T20 World Cup 2026: রাদারফোর্ডের অর্ধশতরানের পর স্পিনারদের দাপট, ইংল্যান্ডকে ৩০ রানে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ়
West Indies vs England: ৭৬ রানের ইনিংস খেলে এই ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের শারফেন রাদারফোর্ড।

মুম্বই: গত ম্যাচে নেপালের বিরুদ্ধে বল হাতে দুরন্ত শেষ ওভার করে দলকে জিতিয়েছিলেন স্যাম কারান। তবে বুধবার ওয়াংখেড়েতে ব্যাট হাতে তিনি পারলেন। ৪৩ রানের ইনিংসে লড়াই করলেন বটে, তা সত্ত্বেও ইংল্যান্ডকে হারতেই হল। ৩০ রানে ইংরেজদের হারিয়ে চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) নাগাড়ে দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ় (England vs West Indies)। ক্যারিবিয়ান দলের জয়ের নায়ক শারফেন রাদারফোর্ড (Sherfane Rutherford) এবং দলের স্পিনাররা। গুদাকেশ মোতি (Gudakesh Motie), রস্টন চেজ় এবং আকিল হোসেনের স্পিন ত্রয়ী মোট ছয়টি উইকেট।
এদিন ইংল্যান্ড টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। দুই ওয়েস্ট ইন্ডিজ় ওপেনার শাই হোপ এবং ব্র্যান্ডন কিং প্রথম দুই ওভারেই সাজঘরে ফিরে যাওয়ায় বেশ চাপেই পড়ে যায় ক্যারিবিয়ান দল। তিনে নামা শিমরন হেটমায়ার এবং রস্টন চেজ় দলের ইনিংসকে স্থিরতা প্রদান করেন। পাওয়ার প্লে শেষের আগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ় ৫০ রানের গণ্ডিও পার করে ফেলে। তবে তারপরেই জেমি ওভারটনের বলে ২৩ রানে সাজঘরে ফেরেন হেটমায়ার। চেজ়কে ভাল ছন্দে দেখালেও তিনি আদিল রশিদ ভেল্কিতে পা দেন। ৩৪ রানে আউট হতে হয় তাঁকে।
এমন পরিস্থিতিতে দলকে বড় রানে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব এসে পড়ে রাদারফোর্ডের কাঁধে। বিশ্বকাপের আগে এসএ টি-২০তে বারংবার প্রোটিয়া ক্যাপিটালসের হয়ে এই কাজটাই করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এদিনও রাদারফোর্ড নিজের দক্ষতা প্রমাণ করলেন। হাঁকালেন অর্ধশতরান। রভম্যান পাওয়েল এবং জেসন হোল্ডারের সঙ্গে রাদারফোর্ড নাগাড়ে দুইটি ৫০ রানের পার্টনারশিপও গড়েন। শেষের দিকে হোল্ডারও গুরুত্বপূর্ণ ৩৩ রান যোগ করেন। রাদারফোর্ড ৭৬ রানে অপরাজিত থাকেন। ছয় উইকেটে ১৯৬ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়।
১৯৭ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডের হয়ে ফিল সল্ট এবং জস বাটলার শুরুটা ভালই করেন। পাওয়ার প্লেতেই ৬৭ রান যোগ করে ইংল্যান্ড। তবে সল্ট ৩০ ও বাটলার ২১ রানে আউট হন। জেকব বেথেলও দুই ওপেনারের মতো শুরুটা ভাল করেও অর্ধশতরান করতে পারেননি। ৩৩ রানে তাঁকে ফেরান মোতি। এই থেকেই তাঁর ইংল্যান্ড ব্যাটিং অর্ডারে ধস নামানো শুরু। তাঁর বলেই একে একে টম ব্যান্টন (২), হ্যারি ব্রুকরাও (১৭) সাজঘরে ফেরেন।
মিডল অর্ডারে এই ধস সত্ত্বেও স্যাম কারান চেষ্টা করেছিলেন। বেশ কয়েকটি সুন্দর শটও খেলেন তিনি। তবে অপরপক্ষে কেউ তাঁকে সঙ্গ দেননি। ৪৩ রানে অপরাজিতই থেকে যান কারান। এক ওভার বাকি থাকতেই ইংল্যান্ড ১৬৬ রানে অল আউট হয়ে যায়। মোতির তিন উইকেটের পাশাপাশি চেজ় দুই এবং আকিল হোসেন একটি উইকেট নিয়ে দলের জয় সুনিশ্চিত করেন।




















