কলকাতা : সামনেই ধনতেরস ও দীপাবলি। তার আগে সোনা ও রুপো কেনার পরিকল্পনা করছেন অনেকেই। কিন্তু গয়না কেনার আগে রোজ আপনার শহরে  নজর রাখা জরুরি প্রতিদিনের বাজারদরের উপর। কলকাতার স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটি প্রতিদিন সোনার দাম প্রকাশ করে। আজ অর্থাৎ ২ নভেম্বরের দাম দেখলে সকলের মুখে হাসি ফুটবেই।  ২ নভেম্বর সোনা ও রুপোর দাম কমেছে।  ২২ ক্যারেট ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম যেমন আগের তুলনায় কমেছে, তেমনই কমেছে ৯৯৫ বিশুদ্ধতার ফাইন গোল্ড এবং এক কেজি রুপোর বারের দামও। 

Continues below advertisement

৩১ অক্টোবর কলকাতায় ২২ ক্যারেট বা ৯১৬ বিশুদ্ধতার সোনার বিক্রির দর ছিল প্রতি গ্রামে ১৩,০৬৫ টাকা। ২ নভেম্বর সেই দাম কমে হয়েছে ১৩,০৫০ টাকা। অর্থাৎ, দু’দিনের মধ্যে প্রতি গ্রামে দাম কমেছে ১৫ টাকা। অর্থাৎ  ১০ গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনা কিনতে ৩১ অক্টোবরের তুলনায় ২ নভেম্বর খরচ কমবে ১৫০ টাকা। এই সোনা দিয়েই মূলত গয়না তৈরি হয়। 

শুধু ২২ ক্যারেট নয়, ১৮ ক্যারেট সোনার দামও কমেছে। ৩১ অক্টোবর প্রতি গ্রাম ১৮ ক্যারেট সোনার দর ছিল ১০,৭২৫ টাকা। ২ নভেম্বর তা কমে দাঁড়িয়েছে ১০,৭১০ টাকা। অর্থাৎ, প্রতি গ্রামে ১৫ টাকা কমেছে দাম। ১০ গ্রাম সোনার হিসাবে এই ব্যবধান ১৫০ টাকা। 

Continues below advertisement

১৮ ক্যারেট ও ২২ ক্যারেট সোনার বিশুদ্ধতা এক নয়। ১৮ ক্যারেট সোনায় খাঁটি সোনার পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকে। তাই এই দুই ধরনের সোনার দামের তুলনা করার সময় ক্যারেটের পার্থক্য মাথায় রাখা জরুরি। তবে ১৮ ক্যারেট সোনা ব্যবহার হয় হিরে বা পাথম সেটিংয়ের গয়না তৈরির জন্য। 

স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটির তালিকা অনুসারে  ৯৯৫ বিশুদ্ধতার ফাইন গোল্ডের দামও কমেছে । ৩১ অক্টোবর প্রতি গ্রামের দর ছিল ১৩,৭৫১ টাকা। ২ নভেম্বর তা কমে হয়েছে ১৩,৭৩৪ টাকা। অর্থাৎ, প্রতি গ্রামে ১৭ টাকা কমেছে দাম। ১০ গ্রামের হিসাবে এই পতনের পরিমাণ ১৭০ টাকা। তবে এই দামকে সরাসরি গয়নার চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্য হিসেবে ধরা যাবে না। এর সঙ্গে যুক্ত হয় জিএসসটি ও গয়নার মেকিং চার্জ। 

সোনার পাশাপাশি রুপোর দরেও পরিবর্তন হয়েছে। ৩১ অক্টোবর এক কেজি ৯৯৯ বিশুদ্ধতার রুপোর বারের দাম ছিল ১,৮২,০৭৪ টাকা। ২ নভেম্বর সেই দাম কমে হয়েছে ১,৮১,৯৬১ টাকা। অর্থাৎ, এক কেজি রুপোর বারে দাম কমেছে ১১৩ টাকা। যাঁরা রুপোর বার বা বেশি পরিমাণে রুপো কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের জন্য এই পরিবর্তন নজরে পড়ার মতোই। তবে খুচরো রুপোর গয়না বা অন্য সামগ্রী কেনার ক্ষেত্রে মজুরি ও অন্যান্য খরচের কারণে দাম আলাদা হতে পারে।