Patanjali, ভারতীয় FMCG ক্ষেত্রের একটি সুপরিচিত নাম, আবারও বিশ্ব মঞ্চে তার গুণমান এবং বিশুদ্ধতা প্রমাণ করেছে বলে দাবি সংস্থার। Patanjali-র মধু নিয়ে একটি বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক গবেষণা বিশ্বখ্যাত এলসেভিয়ার প্রকাশনার 'Applied Food Research' নামক বিখ্যাত গবেষণা জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। এই সাফল্য শুধু প্রতিষ্ঠানের জন্য নয়, দেশের খাদ্য শিল্পের জন্যও গর্বের বিষয়, বলছে সংস্থাটি। 

Continues below advertisement

ভেজাল-এর বিরুদ্ধে এক বড় জয়

এই উপলক্ষে আচার্য বালকৃষ্ণ বলেছেন যে, ভেজালের বিষ থেকে দেশকে বাঁচানোই পতঞ্জলির প্রধান উদ্দেশ্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, আন্তর্জাতিক স্তরে প্রায়ই ভারতীয় পণ্যগুলিকে সন্দেহের চোখে দেখা হয়, তবে এই গবেষণা প্রমাণ করেছে যে ভারতেও বিশ্বমানের গবেষণা এবং বিশুদ্ধ পণ্য তৈরি করা সম্ভব।

Continues below advertisement

মধু কঠোর বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ

পতঞ্জলির শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী ডঃ অনুরাগ বর্ষণেয়-এর মতে, এই গবেষণায় পতঞ্জলির মধুর ২৫টি ভিন্ন ব্যাচ পরীক্ষা করা হয়েছিল। এর জন্য HPLC, HPTLC, এবং UHPLC-এর মতো উন্নত বৈজ্ঞানিক কৌশল ব্যবহার করা হয়েছিল। গবেষণার প্রধান ফলাফলগুলি নিম্নরূপ:

  • সমস্ত ব্যাচ ভারতীয় খাদ্য সুরক্ষা ও মান কর্তৃপক্ষ (FSSAI) দ্বারা নির্ধারিত মানদণ্ড সম্পূর্ণরূপে পূরণ করেছে।
  • মধুতে কোনও বাইরের চিনি, সিন্থেটিক সিরাপ বা ক্ষতিকারক রাসায়নিক অবশিষ্টাংশ পাওয়া যায়নি।
  • বিভিন্ন ব্যাচের মধ্যে গুণমানের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সামঞ্জস্য দেখা গেছে, যা প্রতিষ্ঠানের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রতিফলন।

ভবিষ্যতের প্রতি অঙ্গীকার

আচার্য বালকৃষ্ণ স্পষ্ট করেছেন যে, কাঁচামাল সংগ্রহ থেকে শুরু করে চূড়ান্ত প্যাকেজিং পর্যন্ত, পতঞ্জলির সরবরাহ শৃঙ্খল অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং সুরক্ষিত। প্রতিষ্ঠানটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী গবেষণা চালিয়ে যাবে, যাতে সাধারণ মানুষ বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত এবং নিরাপদ পণ্য পেতে থাকে।

পতঞ্জলির দাবি, তাদের মধু 'অ্যাপ্লাইড ফুড রিসার্চ'-এ পরীক্ষিত। HPLC পরীক্ষায় ভেজাল পাওয়া যায়নি, FSSAI মান পূরণ করে। 

 

ডিসক্লেমার - প্রতিবেদনটি  সংস্থার বক্তব্য ও দাবি অনুসারে উল্লেখিত হয়েছে। মেনে চলবেন কি না, তা বিচার-বিবেচনা করুন ও প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।