T20 World Cup: 'বয়স কম, দ্রুত বড় ইনিংস আসবে', অফফর্মের অভিষেককেও খরচের খাতায় ফেলতে নারাজ ডি কক
IND vs SA: রবি-রাতে আমদাবাদে মুখোমুখি হতে চলেছে এবারের টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের দুই অপরাজিত দল, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

আমদাবাদ: ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমীরা রবিরাতের মেগা ম্যাচের অপেক্ষায়। সূর্যকুমার যাদবের টিম ইন্ডিয়া ও এইডেন মার্করামের দল গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকে সুপার এইটে উঠেছে। এবারের টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup) ভারত (India) নাকি দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa) কোন দলের জয়রথ আজ থমকে যাবে? সেই দিকেই নজর সকলের। এই ম্যাচের আগে অনেকে আলোচনা করছেন ভারত ও প্রোটিয়াদের ২০২৪ বিশ্বকাপ ফাইনালের কথা। এই পরিস্থিতিতে দলের অবস্থা ও ভারতের তরুণ তুর্কি নিয়ে নানা কথা শোনা গেল দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটকিপার-ব্যাটার কুইন্টন ডি'ককের (Quinton de Kock) মুখে।
ডি'কক বলেছেন, চাপ সামলানো এবং ম্যাচের ছোট ছোট গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত জিতে নেওয়াই হবে কোনও ম্যাচের নির্ণায়ক। এইডেন মার্করামের নেতৃত্বাধীন দক্ষিণ আফ্রিকা গত বছরের শেষ দিকে ভারত সফরে এসেছিল। তবে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজে তাঁরা ৩-১ ব্যবধানে হেরে যায়। চলতি মাসের শুরুর দিকে আয়োজিত একটি প্রস্তুতি ম্যাচেও ভারতের কাছে হেরেছিল প্রোটিয়ারা। সুপারস্টার ডি'ককের মতে বড় ম্যাচে স্নায়ুর চাপ ধরে রাখা এবং গুরুত্বপূর্ণ ছোট মুহূর্তগুলোকে নিজেদের দিকে টেনে নেওয়াই শেষ পর্যন্ত পার্থক্য গড়ে দেবে। রবিবারের এই লড়াই তাই শুধু দুই অপরাজিত দলের সংঘর্ষ নয়, বরং মানসিক দৃঢ়তা ও ম্যাচ সচেতনতারও পরীক্ষা।
এবারের বিশ্বকাপে অভিষেক শর্মাকে নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এখনও তিনি রানের খাতা খুলতে পারেননি। তবে ভারতীয় টিম তাঁর ওপর আস্থা রাখছে। রবিবারের ম্যাচের আগে বাঁ হাতি ওপেনার অভিষেক শর্মাকে নিয়ে ডি'কক বলেন, 'বর্তমানে র্যাঙ্কিং অনুযায়ী বিশ্বের এক নম্বর টি-টোয়েন্টি ব্যাটার ও। এক নম্বরে থাকার অর্থ আলাদা মর্যাদা ও গুরুত্ব বহন করা, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ওর মতো তরুণ ব্যাটাররা ব্যর্থ হতেই পারে। তবে আমার মনে হয় ওর নিজের সহজাত খেলাটাই চালিয়ে যাওয়া উচিত। ওর বয়স কম, আমি আশাবাদী ও কোনও না কোনও সময় গুরুত্বপূর্ণ ও বড় ইনিংস খেলবে।'
ডি'ককের মতে, এই ধরনের বড় টুর্নামেন্টে কে ক'টা ম্যাচে রান পেল না, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল চাপের মুখে কে কত দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে। তিনি এও বলেন যে, আইপিএলে একাধিক ভারতীয় ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে খেলার কারণে একে অপরের শক্তি ও দুর্বলতা সম্পর্কে খুব ভালভাবেই তাঁরা অবগত। এবার দেখার আমদাবাদে রবি-রাতে শেষ হাসি ফোটে কাদের মুখে।




















