Lake Town Messi statue: পাঁচ মাসেই ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় লেকটাউনের মেসির মূর্তি, দুর্ঘটনা এড়াতে বাঁধা হল দড়ি
Lionel Messi statue: গত ডিসেম্বরে মেসির ভারত সফরে কিংবদন্তি ফুটবলার তথা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নিজেই লেকটাউনের এই ৪৪ ফুটের মূর্তিটি ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন।

লেকটাউন: পাঁচ মাসেই লেকটাউনে বিপজ্জনক অবস্থায় সুজিতের উদ্যোগে তৈরি হওয়া মেসির মূর্তি। যেকোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা। কিন্তু ৪৪ ফুটের মূর্তি কীভাবে অক্ষত অবস্থায় সরানো হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। আশঙ্কা দূর করতে আপাতত মূর্তিটিকে বিভিন্ন দিক থেকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে।
গত ডিসেম্বরে মেসির ভারত সফরে কিংবদন্তি ফুটবলার তথা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নিজেই লেকটাউনের এই ৪৪ ফুটের মূর্তিটি ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন। তবে সেই মূর্তি নিয়ে এখন বাড়ছে আশঙ্কা। ‘এলএম১০’-র মূর্তি এখন হাওয়ায় দুলছে! যে কোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মূর্তিটি নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর সেখানেই তৈরি হয়েছে জটিলতা। ৪৪ ফুটের এই মূর্তিটি বসানো হয়েছে প্রায় দোতলা সমান উঁচু স্তম্ভের উপর। সেখান থেকে অক্ষত অবস্থায় এত বড় মূর্তি নামানো, একটা বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন PWD-র ইঞ্জিনিয়াররা।
এই মূর্তি নামাতে প্রয়োজন একাধিক বিশাল ক্রেন। সেগুলো রেখে কাজ করতে গেলে লেকটাউনের মতো ব্যস্ত জায়গায় যান চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। বন্ধ করতে হবে বিদ্যুৎ সংযোগও। আবার এই মূর্তির পাশেই রয়েছে সাবওয়ে। তার উপরে এত ভারী ক্রেন রাখা সম্ভব কিনা, সেই নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছে।
মেসির মূর্তি তৈরি করেছিলেন শিল্পী মন্টি পাল। মঙ্গলবার সকালে PWD-র আধিকারিকরা তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। মূর্তিটি কীভাবে ইনস্টল করা হয়েছিল, কতগুলো ভাগে আনা হয়েছিল সেখানে, আবার সেই অংশগুলো খুলে নামানো যায় কিনা, সেই বিষয়ে শিল্পীর কাছে জানতে চাওয়া হয়।মঙ্গলবার PWD-র ইঞ্জিনিয়াররা, এক অধ্যাপককে নিয়ে গিয়ে মূর্তিটির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। তবে কীভাবে অক্ষত অবস্থায় মেসির মূর্তিটি নামানো হবে, তার কোনও সূত্র মেলেনি এখনও।
আরও পড়ুন:- পঞ্জাব কিংস ছাড়ছেন অর্শদীপ সিংহ? সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড বাড়াল জল্পনা
মেসির কলকাতা সফরের সময় প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর উদ্যোগে লেকটাউনে মেসির এই মূর্তিটি বসেছিল। কিন্তু মাত্র কয়েক মাসেই সেই মূর্তি একটা বিপদজনক অবস্থা তৈরি করেছে, বলছেন স্থানীয় মানুষরাই। আর তারপর সোমবার, ২৫ মে সকালে স্থানীয় মানুষরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। স্থানীয়রা বলছেন, গত কয়েক দিন ধরেই তাঁরা খেয়াল করেছেন মেসির ওই মূর্তিটা হওয়া দিলেই দুলছে।
সূত্রের খবর, যেখানে এই মূর্তি তৈরি করা হয়েছে, সেটা আসলে PWD -এর জমি। কিন্তু এই মূর্তি তৈরির সময় PWD -এর থেকে কোনও নো অবজেকশন সার্টিফিকেট নেওয়া হয়নি। PWD সূত্রে আরও খবর, এই মূর্তিটি অবৈজ্ঞানিক ভাবে তৈরি করা হয়েছিল। এই মূর্তির সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি এমন জায়গায় রয়েছে, যে হওয়া দিলেই এই মূর্তিটি দুলছে। আর কয়েক দিনের মধ্যেই রাজ্যে ঢুকবে বর্ষা। ফলে, ঝড়, বৃষ্টির ফলে আগামীতে এই মূর্তি ভেঙে পড়তে পরে, কোনও বিপদ তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।





















