GT vs RR: নাগাড়ে দ্বিতীয় প্লে-অফ ম্যাচে শতরান হাতছাড়া করল বৈভব, তাও GT-র বিপক্ষে দু'শোর অধিক রান তুলল RR
Vaibhav Sooryavanshi: রেকর্ড তৃতীয়বার আইপিএলের মঞ্চে ৯০-র ঘরে আউট হল বৈভব সূর্যবংশী।

মুল্লানপুর: নতুন বলে আগুনে গতিতে ভর করে কোয়ালিফায়ার ২-র (IPL Qualifier 2) শুরুটা দারুণভাবে করেছিল রাজস্থান রয়্যালস। তবে ইনিংস যতই গড়ায়, স্বমহিমায় ব্যাটিং করে বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi)। রান পান রবীন্দ্র জাডেজা এবং তথাকথিত 'চেরি অন টপ' হল ডোনাভন ফারেইরার ইনিংস। এই ত্রয়ীর দুরন্ত ব্যাটিংয়েই প্লে-অফে নাগাড়ে দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে দু'শোর অধিক রান বোর্ডে তুলল রয়্যালসরা। ২০ ওভার শেষে কোয়ালিফায়ার ২-এ গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে (GT vs RR) রয়্যালসদের সংগ্রহ ছয় উইকেটের বিনিময়ে ২১৪ রান।
এদিন রাজস্থানের অধিনায়ক রিয়ান পরাগ টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই টসেও বেশ নাটকীয়ভাবে এক নয়, দুই দুই বার কয়েন হাওয়ায় তোলা হয়, কারণ প্রথমবার ম্যাচ রেফারি ঠিকভাবে কল শুনতেই পারেননি। তাতে শুভমন গিল যে খুব একটা সন্তুষ্ট হননি, তা তাঁর প্রতিক্রিয়াই বলে দিচ্ছিল, কারণ তিনি জানান তাঁরাও এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্তই নিত।
তবে এই টস বিতর্ককে পিছনে ফেলে টাইটান্সরা শুরুটা দারুণভাবেই করে। ইনিংসের প্রথম ওভারেই মহম্মদ সিরাজ মাত্র এক রানে ওপেনার যশস্বী জয়সওয়ালকে সাজঘরে ফেরত পাঠান। পরের ওভারে ধ্রুব জুরেলকে সাত রানে ফিরিয়ে টাইটান্সের হয়ে শুরুটা স্বপ্নের মতোই করতে সাহায্য করেন রবীন্দ্র জাডেজা। কিন্তু দুই টপ অর্ডার ব্যাটার ব্যর্থ হলেও এদিন বৈভব কিন্তু ব্যর্থ হয়নি। বরং বেশ পরিপক্কতাই দেখায় সে। পরিস্থিতিবুঝে নিজের আইপিএল কেরিয়ারের সবথেকে মন্থর, ৩১ বলে অর্ধশতরান হাঁকায় বৈভব। ১৫ বছর বয়সি ওপেনার আশা করছিল গত ম্য়াচে যে শতরান সে মাঠে ফেলে এসেছিল, সেটি এই ম্যাচে পাবে। তবে সেই আরেকবার শতরানের তোড়গোড়ায় সাজঘরে ফিরতে হয় বৈভবকে। তাঁর সংগ্রহ ৪৭ বলে আটটি চার ও সাতটি ছক্কার সাহায্যে ৯৬ রান।
আরও পড়ুন:- তাঁর ভবিষ্যৎ ঘিরে জোর জল্পনার মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দিলেন হার্দিক পাণ্ড্য?
সূর্যবংশীর পাশাপাশি রবীন্দ্র জাডেজা ৪৫ রান করেন। জাডেজাই এদিন শুরুতে দ্রুত দুই উইকেট পড়ে যাওয়ার পর বৈভবের সঙ্গে ইনিংস মেরামতির কাজ শুরু করেন। মাঝে কনুইয়ে ব্যথা অনুভব হওয়ায় তিনি খানিকটা সময় বাইরেও যান, তবে ফিরে এসে ফের একবার ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান। বৈভব আউট হওয়ার পর এদিন শেষের দিকে নেমেই ব্য়াট হাতে ঝড় তোলেন ডোনাভন ফারেইরা। তিনি ১১ বলে অপরাজিত ৩৮ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। শেষ ওভারেই রশিদ খানকে চারটি ছক্কা মারেন প্রোটিয়া তারকা। সেই সুবাদেই যে স্কোর একসময় ১৯০-র আশেপাশে গিয়ে থেমে যাবে মনে হচ্ছিল, তা ২১৪ পর্যন্ত পৌঁছয়। এবার দেখার এই স্কোর জয়ের জন্য যথেষ্ট হয় কি না।
সেরা শিরোনাম




















