Online Gaming Company: ভারতে অনলাইন গেমিং আইন চালু হওয়ার পরে অনেক সংস্থাকেই তাদের ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হয়েছে। অন্যদিকে কিছু কিছু সংস্থা তাদের ব্যবসায়িক মডেলে বড় পরিবর্তন এনেছে। এমনই একটি অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হল জুপি। ইতিমধ্যেই এই সংস্থায় (Layoff News) ১৭০ জন কর্মী ছাঁটাই হয়ে গিয়েছে যা সংস্থার মোট কর্মীসংখ্যার ৩০ শতাংশ। পরে আরও ছাঁটাই হতে পারে এই আশঙ্কা রয়েছে। এর পাশাপাশি গেমস ২৪×৭ নামের (Online Gaming Company) আরেকটি অনলাইন গেমিং সংস্থা প্রায় ৫০০ জন কর্মী ছাঁটাই করেছে বলে জানা গিয়েছে ভারতে। ফলে পুজোর আগেই আশঙ্কার মধ্যে এই দুই সংস্থার কর্মীরা।
ভারতের নতুন অনলাইন গেমিং প্রচার ও নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৫-এর অধীনে এই সংস্থাগুলি নিজেদের আমূল বদলে ফেলতে চাইছে বলেই জানা গিয়েছে। নিজেদের ব্যবসায়িক মডেলটিকে অভিযোজিত করছে এই দুই সংস্থা। জুপির তরফ থেকে জানানো হয়েছে তারা এখন সোশ্যাল গেম ও গেমিং কালচারের উপর শর্ট ভিডিয়ো কন্টেন্টের দিকে মনোযোগ দেবে। তারা বিশ্বাস করে যে এই পদক্ষেপ আগামী দিনে ব্যবসাকে আরও প্রসারিত করবে। ছাঁটাইয়ের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের জন্য জুপি একটি দারুণ কম্পেনসেশন প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, এর মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড নোটিশের পাশাপাশি কত বছর চাকরি করেছেন কর্মীরা সেই অনুযায়ী আর্থিক সহায়তাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কিছু কিছু কর্মীকে ৬ মাস পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ছাঁটাইয়ের ফলে যে সব কর্মীর চাকরি গিয়েছে তারা পুরো মেয়াদের জন্যই স্বাস্থ্যবিমা পাবেন। এছাড়াও তাদের অতিরিক্ত সহায়তা প্রদান করা হবে এবং সেই জন্য ১ কোটি টাকার একটি মেডিকেল ফান্ড তৈরি করা হবে।
অন্যদিকে ডিজিটাল গেমিং ফার্ম গেমস ২৪×৭ সংস্থা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তাদের ৭০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করা হবে। এর ফলে সংস্থার ৫০০ জনেরও বেশি কর্মী কাজ হারাতে চলেছেন। পরে আরও কর্মী কাজ হারাতে পারেন এমন আশঙ্কার মেঘ সংস্থার অন্য কর্মীদের মনে। তথ্য অনুসারে বর্তমানে সংস্থায় প্রায় ৭০০ থেকে ৭৫০ জন কর্মী কাজ করছেন। ভারত সরকারের নতুন অনলাইন গেমিং আইনের কারণে তাদের রিয়েল মানি গেমিং ব্যবসা চিরতরে বন্ধ করে দিতে হয়েছে আর এর ফলে সংস্থার মুনাফাও ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছে। এই আইনের নিরিখে অনলাইন গেমিং সংস্থা ড্রিম ১১-ও মুহূর্তেই তাদের রিয়েল মানি গেমিং পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে।