কলকাতা: রাত পেরোলেই গণেশ চতুর্থী। আর এবারের গণেশ চতুর্থী হতে চলেছে এক বিরল উদযাপন। এই চতুর্থীতে তৈরি হবে এই বিরল নক্ষত্র মিলনযোগ। শাস্ত্রমতে, সিদ্ধিদাতা গণেশের পুজো করলে সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি লাভ করা যায়। কথিত রয়েছে, এই দিন শ্রীগণেশ তাঁর ভক্তদের উপর আশীর্বাদ বর্ষানোর জন্য মর্ত্যে আসেন। কোন সময়ে পুজো করলে সিদ্ধিদাতার আশীর্বাদ পাবেন? স্কন্দপুরাণ মতে, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথি হল সিদ্ধিদাতা গণেশের জন্মতিথি। এই দিন আশীর্বাদ দানের উদ্দেশ্যে মর্ত্যে আগমন করেন বলে বিশ্বাস করা হয়।
ভারতবর্ষে অন্যান্য দেবদেবীদের পুজোর আগে বিধিমতে পূজিত হন বিনায়ক। শিব পুরাণের প্রাপ্ত কাহিনী অনুসারে কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থ তিথিতে গণেশের জন্ম। গণেশের কৃপাদৃষ্টি লাভের জন্য শিবপুরাণেই প্রতি বছর এই চতুর্থীতে ব্রত পালন করতে বলা হয়েছে।
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে ২৬ ও ২৭ অগস্ট দুদিনই রয়েছে চতুর্থী তিথি।
চতুর্থী তিথি আরম্ভ হচ্ছে বাংলা তারিখ অনুযায়ী ৯ ভাদ্র, মঙ্গলবার। অন্যদিকে ইংরেজি তারিখ মতে, ২৬ অগস্ট, মঙ্গলবার। সময় হল দুপুর ১টা ৫৬ মিনিট।
চতুর্থী তিথি শেষ হচ্ছে বাংলা তারিখ অনুযায়ী ১০ ভাদ্র, মঙ্গলবার। অন্যদিকে ইংরেজি তারিখ মতে, ২৭ অগস্ট, বুধবার। সময় হল দুপুর ৩টে ৪৫ মিনিট।
গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতেও চতুর্থী তিথি দুদিন রয়েছে।
চতুর্থী তিথি আরম্ভ হচ্ছে বাংলা তারিখ অনুযায়ী ৯ ভাদ্র, মঙ্গলবার। অন্যদিকে ইংরেজি তারিখ মতে, ২৬ অগস্ট, মঙ্গলবার। সময় হল দুপুর ১২টা ৫২ মিনিট ৮ সেকেন্ড।
চতুর্থী তিথি শেষ হচ্ছে বাংলা তারিখ অনুযায়ী ১০ ভাদ্র, মঙ্গলবার। অন্যদিকে ইংরেজি তারিখ মতে, ২৭ অগস্ট, বুধবার। সময় হল দুপুর ২টো ১৮ মিনিট ৩১ সেকেন্ড।
বিশ্বাস করা হয়, এই চতুর্থীতে তৈরি হবে এক বিরল নক্ষত্রমিলন। আর তাতে দারুণ সময় আসবে কয়েকটি রাশির জাতকদের। এবার গ্রহসংযোগের দৃষ্টিকোণ থেকে গণেশ চতুর্থী খুবই স্পেশাল হতে চলেছে। এটি ঘটছে, কারণ, দীর্ঘ ৫০০ বছর পরে এই গণেশ চতুর্থীতে অনেক দুর্লভ ঘটনার সমন্বয় তৈরি হচ্ছে। এবার গণেশ চতুর্থীতে, এমনিতেই নানা যোগ। যেমন, সর্বার্থ সিদ্ধি যোগ, রবি যোগ, প্রীতি যোগ, ইন্দ্রযোগ, ব্রহ্মযোগ ইত্যাদি। এর কারণে বেশ কয়েকটি রাশির ভাগ্য উজ্জ্বল হতে চলেছে।