BSNL News : জল্পনা চলছিল অনেকদিন ধরেই। অতীতে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিল অনেক কোম্পানি। তাই BSNL-এর বেসরকারিকরণ (BSNL Privatisation) নিয়ে অনেকের মনেই শঙ্কা রয়েছে। এবার সেই জল্পনা জবাব দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সংসদে কোম্পানির প্রাইভেটাইজেশন নিয়ে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Jyotiraditya Scindia)।
BSNL কি বেসরকারিকরণ হচ্ছে ? লোকসভায় বড় ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীররাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম সংস্থা বিএসএনএল (BSNL) কি বিক্রি হয়ে যাচ্ছে ? দীর্ঘদিনের এই জল্পনায় এবার ইতি টানলেন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। বুধবার লোকসভায় তিনি সাফ জানিয়ে দেন, BSNL-কে বেসরকারিকরণ করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। এই সংস্থা দেশের মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার জন্যই কাজ করবে।
প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য, আত্মনির্ভর BSNLএদিন লোকসভায় সিন্ধিয়া জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সরকার BSNL-কে আরও শক্তিশালী করতে হবে। এর টেলিকম পরিষেবাকে আরও উন্নত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার। তিনি বলেন, "BSNL-এর বেসরকারিকরণের কোনও সম্ভাবনাই নেই। এই সংস্থা ভারতবাসীর নিজস্ব সম্পদ, এই সংস্থা সরকারি মালিকানাতেই থাকবে।"
স্বদেশি প্রযুক্তিতে 4G বিপ্লবBSNL-এর ৪জি চালুর বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, সরকারের কাছে দুটি পথ খোলা ছিল। এক কোরিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন বা চিনের মতো দেশ থেকে ৪জি সরঞ্জাম আমদানি করা, অথবা ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তি বা Indigenous Technology ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা। এই ক্ষেত্রে সরকার দ্বিতীয় পথটি বেছে নিয়েছে। যাতে ভারত টেলিকম সেক্টরে 'আত্মনির্ভর' হতে পারে।
কী কারণে সংস্থার উন্নতিতে দেরি ?সংসদে সংস্থার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী জানান, বিশ্বের টেলিকম জায়ান্টদের ওপর নির্ভর না করে দেশীয় প্রযুক্তিতে ৪জি নেটওয়ার্ক তৈরির কারণেই BSNL 4G ছড়িয়ে দিতে কিছুটা সময় লাগছে। কিন্তু এটি দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রে দেশের জন্য লাভজনক হবে।
১৭ বছর পর কিছু লাভের মুখ দেখেছিল BSNL
মনে রাখতে হবে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর কিছু সময় আগেই এক ত্রৈমাসিকে লাভের মুখ দেখেছিল BSNL। এরপর থেকেই রাষ্ট্রায়ত্ত এই কোম্পানির ওপর আরও ভরসা বাড়ে সাধারণ মানুষের। বেসরকারি বড় টেলিকম কোম্পানির ভিড়ে এখনও মোবাইল রিচার্জের কম দাম রেখেছে কোম্পানি। যেকারণে এই কোম্পানির রিচার্জ প্ল্যান নিচ্ছেন গ্রাহকরা। অনেকে বেসরকারি কোম্পানি থেকে সরকারি এই সংস্থার দিকে ঝুঁকেছেন। মূলত, মোবাইলের কম ট্য়ারিফের কারণেই গ্রাহকরা এই দিকে আসছেন।
