SA vs AFG: রোমহর্ষক ম্যাচে দুটি সুপার ওভার, দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরেও মন জিতল আফগানিস্তান
T20 World Cup 2026: শেষ বলে চাই ৫, এমন পরিস্থিতে ক্যাচ দিয়ে বসেন গুরবাজ।

আমদাবাদ: চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) সবচেয়ে রুদ্ধশ্বাস ম্য়াচ দেখলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নাটকীয় ম্য়াচে আফগানিস্তানকে দ্বিতীয় সুপার ওভারে হারিয়ে শেষ হাসি হাসল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই সঙ্গে সুপার এইটে ওঠার দৌড়ে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন এইডেন মারক্রামরা।
গ্রুপ ডি-তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নিউজ়িল্যান্ডের কাছে হেরে গিয়েছিল আফগানিস্তান। টি-২০ ক্রিকেটে যাদের অন্যতম বড় শক্তি মনে করা হয়। জায়ান্ট কিলার বলেন কেউ কেউ। এবারের অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও খেলেছে আফগানিস্তান। যা থেকে বোঝা যায় যে, আফগান ক্রিকেট সঠিক পথেই এগোচ্ছে। টি-২০ বিশ্বকাপে সুপার এইটে ওঠার দৌড়ে থাকতে হলে বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জয় মহার্ঘ ছিল। কিন্তু সেই ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেও হেরে গেল আফগানিস্তান।
বুধবার আমদাবাদে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল আফগানিস্তান। শুরুতেই প্রোটিয়া অধিনায়ককে তুলে নিয়ে বিরাট ধাক্কা দেন আফগান পেসার ফজলহক ফারুকি। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেট পার্টনারিশিপে ৬১ বলে ১১৪ রান যোগ করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বড় স্কোরের পথে এগিয়ে নিয়ে যান কুইন্টন ডি'কক ও রায়ান রিকেলটন। দুজনই হাফসেঞ্চুরি করেন।
তখনই আফগানিস্তানের ত্রাতা হয়ে হাজির হন দলের সবচেয়ে বড় তারকা রশিদ খান। ডি'কক ও রিকেলটন - দুজনকেই ফেরান আফগান লেগস্পিনার। একই ওভারে। ২ বলের ব্যবধানে। এরপর আজমাতুল্লা ওমরজাই ৩ উইকেট তোলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমে ব্যাট করে তোলে ১৮৭/৬।
রান তাড়া করতে নেমে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ। প্রাক্তন নাইট তারকা ইনিংস ওপেন করে ৪২ বলে ৮৪ রান করেন। মাত্র ৪ ওভারে ৫০ তুলে ফেলেছিল আফগানিস্তান।
তবে পরের দিকে পরপর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা। শেষ ওভারে ১৩ রান দরকার ছিল তাদের জয়ের জন্য। ১২ রান তোলে আফগানিস্তান। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।
সেখানেও নাটক। প্রথমে ব্যাট করে আফগানিস্তান তোলে ১৭ রান। ফজলহক ফারুকির শেষ বলে ছক্কা মেরে দক্ষিণ আফ্রিকাও তোলে ১৭ রান। সুপার ওভারও টাই হওয়ায় দ্বিতীয় সুপার ওভার শুরু হয়। এবার প্রোটিয়ারা প্রথমে ব্যাটিং করে তোলে ২৩ রান। কেশব মহারাজ বল করতে এসে পরপর দুটি ডট করেন। মহম্মদ নবির উইকেটও তোলেন। কিন্তু গুরবাজ পরপর তিন বলে ৩ ছক্কা ম্যাচে ম্যাচ জমিয়ে দেন। চাপের মুখে ওয়াইড করেন মহারাজ। শেষ বলে চাই ৫, এমন পরিস্থিতে ক্যাচ দিয়ে বসেন গুরবাজ।




















