২০২৫ সালটি শনির গতিতে ও অবস্থানে নানারকম পরিবর্তন আসবে। তার মধ্যে একচি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে ইতিমধ্যেই । গত ২৮ ফেব্রুয়ারি অস্তমিত হয়েছেন শনিদেব। এখনও কুম্ভেই রয়েছেন শনি। এটি তাঁর নিজস্ব রাশি। শনি আরও বেশ কিছু দিন অস্তগামী অবস্থাতেই থাকবে। ৮ই এপ্রিল ফের উদিত হবে শনি। ততদিনে তিনি পৌঁছে যাবেন মীন রাশিতে। কিছু রাশির জন্য শনির অস্ত যাওয়াকে ঝামেলাপূর্ণ সময় বলে মনে করা হয়। কয়েকটি রাশিকে এই সময় ভীষণই সতর্ক থাকতে হবে। একটু ভুলচুকেই মহাবিপদ হতে হতে পারে। শনি অস্ত গিয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি। মোট ৪০ দিন অস্তমিত অবস্থানে থাকবে। এই অবস্থানে ৫ রাশিকে থাকতে হবে চূড়ান্ত সাবধানে।
মেষ রাশি -এই ৪০ দিন মেষ রাশির জাতকদের জন্য ঝামেলাপূর্ণ হতে পারে। মেষ রাশির জাতকদের এই সময়ে খরচে রাশ টানতে হবে। কোনও বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, বয়স্কদের পরামর্শ নিন। প্রবীণদের পরামর্শকে হেলাফেলা নয়। অন্যথায় ভবিষ্যতে সমস্যার শেষ থাকবে না। এই সময় বিনিয়োগ না করই ভাল। করলেও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।
কর্কট রাশি-শনির অস্ত যাওয়ার জন্য কর্কট রাশির জাতক জাতিকারা আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। এই রাশির জাতক জাতিকাদেরও খরচের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে । বড়দের সম্মান করুন । কথাবার্তায় মিষ্টিভাব আনুন। যে কোনও ধরনের বিবাদ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। অন্যথায় নানারকম সমস্যা তৈরি হতে পারে জীবনে।
সিংহ রাশি -এই সময়টি সিংহ রাশির জাতকদের জন্য ঝামেলাপূর্ণ হতে পারে। চাকরিক্ষেত্রে খুব সাবধানে থাকতে হবে। স্বাস্থ্যের বিশেষ যত্ন নিন। কোনওভাবেই অসাবধান হবেন না। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় হতে পারে। তাই আগে থেকেই সঞ্চয় বাড়ান।
বৃশ্চিক রাশি -শনির অস্তমিত অবস্থা বৃশ্চিক রাশির জাতকদের জন্য কঠিন হতে পারে। এই সময়ে বৃশ্চিক রাশির জাতকদের কিছু বড় ক্ষতি হতে পারে। বন্ধুরা বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে । আপনার কাছের কেউ আপনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে। তাই চোখ বন্ধ করে ভরসা করা ঠিক হবে না।
কুম্ভ রাশি -কুম্ভ রাশির জাতকদের জন্য এই সময়টি কঠিন হতে পারে। শনি কুম্ভ রাশিতেই অস্ত গিয়েছে। এই সময়ে খরচ বাড়তে পারে। চাকরিতে সমস্যা তৈরি হতে পারে। খুব সাবধান থাকতে হবে।
ডিসক্লেমার : কোনও রাশির জাতক বা জাতিকার ভাগ্যে কী রয়েছে সেই সংক্রান্ত কোনো মতামত এবিপি লাইভের নেই। এবিপি লাইভ জ্যোতিষ সম্পর্কিত কোনো সম্পাদকীয় / সম্পাদক-নিয়ন্ত্রিত তথ্য, পরামর্শ প্রদান করে না। প্রদত্ত পরামর্শ ও তথ্য প্রয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।