Pakistan Economy : ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আগেই মূল্যবৃদ্ধির আগুনে পুড়ছে পাকিস্তান (Pakistan Crisis)। খাবারের জিনিসে হাত দিলেই ছ্যাঁকা খাচ্ছে দেশবাসী। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, প্রকাশ্য়েই মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে মুখ খুলছে জনতা।
এখন কী অবস্থা হয়েছে পাকিস্তানের মূল্যবৃদ্ধিরপ্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে আজ মূল্যস্ফীতি চরম আকার ধারণ করেছে। খাদ্যদ্রব্যের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। মানুষের বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। আটা-চাল থেকে শুরু করে টমেটো-পেঁয়াজের দাম এখন আকাশ ছোঁয়া, যার ফলে চারিদিকে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। ভারতে 5 কেজি আটার প্যাকেট সাধারণত 250 টাকায় পাওয়া যায়, পাকিস্তানে এর দাম 608 পাকিস্তানি রুপি।
কত দামে ডিম বিক্রি হচ্ছে জানেনসানরিজ পাকিস্তানের ওয়েবসাইট অনুসারে, এখানে 1 কেজি ছোলার ডালের দাম 380 টাকা। যেখানে 1 লিটার রান্নার তেলের প্যাকেটের দাম 500 টাকার বেশি। এখানে এক কেজি বেসনের দাম 195 টাকা, এক কেজি চিনি পাওয়া যাচ্ছে 175 টাকায়। পাকিস্তানে প্রতি লিটার দুধের দাম প্রায় 140-150 টাকা। পাকিস্তানে, ছয়টি ডিমের প্যাকেটের দাম প্রায় 145 টাকা। একই সময়ে, 30টি ডিমের ক্রেটের দাম 850-920 টাকা।
আপেলের দাম ৫০০ টাকা ছাড়িয়েছেআমরা যদি ফলের কথা বলি, ভারতে আপেলের দাম প্রতি কেজি 250 টাকা। পাকিস্তানে আপেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০০ টাকার বেশি। দিল্লিতে টমেটোর দাম প্রায় 30-40 টাকা, পাকিস্তানে আপনাকে এক কেজি টমেটোর জন্য প্রায় 80 টাকা দিতে হবে।
ঋণের ভারে ডুবেছে পাকিস্তানপাকিস্তানের সাম্প্রতিক বছরগুলির দিকে তাকালে দেখা যাবে, সেখানে মুদ্রাস্ফীতির হার 25-30 শতাংশের মধ্যে রয়েছে। 125 বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ঋণে ভারাক্রান্ত পাকিস্তানকে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ সুদ দিতে হয়। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও গত সপ্তাহে ১৫.৪৩৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। পরিস্থিতি এমন যে, পাকিস্তানের জন্য এখন আমদানি করা কঠিন হয়ে পড়ছে। আইএমএফের ত্রাণ প্যাকেজের ভিত্তিতে চলছে দেশ। বিশ্বব্যাঙ্কের রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানের জনসংখ্যার ৩৯.৪ শতাংশ দারিদ্র্যসীমার নীচে রয়েছে।
কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর জঙ্গি হামলার বদলা নিতে প্রস্তুত ভারত। পাকিস্তানের দিকেই উঠেছে অভিযোগের তির। ইতিমধ্যেই জঙ্গি হামলার জন্য পাকিস্তানকে কাঠগড়ায় তুলেছে ভারত। দুই দেশের মধ্যে তৈরি হয়েছে যুদ্ধের আবহ। যদিও ভারতের আক্রমণের আগেই ধস নেমে গেছে পাকিস্তানের অর্থনীতিতে (Pakistan Economy Crashed )। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, শেয়ার বাজার থেকে দ্রুত সরে আসছে বিনিয়োগকারীরা। আন্তর্জাতিক সংস্থাও আর্থিক রেটিং কমিয়েছে পাকিস্তান থেকে।