লন্ডন: আইপিএলে(IPL 2026) খেলতে দেখা যাবে এবার মহম্মদ আমিরকে(Mohammad Amir)? সম্ভাবনা এবার কিন্তু তেমনই। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত কোনও প্লেয়ার আইপিএলে কোনওদিনও অংশ নিতে পারবেন না, এমনটা আগেই বিসিসিআইয়ের(BCCI) তরফে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু এবার মহম্মদ আমির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব অর্জন করে নিয়েছেন। ফলে আর আইপিএলে খেলতে কোনও সমস্যা রইল না প্রাক্তন পাক পেসারের।

Continues below advertisement

আসলে মহম্মদ আমিরের স্ত্রী নার্গিস খান একজন ব্রিটিশ নাগরিক। আর সেই সূত্রেই আমির যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট ও নাগরিকত্ব পেয়েছেন। তাই এখন আইপিএলের জন্য নিলামে ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবে নিজের নাম নিবন্ধিত করতেই পারেন। এর আগে পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার আজহার মাহমুদ কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলেছিলেন ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পাওয়ার পরে। তিনি কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের(বর্তমানে পঞ্জাব কিংস) হয়ে খেলেছিলেন। আমিরের ক্ষেত্রেও সেই সুযোগ রয়েছে। তিনি আগে নিজেও জানিয়েছিলেন যে আইপিএলে তিনি খেলতে চান ও নিলামে নিজের নাম তুলতে চান। এবার আর কিন্তু সেই সমস্যা থাকল না আমিরের সামনে।

৩৪ বছরের তারকা পেসার এই মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে নটিংহ্যামশায়ার হয়ে খেলছেন আমির। বিভিন্ন ঘরোয়া ও ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলছেন বাঁহাতি এই পেসার।

Continues below advertisement

এদিকে, আইপিএল যাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত, সেই ললিত মোদি অবশেষে আইনি বাধা পেরিয়ে দেশে ফেরার ছাড়পত্র পেয়েছেন। সম্ভবত এই বছর ভারতেই দীপাবলি উদযাপন করতে পারবেন বলে এক্স হ্যান্ডলে জানিয়েছেন ললিত মোদি। দক্ষিণ আফ্রিকায় আয়োজিত আইপিএল ২০০৯-এ বিদেশি মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ললিত মোদির বিরুদ্ধে ইডি কোটি কোটি টাকা জরিমানা করেছিল। তবে আপিল ট্রাইব্যুনাল সম্প্রতি ললিতের পক্ষে রায় দিয়েছে।

নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ললিত মোদি লিখেছেন, 'হ্যাঁ, আমি অবশেষে আমার দেশে ফেরার অপেক্ষায় আছি। আশা করি ভারতে দারুণভাবে দীপাবলি উদযাপন করব। ২০১০ সালের ১২ মে ভারত ছাড়ার পর পুরনো বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে দেখা করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। সত্যমেব জয়তে।' উল্লেখ্য, এই ললিত মোদি গত ২০১০ সালের মে মাসে ভারত ছেড়েছিলেন ও এরপর থেকে টানা লন্ডনে বসবাস করছেন। ললিত মোদি বলেছেন যে তাঁর বাসস্থান এখন লন্ডনই থাকবে, তবে তিনি দেড় দশক পর ভারতে ফিরে আসার জন্য খুব উৎসাহিত। কিছুদিন আগে একটি সাক্ষাৎকারে ললিত মোদি জানিয়েছিলেন যে, আইনি পদক্ষেপের কারণে নয়, বরং দাউদ ইব্রাহিমের কাছ থেকে প্রাণনাশের হুমকির কারণে তিনি ভারত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।