ঘণ্টাখানেক সঙ্গে সুমন ( ২৫.২.২৬) পর্ব ২: "বাহুবলী-নিয়ন্ত্রণ না করলে কপালে দুঃখ আছে," মন্তব্য সৌগত রায়ের। তিলজলাকাণ্ডে গ্রেফতার অভিযুক্ত
Ghantakhanek Sange Suman: ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে খুন, সাংবাদিককে বেধড়ক মার। ভোটের মুখে হাওড়ায় বেলাগাম দুষ্কৃতীরাজ। ভরা রাস্তায় ব্যবসায়ীকে পরপর গুলি! CC-ক্যামেরায় হাড়হিম করা ছবি। এলাকায় RAF-এর টহলের মধ্যেই এবিপি আনন্দের ওপর হামলা, রক্তাক্ত রিপোর্টার। বিধায়কের বাইকে ব্যাকসিটে খুনি! ভাইরাল ভিডিওয় স্পষ্ট আততায়ী-শাসক যোগ। "বাহুবলী-নিয়ন্ত্রণ না করলে কপালে দুঃখ আছে," মন্তব্য সৌগত রায়ের। তিলজলাকাণ্ডে গ্রেফতার অভিযুক্ত, " এলাকায় দুষ্কৃতীরাজ চলে, আমি নাজেহাল," বলছেন স্বয়ং কাউন্সিলরই। কালীগঞ্জ থেকে ভাঙড়, ভোটের আগে দিকে-দিকে বোমার দাপট।
হাওড়া থেকে বেনিয়াপুকুর--- একের পর এক জায়গায় বেপরোয়া দুষকৃতী-দৌরাত্ম্য়ে, প্রশ্নের মুখে আইনশৃঙ্খলা। এর মধ্য়ে পুলিশের ভূমিকাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে কাঁকুলিয়ার ঘটনা। যেখানে বোমাবাজি-তাণ্ডবের পর ২৪ দিন কেটে গেলেও, মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু
ও বাপি হালদারকে এখনও ছুঁতে পারেনি পুলিশ। পয়লা ফেব্রুয়ারি সন্ধেয় অশান্ত হয়ে উঠেছিল গোলপার্কের কাছে কাঁকুলিয়া রোড। এই ঘটনায় ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তার মধ্যে ১৭ জনই জামিনে ছাড়া পেয়ে গেছে। অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু
তো এই ঘটনার পর ফেসবুক লাইভও করেছিল। অথচ, ঘটনার ২৪ দিন পরও, সে পুলিশের নাগালের বাইরে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, হাওড়ার ঘটনায় যেমন অভিযুক্তর সঙ্গে তৃণমূল বিধায়কের ছবি ভাইরাল হয়েছে, তেমন কাঁকুলিয়ার ঘটনার পর, অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুর
সঙ্গে রাসবিহারীর তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমার এবং তৃণমূল কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছবি সামনে এসেছিল।































