T20 World Cup 2026: টি-২০ বিশ্বকাপে কোনও মতে হার বাঁচাল পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে নাটকীয় ম্যাচ
Pakistan vs Netherlands: টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup) পাকিস্তান আদৌ খেলবে কি না, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এ নিয়ে নাটক হয়েছে।

কলম্বো: টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup) পাকিস্তান আদৌ খেলবে কি না, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এ নিয়ে নাটক হয়েছে। ভারত ম্যাচ বয়কট করার পতে হাঁটতে পারে পাকিস্তান, সেই ইঙ্গিত জোরাল।
তবে বিশ্বকাপে পাক দলের অভিযান যে খুব একটা মধুর না-ও হতে পারে, প্রথম ম্যাচেই তা বুঝিয়ে ছাড়ল নেদারল্যান্ডস। গতবার টি-২০ বিশ্বকাপে সৌরভ নেত্রাভালকরের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হারিয়ে দিয়েছিল পাকিস্তানকে। এবার প্রথম ম্যাচেই কার্যত অঘটন ঘটিয়ে ফেলছিলেন ডাচরা। মাত্র ৩ বল বাকি থাকতে কোনওমতে হার এড়াল পাকিস্তান। ম্যাচ জিতল ৩ উইকেটে।
শনিবার পাকিস্তান হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে। ফাহিম আশরাফ কোনওমতে পাকিস্তানের হার বাঁচিয়েছেন। না হলে টি-২০ বিশ্বকাপে পাক দলের শুরুটা বড় অঘটন দিয়ে হতো। কলম্বোতে খেলা এই ম্যাচে নেদারল্যান্ডস দল প্রথমে ব্যাট করে ১৪৭ রানে অল আউট হয়ে যায়। তখন মনে হয়েছিল হাসতে হাসতে ম্যাচ জিতবে পাকিস্তান। কিন্তু রান তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছয় শেষ ওভারে। ৩ উইকেট হাতে রেখে রোমাঞ্চকর জয় ছিনিয়ে নেয়।
নেদারল্যান্ডসের হয়ে কোনও ব্যাটার বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। তবে ক্যাপ্টেন স্কট এডওয়ার্ডস এবং বাস ডি লিড যথাক্রমে ৩৭ রান এবং ৩০ রান যোগ করেন। মাইকেল লেভিটের ২৪ রান এবং কলিন একারম্যানের ২০ রানের সৌজন্যে নেদারল্যান্ডস দল ১৪৭ রানে পৌঁছতে পেরেছিল।
পাকিস্তানের সামনে ১৪৮ রানের লক্ষ্য ছিল
১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের হয়ে ওপেনার সাহেবজাদা ফারহান ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়াও, স্যাম আয়ুব ১৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে পাক দলকে ভাল শুরু দেন। ক্যাপ্টেন সলমন আলি আঘা এবং বাবর আজম সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তাঁরা যথাক্রমে ১২ রান এবং ১৫ রান করে আউট হয়ে যান।
হারতে হারতে রক্ষা পেল পাকিস্তান
একসময় পাক দল ২ উইকেট হারিয়ে ৯৮ রান তুলে ফেলেছিল এবং তাদের জিততে হলে তখনও দরকার ছিল ৫০ রান, ৫৮ বলে। কিন্তু এখান থেকেই উইকেট পতনের শুরু হয় এবং বিশেষ করে পল ভ্যান মিকেরেন পাক ব্যাটিংয়ের কঙ্কালসার চেহারা বার করে দেন। ১০০ রান তুলতেই পাকিস্তানের অর্ধেক দল প্যাভিলিয়নে ফিরে যায়।
মহম্মদ নওয়াজ এবং শাদাব খানের মতো দুই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারও ১১৪ রানের স্কোরে নিজেদের উইকেট হারান। ১১৪ রানে পাকিস্তানের ৭ জন ব্যাটার আউট হয়ে গিয়েছিলেন।
শেষ ২ ওভারে ম্যাচ জিততে ২৯ রান তুলতে হতো পাকিস্তানকে। ১৯তম ওভারে লোগান ফান বিককে ৪টি ছক্কা মেরে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। ফাহিম আশরাফের ১১ বলে ২৯ রানের ইনিংসের সুবাদে পাকিস্তান বড় অঘটনের শিকার হওয়া থেকে রক্ষা পায়।




















