T20 World Cup 2026: কেন বাদ দেওয়া হয়েছিল? সেমিফাইনালে উঠে সঞ্জুকে নিয়ে কৌশলের কথা গম্ভীরের মুখে
Sanju Samson: সেমিফাইনালে ওঠার পর স্যামসনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ গৌতম গম্ভীর।

সন্দীপ সরকার, কলকাতা: আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে এক বছরে জোড়া সেঞ্চুরি। তারপরেও ভারতের একাদশ থেকে বাদ পড়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন। রিঙ্কু সিংহের বাবার অসুস্থতার পর ফের একাদশে ফেরেন স্যামসন। আর ফিরেই ভারতকে ম্যাচ জেতাচ্ছেন।
সেমিফাইনালে ওঠার পর স্যামসনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ গৌতম গম্ভীর। বললেন, ‘আমরা সবাই জানি সঞ্জু বিশ্বমানের ব্যাটার। দলের প্রয়োজনে ওকে সমর্থন করাটাই জরুরি ছিল। আজ প্রয়োজন ছিল আর ও নিজের দক্ষতা দেখিয়েছে। বাকি দুই ম্যাচেও আশা করি ও সাফল্য পাবে।’
যোগ করেছেন, ‘সঞ্জু মাঝে মধ্যে দুশোর বেশি স্ট্রাইক রেট রেখে ব্যাটিং করেছে। ম্যাচ শেষ করে দিয়েছে। আমার তো মনে হয়েছে ও ইনিংসের গতি আলাদা করে কখনওই বাড়ায়নি। সব ক্রিকেটীয় শট খেলেছে। ও পেশিশক্তির জোরে বল বাউন্ডারিতে পাঠায়নি। এতই প্রতিভা রয়েছে ওর। এটা হয় ভাল অনুভূতি থাকলে। নেটে ও দারুণ ব্যাটিং করেছে। প্রত্যেক বল ব্যাটের মাঝখান দিয়ে খেলেছে। ও জানত উইকেট ভাল ছিল। মাঠও দারুণ। আমি সব সময় বলে এসেছি ও বিশ্বমানের ক্রিকেটার। আশা করছি সঞ্জুর কাছে এরকম ইনিংস আরও দেখতে পারব। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল নেটে ভাল ব্যাটিং করা। পায়ের নড়াচড়া ভাল হচ্ছিল। জ়িম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে আগের ম্য়াচটাও ওর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মানুষ হয়তো ওর স্কোর দেখবে শুধু, তবে দলে ফিরে ওইরকম ২৩-২৪ রানের ইনিংস খেলা ওকে অনেকটা আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিল। কারণ নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজটা ওর ভাল কাটেনি। যদিও আমরা জানি ও কী পারে। আমাদের হাতে সঞ্জু ও ঈশান দুজন রয়েছে যারা উইকেটে থেকে ভাল ব্যাটিং করে। দলে না থাকলেও আমি সকলের সঙ্গে কথা বলি। নিউজ়িল্যান্ড সিরিজ ওর ভাল কাটেনি। এরকম পরিস্থিতিতে মাঝে মধ্যে বিরতি দিলে ভাল হয়। তাতে চাপ কাটে। আমরা জানতাম বিশ্বকাপে ওকে সুযোগ দিলেই ভাল খেলবে। জ়িম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে সেটাই করে দেখিয়েছে। প্রথম তিন ওভারে যেরকম শুরু চেয়েছিলাম, সেটাই পেয়েছিল ও। ঠিক যেরকম ব্যাটিং জ়িম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে করেছিল, সেখান থেকেই শুরু করেছে ইডেনে।’
গম্ভীর আরও বলেন, ‘এই ধরনের ম্যাচে আমাদের শুরুটা ভাল হওয়া দরকার ছিল। অর্শদীপ নতুন বলে খুব ভাল শুরু করেছিল। প্রথম তিন ওভার বোলাররা যেরকম বল করেছে সেটা সত্যিই ভাল। তারপর তো অক্ষর পাওয়ার প্লে-তে ২ ওভার দারুণ বোলিং করে। এই মাঠে, এই পিচে পাওয়ার প্লে-তে ২ ওভার বল করা সহজ নয়। অক্ষরের কৃতিত্ব সেখানেই। পাওয়ার প্লে আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল, যেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পাওয়ার প্লে-র লাগাম হাত থেকে বেরিয়ে গেলে আর ম্যাচে ফেরা যায় না। আমি ভেবেছিলাম পাওয়ার প্লে হাতে থাকলে ম্যাচও আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’




















