IND vs SA: স্মৃতি থেকেই মুছতে চান বার্বাডোজের রাত, অতীত ভুলে ভারতকে পাল্টা প্রত্যাঘাতে মরিয়া ডি ককরা
T20 World Cup 2026: চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার সাক্ষাৎ হয়নি। দুটো আলাদা গ্রুপে পড়েছিলেন হার্দিক পাণ্ড্য-কেশব মহারাজরা।

আমদাবাদ: দিনটা ছিল ২৯ জুন, রবিবার... দক্ষিণ আফ্রিকাকে (South Africa) হারিয়ে বার্বাজোডের মাটিতে রোহিত শর্মার ভারত (India) টি-২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup) জিতেছিল। সেই রাতে একদিকে যখন ভারতীয় শিবিরে সেলিব্রেশন চলছিল, উল্টোদিকে প্রোটিয়া শিবিরে নেমে এসেছিল চরম হতাশা। কুইন্টক ডি কক-হেনরিক ক্লাসেনদের বুকে ভিড় জমিয়েছিল একরাশ মন খারাপ। সেদিনের হৃদয়বিদারক স্মৃতি আজও কি ভুলতে পেরেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা? হঠাৎ এই নিয়ে কেন প্রশ্ন? আসলে, আজও একটা রবিবার। মঞ্চটাও সেই টি-২০ বিশ্বকাপের। তাই স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসছে ২০২৪ সালের ভারত এ বার দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ ফাইনালের কথা।
২০২৪ সালে বার্বাডোজের সেই ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা মেগা ম্যাচ থেকে ফেরা যাক বর্তমানে। চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকে সুপার এইটে উঠেছে। আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে রবি-রাতে এবার মুখোমুখি হতে চলেছে সূর্যকুমার যাদবের মেন ইন ব্লু এবং এইডেন মারক্রামেরের প্রোটিয়া ব্রিগেড। এই ম্যাচের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটকিপার-ব্যাটার কুইন্টন ডি কক জানিয়েছন, স্মৃতির পাতা থেকেই তাঁরা মুছে ফেলতে চান বার্বাডোজের সেই রাত। অতীতকে ভুলে টিম ইন্ডিয়াকে পাল্টা প্রত্যাঘাতে মরিয়া ডি ককরা।
বিশ্বকাপ ট্রফির এক্কেবারে কাছে পৌঁছেও তা মুঠোয় আসেনি প্রোটিয়াদের। সেই যন্ত্রণা না বয়ে বেড়িয়ে ভোলাতেই মন দেন তাঁরা। সুপার এইটে ভারতের বিরুদ্ধে নামার আগে ডি কক বলেন,'সত্যি বলতে গেলে ওই ম্যাচটার পর আমরা পুরো বিষয়টাই ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। আরও খোলাখুলি বললে, আমাদের মধ্যে কেউই ওটা নিয়ে আর কথাই বলতে চাইনি। আমরা সকলে নিজের নিজের মতো বাড়ি ফিরে গিয়েছিলাম, কীভাবে সেই হারটা মেনে নেওয়া যায়, কীভাবে নিজেকে সামলানো যায় — সেই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গিয়েছি আমরা। ব্যস, এটাই। আসলে আমরা আর কখনও সকলে মিলে বসে ওটা নিয়ে কথা আর বলিনি।'
ডি ককের কথা থেকেই পরিষ্কার অতীতে আঁকড়ে নেই প্রোটিয়ারা। এক অন্য মেজাজে বিশ্বজয়ের লক্ষ্যে পা বাড়িয়েছেন তাঁরা। চলতি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার সাক্ষাৎ হয়নি। দুটো আলাদা গ্রুপে পড়েছিলেন হার্দিক পাণ্ড্য-কেশব মহারাজরা। এবার তাই নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে নজর দুই দেশের ক্রিকেট প্রেমীদের। কোন দলের জয়রথ আজ আমদাবাদে থেমে যাবে, সেটাই দেখার।




















