Switzerland vs Colombia: টাইব্রেকারে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস জয়, ৭২ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টারে সুইৎজারল্যান্ড
FIFA World Cup 2026: বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে এটি ছিল স্যুইৎজারল্যান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছনোর চতুর্থবার। মোট ১৩টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে সুইসরা এখনও পর্যন্ত।

ভ্যাঙ্কুভার: বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে (FIFA World Cup 2026) পৌঁছে গেল স্যুইৎজারল্যান্ড (Switzerland vs Colombia)। নির্ধারিত সময়ে খেলার ফল ০-০ থাকার পর ম্য়াচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে পেনাল্টি শ্যুটআউটে ৪-৩ ব্যবধানে কলম্বিয়াকে হারিয়ে ৭২ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল সুইস ব্রিগেড। এর আগে শেষবার বিশ্বকাপের মঞ্চে ১৯৫৪ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছিল ইউরোপের এই দলটি।
বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে এটি ছিল স্যুইৎজারল্যান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছনোর চতুর্থবার। মোট ১৩টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে সুইসরা এখনও পর্যন্ত। একুশতম সেঞ্চুরিতে স্যুইৎজারল্যান্ড রাউন্ড অফ সিক্সটিনে জয় ছিনিয়ে নিতে পেরেছে এখনও পর্যন্ত মোট ৪ বার। পর্তুগালের বিরুদ্ধে কলম্বিয়া নির্ধারিত সময়ে ম্য়াচ ড্র করেছিল গ্রুপ পর্বে। যদিও সেটি গ্রুপ পর্ব হওয়ায় পেনাল্টি শ্যুটআউট হয়নি। এদিনের ম্যাচে দুটো দলই আক্রমণ ও প্রতি আক্রমণ করছিল। লাতিন আমেরিকার ফুটবল খেলিয়ে দেশগুলো একটা বডি ট্যাকল বেশিই করে মূলত। পর্তুগাল ম্য়াচেও দেখা গিয়েছিল। এদিন স্যুইৎজারল্যান্ড ম্য়াচেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। যদিও খেলার ২১ মিনিটের মাথায় গোলের সুযোগ চলে এসেছিল কলম্বিয়ার সামনে। কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়। এমনকী প্রথার্ধে আরও এক-দুটো সুযোগ তৈরি করলেও তা শেষ পর্যন্ত ফিনিশ করতে পারেনি হামেস রডরিগেজরা। এক্ষেত্রে অবশ্য স্যুইৎজারল্যান্ডের গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল প্রশংসার যোগ্য।
View this post on Instagram
দ্বিতীয়ার্ধেও দুটো দলই এগিয়ে চলছিল গোলের লক্ষ্যে। কিছুটা এগিয়ে ছিল কলম্বিয়াই। কিন্তু গোলমুখ খুলতে পারছিল না তারা। খেলার ৯৩ মিনিটের মাথায় কলম্বিয়ার পেনাল্টির আবেদন বাতিল করে দিয়েছিলেন রেফারি। ৯৪ মিনিটের মাথায় লুকুমার হেড তেকাঠিতে লেগে ফিরে আসে।
খেলার ১০১ মিনিটের মাথায় জামিন্তন কাম্পাসের শক্তিশালী শটও দারুণভাবে রুখে দেন কোবেল। আবার কলম্বিয়ার গোলরক্ষক ভার্গাসকেও পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়। ১০৪ মিনিটে স্যুইৎজারল্যান্ডের বদলি খেলোয়াড় জেকি আমদুনির শট ঠেকিয়ে দেন ভার্গাস। ১১৬ মিনিটে সুইস রক্ষণভাগের ভুলে গোলের দারুণ সুযোগ পেলেও কাম্পাস বল উড়িয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত পেনাল্টিতে গড়ায় ম্য়াচ। সেখানে কলম্বিয়ার ডেভিনসন স্যাঞ্চেজ ও কুচো হার্নান্দেজ মিস করেন গোল। একজন বারে মারেন, আরেকজনের শট আটকে দেন স্যুইৎজারল্যান্ডের গোলরক্ষক।























