DC vs GT Match Highlights: রাহুল-মিলারের ব্য়াটিং ঝড় ব্যর্থ, রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ১ রানে দিল্লিকে হারিয়ে চমক গুজরাতের
David Miller: টুর্নামেন্টে গুজরাতের প্রথম জয়। ২০ বলে ৪১ রান করে ক্রিজে ছিলেন মিলার। লাভ হল না।

নয়াদিল্লি: টি-২০ ম্যাচ ঠিক যেরকম হওয়া উচিত। কখনও দাপট দেখালেন ব্যাটাররা, কখনও বোলারদের শাসন। কখনও দুরন্ত ক্যাচ নিয়ে বা রান আউট করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন ফিল্ডাররা। টানটান ম্যাচের রাশ পেন্ডুলামের মতো দুলল, কখনও গুজরাত টাইটান্সের দিকে, কখনও দিল্লি ক্যাপিটালসের দিকে।
আইপিএলে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে শেষ পর্যন্ত শেষ ওভারে এসে জিতল গুজরাত টাইটান্স। মাত্র ১ রানে হারাল দিল্লি ক্যাপিটালসকে। সেই সঙ্গে দিল্লির জয়ের হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা ধুলোয় গড়াগড়ি খেল।
ঘাড়ের চোটের জন্য আগের ম্যাচে খেলতে পারেননি শুভমন গিল। এই ম্যাচে তিনি ফিরলেন। শুধু ফিরলেনই না, গুজরাত টাইটান্সকে নেতৃত্ব দিলেন। আর শুধু নেতৃত্বই দিলেন না, ব্যাট হাতে ইনিংস ওপেন করতে নেমে ৪৫ বলে করলেন ৭০ রান। গুজরাত টাইটান্স ইনিংসের সর্বোচ্চ স্কোর। শুভমনকে সঙ্গত করলেন জস বাটলার ও ওয়াশিংটন সুন্দর। বলা ভাল, প্রতিপক্ষ দিল্লি ক্যাপিটালস শিবিরে প্রথম লড়াইটা পৌঁছে দিয়েছিলেন বাটলারই। ২৭ বলে ৫২ করেন ইংরেজ তারকা। ৩২ বলে ৫৫ করেন ওয়াশিংটন। শুভমন শুরুটা করেছিলেন সতর্কভাবে। তবে পরের দিকে হাত খুলে শট খেলেন। প্রথমে ব্যাট করে গুজরাত তোলে ২১০/৪।
রান তাড়া করতে নেমে দুরন্ত শুরু পাথুম নিশাঙ্কা ও কে এল রাহুলের। দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক নন রাহুল। অক্ষরের কাঁধে গুরুদায়িত্ব। শোনা যায়, রাহুল নিজেই চেয়েছিলেন ব্যাটার হিসাবে খেলতে। বুধবার ৫২ বলে ৯২ রান করে দিল্লির লড়াইয়ের পতাকা বহন করে নিয়ে গেলেন রাহুল। নিশাঙ্কা ২৪ বলে ৪১ রান করে সঙ্গ দিলেন রাহুলের।
কিন্তু এরপরই রশিদ খানের ভেল্কি। কেন যে তাঁকে টি-২০ ক্রিকেটের অন্যতম সেরা বোলার বলা হয়, দেখিয়ে দিলেন রশিদ। ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান খরচ করে নিলেন ৩ উইকেট। নীতীশ রানা, দিল্লির এবারের আবিষ্কার সমীর রিজভি ও অক্ষরকে তুলে নিলেন। ১ উইকেটে ১০১ রান তুলে ফেলা দিল্লি দ্রুতই ১৩৪/৪ হয়ে যায়।
সেখান থেকে দিল্লিকে টানছিলেন রাহুল। তাঁর সেঞ্চুরিও বাঁধা মনে হচ্ছিল। কিন্তু তিন অঙ্কের মাত্র ৮ রান দূরে থামতে হয় তাঁকে। মহম্মদ সিরাজের বলে কট বিহাইন্ড হন। রাহুল ফিরতেই ম্যাচের রাশ চলে যায় গুজরাতের হাতে। ডেভিড মিলার পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নেমেছিলেন। কিন্তু ১০ বলে ১২ রান করে একটি ডাইভ দিতে গিয়ে আঙুলে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় মিলারকে।
নাটকের অবশ্য তখনও বাকি ছিল। ট্রিস্টান স্টাবস রান আউট হতেই ক্রিজে নামেন মিলার। পরের ১০ বলে ২৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন মিলার। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৩ রান। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর প্রথম বলেই চার মারেন বিপ্রজ নিগম। পরের বলেই তাঁকে ফেরান প্রসিদ্ধ। চতুর্থ বলে বিশাল ছক্কা মারেন মিলার। ২ বলে চাই ২ রান, এই অবস্থায় প্রথমে একটি ডট বল ও তারপর শেষ বলে রান আউট কুলদীপ যাদব। ২০৯/৮ স্কোরে থামে দিল্লি। ১ রানে জয়ী গুজরাত। টুর্নামেন্টে গুজরাতের প্রথম জয়। ২০ বলে ৪১ রান করে ক্রিজে ছিলেন মিলার।




















