PF Interest: নিজেদের ক্যারিয়ারের মাঝপথে, বিশেষ করে ৪০ বা ৪৫ বছর বয়সে এসে চাকরি ছাড়ার বা ক্যারিয়ার ব্রেক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে অনেকেই পিএফ (Provident Fund) অ্যাকাউন্ট নিয়ে চিন্তায় পড়েন।  নিয়ম অনুসারে, চাকরি না থাকলে কি প্রভিডেন্ট ফান্ডের জমানো টাকায় সুদ পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে?

Continues below advertisement

এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO)-এর নিয়ম অনুযায়ী, চাকরি ছাড়ার পরও আপনার পিএফ অ্যাকাউন্টে সুদ জমা হওয়া বন্ধ হয় না। তবে এর জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ও শর্ত রয়েছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।

চাকরি ছাড়লেও কি ৫৮ বছর পর্যন্ত সুদ মিলবে?হ্যাঁ, আপনি যদি ৪০ বা ৪৫ বছর বয়সে চাকরি ছেড়েও দেন, তবুও আপনার পিএফ অ্যাকাউন্টটি সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় না। আপনার অ্যাকাউন্টে যে টাকা জমা আছে, তার ওপর ৫৮ বছর বয়স পর্যন্ত নিয়মিত সুদ পাওয়া যাবে। এর ফলে চাকরি না থাকা সত্ত্বেও আপনার জমানো তহবিল ধীরে ধীরে বাড়তে থাকবে।

Continues below advertisement

৫৮ বছর বয়সের পর কি সুদ পাওয়া যাবে?ইপিএফও-এর নিয়ম অনুযায়ী, ৫৮ বছর বয়সকে অবসরের বয়স (Retirement Age) হিসেবে ধরা হয়। ৫৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর পিএফ অ্যাকাউন্টে আর কোনো সুদ দেওয়া হয় না। তাই অবসরের বয়স পার হয়ে যাওয়ার পর অ্যাকাউন্টে টাকা ফেলে রাখলে কোনো অতিরিক্ত লাভ হবে না।

চাকরি ছাড়ার পর পিএফ তোলার নিয়ম কী?চাকরি ছাড়ার পর প্রয়োজন অনুযায়ী আপনি পিএফ-এর টাকা ব্যবহার করতে পারেন:

বেকারত্বের সময় আংশিক উত্তোলন: চাকরি চলে গেলে বা বেকার থাকার সময় আপনি পিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা তুলতে পারেন। বাকি টাকা একটি নির্দিষ্ট সময় পরে তোলা যায়।

নতুন চাকরিতে পিএফ ট্রান্সফার: আপনি যদি আবার কোনো নতুন চাকরিতে যোগ দেন, তবে পুরোনো পিএফ অ্যাকাউন্টটি নতুন অ্যাকাউন্টের সাথে লিঙ্ক বা ট্রান্সফার করে নেওয়া সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

সতর্কতা: অ্যাকাউন্ট কখন নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়?চাকরি ছাড়ার পর যদি দীর্ঘ সময় ধরে পিএফ অ্যাকাউন্টে কোনো নতুন টাকা জমা না পড়ে এবং কোনো লেনদেন না হয়, তবে অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় বা 'Inactive' হয়ে যেতে পারে। এই ঝামেলা এড়াতে, নতুন চাকরিতে যোগ দেওয়ার পরপরই পুরোনো পিএফ ব্যালেন্স নতুন অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে নেওয়া উচিত।