সোনার দাম বদলায়  প্রতিদিনই। কোনও দিন কম, কোনও দিন বেশি। কিছুদিন আগে ১০ গ্রাম সোনার দাম ১ লাখ ৮০০০০ পেরিয়ে গিয়েছিল। তবে তার পর ধাপে ধাপে কমেছে দাম। এবার অনেকটাই নীচে নেমে এসেছে সোনা। জেনে নিন, আজ রাজ্যের বাজারে কত হয়েছে সোনার দর (West Bengal Gold Rate)। 

আজ ৩১ মার্চ মঙ্গলবার ২০২৬-এর সোনার দাম

সোনাওজনদাম (টাকায়)
২৪ ক্যারেট (Fine Gold 995)১ গ্রাম১৪৭০০
২২ ক্যারেট [916] (কিনতে গেলে)১ গ্রাম ১৩৯৬৫
২২ ক্যারেট (বেচতে গেলে)১ গ্রাম১৩৩৭৭
১৮ ক্যারেট [750] (কিনতে গেলে)১ গ্রাম১১৪৬৬
রুপো বার (999)১ কেজি২৩২৭১৩

একটা বিষয় মনে রাখবেন: ৩ শতাংশ জিএসটি বাদ দিয়ে উপরের দাম । অর্থাৎ কিনতে গেলে বা বিক্রি করতে গেলে ৩ শতাংশ জিএসটিও মূল দামের সঙ্গে যুক্ত হবে। তথ্যসূত্র - SSBC               

*১৯৯৩ সালে তৈরি হয় স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটি (SSBC)। গোটা রাজ্যেই কার্যকর এই সংগঠন। স্বর্ণশিল্পী এবং স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের নিয়ে এই সংগঠনের কার্যকলাপ। বর্তমানে এর কার্যনির্বাহী সভাপতি সমর কুমার দে।  

আজ ৩০ মার্চ সোমবার ২০২৬-এর সোনার দাম

সোনাওজনদাম (টাকায়)
২৪ ক্যারেট (Fine Gold 995)১ গ্রাম১৪৪১২
২২ ক্যারেট [916] (কিনতে গেলে)১ গ্রাম ১৩৬৯০
২২ ক্যারেট (বেচতে গেলে)১ গ্রাম১৩১১৪
১৮ ক্যারেট [750] (কিনতে গেলে)১ গ্রাম১১২৪০
রুপো বার (999)১ কেজি২,৩০,১৮৮

গয়নার সোনা কেনার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা খুবই জরুরি, কারণ এটি শুধু অলংকার নয়, এক ধরনের বিনিয়োগও। সবার আগে খেয়াল রাখতে হবে সোনায় BIS হলমার্ক আছে কিনা। এই হলমার্কই প্রমাণ করে যে সোনার বিশুদ্ধতা সরকারি মান অনুযায়ী পরীক্ষিত। হলমার্কে সাধারণত BIS লোগো, ক্যারেটের মান (যেমন ২২ ক্যারেট বা ১৮ ক্যারেট) এবং একটি ইউনিক আইডি নম্বর থাকে।

সোনা কেনার সময় ক্যারেট সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন। ২৪ ক্যারেট সোনা সবচেয়ে বিশুদ্ধ হলেও তা খুব নরম হওয়ায় গয়না তৈরির জন্য উপযুক্ত নয়। সাধারণত ২২ ক্যারেট সোনা গয়নার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়, কারণ এতে শক্তি ও বিশুদ্ধতার সঠিক সমন্বয় থাকে। আবার ডায়মন্ড বা বিশেষ ডিজাইনের গয়নার ক্ষেত্রে ১৮ বা ১৪ ক্যারেট সোনা ব্যবহার করা হয়।

এছাড়াও, সোনার দামের পাশাপাশি মেকিং চার্জ সম্পর্কে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দোকানভেদে এই চার্জ ভিন্ন হয় এবং অনেক সময় মোট দামের একটি বড় অংশ হয়ে দাঁড়ায়। তাই কেনার আগে মেকিং চার্জ সম্পর্কে জেনে নেওয়া এবং দরদাম করা বুদ্ধিমানের কাজ। একই সঙ্গে অবশ্যই পাকা বিল নেওয়া উচিত, যেখানে সোনার ওজন, ক্যারেট, মেকিং চার্জ এবং করের পরিমাণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।

সোনা কেনার সময় দোকানের বাই-ব্যাক বা এক্সচেঞ্জ নীতি সম্পর্কেও জানা প্রয়োজন। ভবিষ্যতে যদি গয়না বিক্রি বা বদল করতে চান, তাহলে এই নীতিই কাজে লাগবে। ভালো দোকান সাধারণত সোনার একটি বড় অংশের মূল্য ফেরত দেয়। পাশাপাশি, গয়নার ওজন ঠিক আছে কিনা তা নিজে চোখে দেখে নেওয়া উচিত এবং যদি পাথর বা অন্য কিছু যুক্ত থাকে, তবে তার ওজন আলাদা করে হিসাব করা দরকার।