Ranji Trophy 2025-26: সুদীপের ২৯৯ রানে ভর করে অন্ধ্রপ্রদেশকে ইনিংসে হারিয়ে রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে বাংলা
Sudip Kumar Gharami: ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে বলের নিরিখে ষষ্ঠ দীর্ঘতম ইনিংসে ২৯৯ রান করেছিলেন সুদীপ কুমার ঘরামি। তাঁকে অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় ঘোষণা করা হয়।

কল্যাণী: দেওয়াল লিখনটা মোটামুটি চতুর্থদিনই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। আজ দুই সেশনে সেটা বাস্তবেও পরিণত হল। রঞ্জি ট্রফির (Ranji Trophy 2025-26) সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল বাংলা। অন্ধ্রপ্রদেশকে (Bengal vs Andhra Pradesh) ইনিংস এবং ৯০ রানে দুরমুশ করে লাল বলের প্রিমিয়ার টুর্নামেন্টের শেষ চারে পৌঁছল অভিমন্যু ঈশ্বরণের নেতৃত্বাধীন দল। ম্যাচের নায়ক নিঃসন্দেহেই সুদীপ কুমার ঘরামি (Sudip Kumar Gharami)। তাঁর ৫৯৬ বলে ২৯৯ রানের ম্যারাথন ইনিংসের ফলে তাঁকেই ম্যাচের সেরাও ঘোষণা করা হয়।
গতকাল ৩৩৪ রানে এগিয়ে বাংলার ইনিংস শেষ হয়েছিল। জবাবে ব্যাটে নেমে শেষবেলায় দুই উইকেট হারিয়ে একেবারে ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিল অন্ধ্র। আজ শেষদিনে অন্ধ্রর দুই সবথেকে বড় ভরসা, অধিনায়ক রিকি ভুঁই এবং নীতীশ কুমার রেড্ডি দলের হয়ে ব্যাট হাতে মাঠে নামেন। চতুর্থ উইকেটে দুই ব্যাটার বেশ লড়াই করছিলেন। তবে তারপরেই ধস নামান শাহবাজ আমেদ। রিকি ভুঁইকে ৩০ রান ও সৌরভ কুমারকে এক রানে ফেরান তিনি। মাঝে শশীকান্তকে খাতা খোলার আগেই আউট করেছিলেন সুরজ সিন্ধু জয়সওয়াল। চার রানে তিন উইকেট হারায় অন্ধ্র।
এমন পরিস্থিতিতে অপরপ্রান্তে থাকা নীতীশ রেড্ডিকে সঙ্গ দেন নরসিংহ রাজু। দুইজনে অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ গড়েন। ভারতীয় তারকা অলরাউন্ডার নীতীশ নিজেও অর্ধশতরান পূরণ করেন। এই পরিস্থিতিতে পার্টনারশিপ ব্রেকার হিসাবে উঠে আসেন কোনও তারকা বোলার নয়, বরং পার্ট টাইম স্পিনার অনুষ্টুপ মজুমদার। তিনিই নরসিংহকে ২৫ রানে ফেরান। তবে এরপরেও অন্ধ্র কিন্তু হার মানার মুডে ছিল না। চলে লড়াই। একটা সময় নীতীশ রেড্ডি এবং তাঁকে সঙ্গ দিতে আসা টি বিজয় অত্যন্ত সহজে রান তুলছিলেন। বাংলার বোলারদের বেশ নিষ্ক্রিয়ই দেখাচ্ছিল।
শতরানের পথে এগোচ্ছিলেন নীতীশ। তবে হঠাৎই সাফল্য। রান নেওয়ার জন্য বল ফাঁকায় ঠেলতে যান নীতীশ। তবে বল একেবারে শাহবাজের হাতে জমা দেয়। ৯০ রানে আউট হন তিনি। বিজয় শেষে ব্যাট চালান কিন্তু তাঁকেও শেষমেশ পার্ট টাইমের সুমন্ত গুপ্তের বলে ৪৬ রানে আউট হন। বিজয় আউট হতেই অন্ধ্রর ইনিংসের যবনিকা পতন ঘটে। পেশির চোটের ফলে শ্রীকর ভরত ব্যাটে নামেনইনি। ২৪৪ রানে অল আউট হয় অন্ধ্রপ্রদেশ।
এবার অপেক্ষা সেমিফাইনালের। সপ্তাহান্তে, ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের বিরুদ্ধে নামবে বাংলা। ম্যাচটি বাংলারই ঘরের মাঠ, বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে, কল্যাণীতে আয়োজিত হবে।




















