CAN vs NZ Match Highlights: জলে গেল যুবরাজের ঐতিহাসিক শতরান, রাচিন, ফিলিপ্সের দৌলতে সুপার এইটে পৌঁছল নিউজ়িল্যান্ড
Yuvraj Samra: ৬৫ বলে ১১টি চার ও ছয়টি ছক্কার সুবাদে ১১০ রানের এক অনবদ্য ইনিংস আসে যুবরাজের ব্যাট থেকে।

চেন্নাই: নাম তাঁর যুবরাজ। ভারতীয় কিংবদন্তি নাম থেকেই অনুপ্রাণিত। খেললেনও যুবরাজের মতো। কানাডার হয়ে প্রথম ব্যাটার হিসাবে কোনও টেস্ট খেলীয় দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে শতরান হাঁকালেন যুবরাজ সামরা (Yuvraj Samra hundred)। তবে টিনএজ তারকার সেঞ্চুরি জলে গেল। রাচিন রবীন্দ্র (Rachin Ravindra) ও গ্লেন ফিলিপ্সের (Glenn Phillips) দুরন্ত পার্টনারশিপে কার্যত উড়ে গেল কানাডা। ২৯ বল বাকি থাকতে আট উইকেটে ম্যাচ জিতে ষষ্ঠ দল হিসাবে চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) সুপার এইটে নিজেদের জায়গা পাকা করে নিল কিউয়িরা।
সামরার বাবা যুবরাজ সিংহের ভক্ত। তাঁর নাম থেকেই ছেলের নামকরণ করেছিলেন যুবরাজের বাবা। ১৯ বছরের যুবরাজ আবার বাঁ-হাতেই ব্যাট করেন। তাঁকে দেখে, তাঁর ব্যাট ফ্লো দেখে অনেকেরই যুবরাজের কথা মনে পড়ে যেতেই পারে। তিনি অবলীলায় জেকব ডাফি, ম্যাট হেনরি গ্লেন ফিলিপ্সদের মাঠের বাইরে ফেলেন। ৬৫ বলে ১১টি চার ও ছয়টি ছক্কার সুবাদে ১১০ রানের এক অনবদ্য ইনিংস আসে যুবরাজের ব্যাট থেকে।
এদিন চেন্নাইয়ের চীপকে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কানাডা। ব্যাটে নেমে যুবরাজ এবং অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়া দারুণভাবে ইনিংস শুরু করেন। একদিকে যেখানে যুবরাজ নিজের দুরন্ত ছন্দে একের পর এক বল বাউন্ডারি পার পাঠাচ্ছিলেন, সেখানে বাজওয়া খানিকটা সময় নেন। দেখেশুনে পার্টনারশিপ গড়েন। পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে ৫০ রানের গণ্ডি পার করে ফেলে কানাডা। দেখতে দেখতেই যুবরাজ ৩৬ বলে অর্ধশতরান পূরণ করে ফেলেন। তবে অর্ধশতরানের পরে থামেননি তিনি।
বাজওয়া এবং যুবরাজ কোনও উইকেট না হারিয়েই ১৩তম ওভারে শতরানের গণ্ডিও পার করে। তবে ঠিক যখন কানাডাকে একেবারে নিয়ন্ত্রণে মনে হচ্ছিল, তখনই ৩৬ রানে কাইল জেমিসনের বলে ফেরেন বাজওয়া। ১১৬ রানে ভাঙে ওপেনিং পার্টনারশিপ। এটাই বিশ্বকাপে কানাডার সর্বাধিক রানের পার্টনারশিপ। অপরদিকে ওপেনিং পার্টনারকে হারালেও যুবরাজ কিউয়ি বোলারদের আক্রমণ চালিয়ে যান। তিনি ৫৮ বলে এক অনবদ্য শতরান পূরণ করেন। জেকব ডাফি যুবরাজের ইনিংসে বিরাম লাগান। তবে যুবরাজ দুরন্ত খেললেও, তাঁকে বাজওয়া ছাড়া কেউই সঙ্গ দেয়নি। কানাডা ২০ ওভারে চার উইকেটে ১৭৩ রান তোলে।
জবাবে ব্য়াটে নেমে ফিন অ্যালেনের দৌরাত্ম্যে তড়তড়িয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল নিউজ়িল্যান্ড ইনিংস। তবে তিন বলের ব্যবধানেই দুই ওপেনারকে ফেরান কানাডা। ছয় রানে ফেরেন সেফার্ত, ২১ রানে আউট হন ফিন অ্যালেন। ৩০ রানে দুই উইকেট হারায় কিউয়িরা। এমন সময়ে কানাডা অঘটনের আশা করছিল। তবে রাচিন ও গ্লেন ফিলিপ্স সেই অবকাশ হওয়ার সুযোগ দেননি। দুইজনেই দুরন্ত ব্য়াটিং করেন। ২২ বলে অর্ধশতরান করেন ফিলিপ্স, ৩৫ বলে হাফসেঞ্চুরি হাঁকান রাচিন। শেষমেশ তাঁরা যথাক্রমে ৭৬ ও ৫৯ রানে অপরাজিত থেকে দলকে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন।




















