Nirmala Sitharaman : দেশের আর্থিক গতি বৃদ্ধি ও দরিদ্র শ্রেণিকে স্বনির্ভর করতে নতুন পন্থা নিলেন অর্থমন্ত্রী। রবিবার সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট (Budget 2026) পেশ করার সময় তিন সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন নির্মলা সীতারামন। দেশের অর্থনীতিকে ত্বরান্বিত করতে ও দরিদ্র মানুষের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে তিনটি প্রধান 'কর্তব্য'-র কথা ঘোষণা করেছেন। 

বাজেট ২০২৬-২৭: অর্থনীতির গতি বাড়াতে নির্মলা সীতারামনের ৩টি 'কর্তব্য' ঘোষণাভারতের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে তিনটি মূল 'কর্তব্য' বা দিশার কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। রবিবার নবমবারের মতো বাজেট পেশ করে তিনি জানান, এই বাজেট 'বিকাশ'-এর সংকল্প নিয়ে তৈরি।

অর্থমন্ত্রীর ঘোষিত ৩টি 'কর্তব্য'১ উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি: ভারতের প্রথম কর্তব্য হল, উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় নিজেদের ক্ষমতা ধরে রেখে অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা। একইসঙ্গে বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতার মধ্যেও ভারতের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা।

২ জনগণের ক্ষমতা বৃদ্ধি: দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা ও তাঁদের দক্ষতাকে এমনভাবে বাড়িয়ে তোলা, যাতে তাঁরা ভারতের সমৃদ্ধির পথে শক্তিশালী অংশীদার হতে পারেন।

৩ 'সবকা সাথ, সবকা বিকাশ': সরকারের তৃতীয় কর্তব্য হল, প্রতিটি পরিবার, সম্প্রদায়, অঞ্চল ও ক্ষেত্র যেন দেশের সম্পদের সমান ভাগ পায়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করা।

ছয়টি বিশেষ ক্ষেত্রে সরকারি হস্তক্ষেপের প্রস্তাবঅর্থনীতির চাকা ঘোরাতে অর্থমন্ত্রী ছয়টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিশেষ জোর দেওয়ার কথা বলেছেন:

উৎপাদন (Manufacturing): কৌশলগত এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রগুলোতে উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো।

পুরানো শিল্প ক্ষেত্র: ঐতিহ্যবাহী শিল্পগুলোকে নতুন করে চাঙ্গা করা।

MSME-র উন্নয়ন: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে বিশ্বমানের করে গড়ে তোলা।

পরিকাঠামো: পরিকাঠামো উন্নয়নে শক্তিশালী গতি আনা।

স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা: দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

শহর ভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চল: শহরগুলিকে কেন্দ্র করে নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা।

এদিন অর্থমন্ত্রী বলেছেন, "নতুন প্রযুক্তি উৎপাদন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনছে। এর ফলে জল, শক্তি এবং খনিজ পদার্থের চাহিদা বহুগুণ বাড়ছে। ভারত অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মাধ্যমেই 'বিকশিত ভারত'-এর লক্ষ্যে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাবে।"