিনের শেষে বাংলার ওপেনার সুদীপ কুমার ঘরামি অপরাজিত ১৩৬ রানে। ২২৭ বলের ইনিংসে রয়েছে ১৯টি চার ও একটি ছয়। মাত্র এক রানের জন্য হাফসেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন অভিমন্যু। ৪৯ রান করে আকিব নবির বলে বোল্ড হন তিনি।
প্রথম দিনের শেষে বাংলার স্কোর ৭৯.৫ ওভারে ৫ উইকেটে ২৪৯ রান। দিনের শেষ ওভারের পঞ্চম বলে লেগ বিফোর হন শাহবাজ আমেদ। ডিআরএস নিয়েও রক্ষা পাননি তিনি। শাহবাজ করেন ৯১ বলে ৪২ রান। তিনি ও সুদীপ কুমার ঘরামি মিলে পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৯৪ রান যোগ করেন।
বাংলার প্রথম উইকেট পড়েছিল ৪ রানের মাথায়। সুদীপ চট্টোপাধ্যায় সাজঘরে ফেরেন শূন্য রানে। এরপর অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও সুদীপ কুমার ঘরামি ৮৫ রানের পার্টনারশিপ গড়ে পরিস্থিতি সামলান। চারে নামানো হয়েছিল সূরয সিন্ধু জয়সওয়ালকে। তবে তিনি ব্যর্থ ব্যাট হাতে। নবির বলে কোনও রান না করে আউট হন। অনুষ্টুপ মজুমদার আউট হন ১৪ রানে। আকিব নবি ও সুনীল কুমার দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্ল দিনের খেলার শেষে বললেন, 'ভাল ব্যাটিং করেছে সুদীপ। তবে শেষ বলে শাহবাজের উইকেটটা না পড়লে আরও ভাল জায়গায় থাকতাম। কাল সারাদিন ব্যাট করাই লক্ষ্য আমাদের।'
রঞ্জি ট্রফির অন্য সেমিফাইনালে দারুণ জায়গায় কর্নাটক। উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দিনের শেষে কর্নাটকের স্কোর ৩৫৫/২। ১৪১ রান করেছেন কে এল রাহুল। দেবদত্ত পাড়িক্কল ১৪৮ রানে অপরাজিত। করুণ নায়ার ৩৭ রানে ক্রিজে।




















