Retirement Plan : আপনিও এরকম জীবনযাপন করতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে ৪০ বছরেই নিতে পারেন অবসর (Best Retirement Plan)। জানেন, মাসে ৫০,০০০ টাকা (Money) আয়ের জন্য কত টাকা জমাতে হবে আপনাকে ? এখানে রইল সেই অর্থ লাভের সূত্র।

Continues below advertisement

৬০ বছরেই আগেই ৪০-এ অবসর, কীভাবে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী৪০ বছর বয়সে অবসর নিয়ে যদি একজন ব্যক্তি ৮০ বছর পর্যন্ত বাঁচেন, তবে তাঁর হাতে আরও ৪৮০ মাসের খরচ থাকতে হবে। তবে শুধু ৫০ হাজারকে ৪৮০ দিয়ে গুণ করলে চলবে না। কারণ এরমধ্য়ে লুকিয়ে থাকে মুদ্রাস্ফীতি (Inflation)। আজকের ৫০ হাজার টাকার ক্রয়ক্ষমতা আগামী ২০ বছর পর অনেক কমে যাবে। তাই এমন একটি তহবিল তৈরি করতে হবে যা থেকে নিয়মিত আয়ও আসবে, আবার মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তেও থাকবে। সেই ক্ষেত্রে কী করা উচিত।

অবসরের পর কোন সূত্র মানতে হবে আপনার মোট জমানো টাকার ৪% যদি বার্ষিক খরচ হয়, তবে সেই সঞ্চয় অনেক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

Continues below advertisement

৪ শতাংশের নিয়ম অনুযায়ী এগোলে: বছরে ৬ লক্ষ টাকা (মাসে ৫০ হাজার) খরচের জন্য প্রয়োজন ১.৫ কোটি টাকার ফান্ড।

৩ শতাংশের নিয়ম অনুযায়ী এগোলে : ভারতে মুদ্রাস্ফীতি বেশি হওয়ায় বিশেষজ্ঞরা ৩% নিয়ম মানার পরামর্শ দেন। এক্ষেত্রে প্রয়োজন অন্তত ২ কোটি টাকার ফান্ড।

কীভাবে সাজাবেন আপনার বিনিয়োগের পোর্টফোলিও ?শুধুমাত্র টাকা জমিয়ে রাখলেই হবে না, সেটিকে কৌশলগতভাবে বিনিয়োগ করতে হবে। ২ কোটি টাকার একটি আদর্শ পোর্টফোলিও কেমন হতে পারে ?     

বাজারের পতন সামলাবেন কীভাবে? 'বাকেট স্ট্র্যাটেজি'শেয়ার বাজার সবসময় একরকম থাকে না। ২০০৮ বা ২০২০ সালের মতো ধস নামলে আপনার জমানো টাকা কমে যেতে পারে। এই ঝুঁকি এড়াতে বিশেষজ্ঞরা 'বাকেট স্ট্র্যাটেজি' (Bucket Strategy) ব্যবহারের পরামর্শ দেন:

১. প্রথম বাকেট: এখানে ২-৩ বছরের খরচের টাকা (১২-১৮ লক্ষ) ফিক্সড ডিপোজিট বা লিকুইড ফান্ডে রাখুন।২. দ্বিতীয় বাকেট: পরবর্তী ৪-৭ বছরের খরচের টাকা ডেট ফান্ডে বিনিয়োগ করুন।৩. তৃতীয় বাকেট: বাকি টাকা ইক্যুইটিতে দীর্ঘমেয়াদি বৃদ্ধির জন্য ছেড়ে দিন।

বাজার যখন খারাপ থাকবে, তখন ইক্যুইটি থেকে টাকা না তুলে প্রথম ও দ্বিতীয় বাকেট থেকে খরচ চালান। বাজার চাঙ্গা হলে আবার ইক্যুইটির লাভ দিয়ে অন্য বাকেটগুলো পূর্ণ করুন।