পার্থপ্রতিম ঘোষ, কলকাতা :  ইরান বনাম আমেরিকা-ইজয়ায়েল যুদ্ধ হচ্ছে, আর তার প্রভাবে ভারতে আকাল দেখা দিয়েছে LPG এবং CNG-র। মিলছে না ঘরোয়া গ্য়াস, কমার্শিয়াল গ্যাস। গ্যাসের ডিস্ট্রিবিউটারদের অফিসের বাইরে লম্বা লাইন পড়ছে রোজ। ইরান বনাম ইজরায়েল এবং আমেরিকার যুদ্ধের মধ্য়েই বাড়ানো হয়েছে রান্নার গ্য়াসের দাম। ঘরে ঘরে অভিযোগ, গ্যাস নেই ! বুকিং করা যাচ্ছে না। রাজ্যে সিলিন্ডারের আকাল আটকাতে বড় পদক্ষেপ করল কলকাতা পুলিশ। গ্যাস সঙ্কটের মধ্যেই কালোবাজারি রুখতে সতর্ক লালবাজার। আনল নতুন নিয়ম। 

Continues below advertisement

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে সারা দেশ জুড়েই এলপিজি সরবরাহে দেখা দিয়েছে সঙ্কট। বিশেষত বাণিজ্যিক সিলিন্ডার পেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে  ব্যবসায়ীদের। ঘরের সিলিন্ডার বুক করতেও সমস্যা তৈরি হচ্ছে।  পশ্চিমবঙ্গেও গ্যাস ও অটোর এলপিজির সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে কলকাতার সব থানাকে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠিয়েছে লালবাজার।

থানার ওসিদের কাছে পৌঁছে গেছে নির্দেশিকা। গ্যাসের সঙ্কটের জন্য ডিস্ট্রিবিউটারদের অফিসে লম্বা লাইন পড়ছে গ্রাহকদের। পেট্রোলপাম্প গুলোতেও অটোর এলপিজির জন্য ভোর থেকে লাইন পড়ছে চালকদের। সব ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে থানাগুলোকে নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও গ্যাসের কালোবাজারি ও ঘরোয়া সিলিন্ডারকে কমার্শিয়াল কাজে ব্যবহার রুখতেও সতর্ক থাকা ও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ ব্যারাকগুলোতে গ্যাস সিলিন্ডারের বদলে ইন্ডাকশন, মাইক্রোওয়েভের মতো বিকল্প কিছু ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।  

Continues below advertisement