কেরিয়ারের সবচেয়ে ধীরগতির অর্ধশতরান ধোনির
৪৯ তম ওভারে উইলিয়ামের বলে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ধোনি। ২০০৫-এ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ১০৫ বলে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।২০০৭-এ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১০৪ বলে অর্ধশতরান করেন সৌরভ। সেই নজির ভেঙে ১০৮ বলে ৫০ রান করলেন ধোনি।
ধোনির ইনিংসে ছিল মাত্র একটি বাউন্ডারি। নিজের ইনিংসের ১০৩ তম বলে বাউন্ডারি মারেন তিনি।
এর আগে ১৯৯৯-এ ভারতের সদগোপান রমেশ কেনিয়ার বিরুদ্ধে ১১৭ বলে ৫০ রান করেছিলেন।
ধোনির কেরিয়ারের এটাই সবচেয়ে ঢিমে হাফসেঞ্চুরি। একদিনের ক্রিকেটে ৬৪ তম অর্ধশতক পূর্ণ করতে ধোনি খেলেন ১০৮ টি বল। ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটা দ্বিতীয় সবচেয়ে ধীরগতির অর্ধশতরান।
ভারত ৩৫ থেকে ৪৩ ওভারের মধ্যে মাত্র ২৩ রান তোলে। এরফলে লক্ষ্যে পৌঁছনোটা কঠিন হয়ে পড়ে। ৪৪ তম ওভারে ১৬ রান তুলে চাপ কিছুটা কাটাতে সক্ষম হয় ভারত। কিন্তু লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি।
শেষ পাঁচ ওভারে জয়ের জন্য ভারতের ৩১ রান প্রয়োজন ছিল। তখন ধোনির সঙ্গে ক্রিজে ছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া (২১ বলে ২০ রান)। কিন্তু শেষমেষ ৪৯.৪ ওভারে ১৭৮ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস।
দুর্বল ওয়েস্ট ইন্ডিজ চলতি সিরিজে এর আগে একবারের জন্যও ভারতের কাছে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পারেননি। গতকালের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৯ উইকেটে ১৮৯ রান করে। কিন্তু ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা রান তাড়া করতে নেমে প্রথম থেকেই সুবিধা করতে পারেননি। শুরুতেই আউট হয়ে যান শিখর ধবন ও বিরাট কোহলি। এরপর দীনেশ কার্তিক। চিন উইকেট হারিয়ে চাপের মুখে ইনিংসের হাল ধরেন আজিঙ্কা রাহানে ও ধোনি। কিন্তু চলতে থাকে খুব ধীরগতির ব্যাটিং। দুজনের জুটি অর্ধশতরান যোগ হয়। কিন্তু আউট হয়ে যান রাহানেও। এরপর অন্যপ্রান্তে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকে। শেষপর্যন্ত ধোনি তাঁর স্ট্রাইক রেট বাড়তে পারেননি। ১১৪ বলে ৫৪ রান করেন তিনি।
সেরা ফিনিসার মহেন্দ্র সিংহ ধোনি গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে চলতি সিরিজের চতুর্থ একদিনের ম্যাচে দলের জয় এনে দিতে পারলেন না। ভারতীয় দলের ঢিমে তেতালা ব্যাটিংয়ের কারণেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ গতকাল ১১ রানে সিরিজে সিরিজের লড়াই বজায় রেখেছে।