FIFA World Cup 2026: নেমারের চোট চিন্তার কারণ, আশা জোগাচ্ছেন ভিনিসিয়াস, ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জিততে পারবে ব্রাজিল?
Brazil National Football Team: ভিনিসিয়ান জুনিয়র ২০২৩-২৪ মরশুমে রিয়ালে আনচেলোত্তির অধীনে খেলেছিলেন। তাই ভিনিসিয়াসের থেকে তাঁর সেরাটা বের করে আনতে মরিয়া থাকবেন ইতালীয় কোচ।

সাও পাওলো: বিশ্বফুটবলের অন্য়তম শক্তিধর দেশ। ব্রাজিল মানেই ফুটবল। ব্রাজিল মানেই সবুজ গালিচায় শিল্প। কিন্তু তবুও ২০০২ সালের পর থেকে আর একটি বিশ্বকাপেও খেতাব ঘরে তুলতে পারেনি পেলের দেশ। আসন্ন বিশ্বকাপেও হয়ত সেই অর্থে ফেভারিট তকমা পাবে না দলটি। কিন্তু তবুও এবারই ব্রাজিলের নিজেদের ষষ্ঠবার বিশ্বকাপ জেতার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে।
কনমেবলে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে পঞ্চম স্থানে শেষ করেছিল দলটি। বেশ কয়েকজন ফুটবলারের চোটও ছিল। অনেকেই বাইরে রয়েছে দলের। তবুও এবার শিরোপা জিততেই পারে সাম্বা ব্রিগেড। দলটির মূল শক্তি স্ট্রাইকিং ও মিডফিল্ডে। ভিনিসিয়াস জুনিয়র ও রাফিনিয়া নিঃসন্দেহে বিশ্ব ফুটবলের সেরা দুই উইঙ্গারদের মধ্যে অন্যতম। তাঁরা দুজনেই ফর্মে থাকলে ব্রাজিল দল কিন্তু ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে টুর্নামেন্টে।
৩৪ বছর বয়সে মিডফিল্ডে ব্রাজিলকে এখনও ভরসা জোগাচ্ছেন ক্যাসেমিরো। ব্রুনো গিমারেস ও ডানিলো ডস স্যান্তোসের সঙ্গে ত্রয়ী মিলে গোল করার ক্ষমতা থাকছে। লেফট ব্যাক পজিশনে ব্রাজিলের দুর্বলতা স্পষ্ট। তবে ব্রাজিলের কোচিং ইউনিটে কার্লো আনচেলোত্তির নাম বিরাট ভূমিকা নিতে পারে এবার নেমারদের বিশ্বকাপ জয়ে।
ভিনিসিয়ান জুনিয়র ২০২৩-২৪ মরশুমে রিয়ালে আনচেলোত্তির অধীনে খেলেছিলেন। তাই ভিনিসিয়াসের থেকে তাঁর সেরাটা বের করে আনতে মরিয়া থাকবেন ইতালীয় কোচ। তবে নেমারের চোট কিছুটা চিন্তায় রাখতে পারে দলকে। মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের প্রথম গ্রুপপর্বের ম্য়াচে খেলবেন না তারকা ফুটবলার। তবে যে ম্যাচ থেকে তিনি মাঠে ফিরবেন, নিঃসন্দেহে দলের ভারসাম্য আরও শক্তিশালী হবে।
২০২২ সালে আর্জেন্তিনার বিশ্বকাপজয়ী দলের ক্যাপ্টেন ছিলেন লিওমেল মেসি। তাঁর অনুপ্রেরণাতেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রসদ খুঁজে পেয়েছিল নীল সাদা শিবির। এবার নেমারও কিন্তু দলকে একই ভাবে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন।
এবারের বিশ্বকাপে এক নতুন নিয়ম নিয়ে আসছে ফিফা। কেউ যদি রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মাঠ ছাড়েন, তাহলে তাঁকে সরাসরি লাল কার্ডও দিতে পারেন রেফারিরা। কোচিং স্টাফ বা দলের অন্য কোনও সদস্য যদি সেই খেলোয়াড়কে মাঠ ছাড়তে উদ্বুদ্ধ করেন, তাহলে নিয়মটি তাঁর ক্ষেত্রেও লাগু হবে বলে ফিফার নিয়মাবলীতে জানানো হয়েছে। আর কোনও দল যদি বিদ্রোহ করে দল তুলে নেয়, তাহলে সেই দলটিকে পরাজিত ঘোষণা করা হবে। সময় নষ্ট এড়ানোর জন্য ঠিক যেমন প্রিমিয়ার লিগে নির্দিষ্ট কয়েক সেকেন্ডের উইন্ডো থাকে, তেমনই বিশ্বকাপেও বল বাইরে যাওয়ার পর গোল কিক বা থ্রো ইনের ক্ষেত্রে পাঁচ সেকেন্ডের সময় ধার্য করা হয়েছে।






















