Share Market Crash : সপ্তাহের শুরুতেই বড় ধস নামল বাজারে (Indian Stock Market)। সোমবারের লেনদেন শুরুতেই ইক্যুইটি বেঞ্চমার্কগুলি দুর্বল অবস্থানে চলে গেছে। বিশ্ববাজারগুলি ইতিবাচক গতি দেখালেও এই পতন দেখল ভারতের শেয়ার বাজার (Stock Market Crash)।
কতটা পড়েছে বাজারবিএসই সেনসেক্স সূচকটি নেতিবাচক প্রবণতা নিয়ে প্রায় অপরিবর্তিত অবস্থায় খোলে। যদিও পড়ে দ্রুত পতন বাড়িয়ে এই সূচক ৮৩,২২৮-এ লেনদেন হতে থাকে, যা ৩৪৬ পয়েন্ট বা ০.৪২ শতাংশ কম। একইভাবে, নিফটি সূচকটি ২৫,৫৮২-তে ছিল, যা ১০১ পয়েন্ট বা ০.৩৯ শতাংশ কমে যায়।
কোন স্টতকগুলিতে পতনএদিন এলঅ্যান্ডটি, পাওয়ার গ্রিড, আরআইএল, আদানি পোর্টস, এটার্নাল, বিইএল, ভারতী এয়ারটেল, ইনফোসিস, আলট্রাটেক সিমেন্ট, আইসিআইসিআই ব্যাংক, টেক এম, বাজাজ ফিনসার্ভ এবং ইন্ডিগো ছিল সেনসেক্সের শীর্ষ লোকসানকারী শেয়ার, যেগুলোর দর ১ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।
অন্যদিকে, এইচইউএল, আইটিসি এবং অ্যাক্সিস ব্যাংক ছিল একমাত্র লাভজনক শেয়ার।বিস্তৃত বাজারে, নিফটি মিডক্যাপ সূচক ১ শতাংশ এবং নিফটি স্মলক্যাপ সূচক ১.৫ শতাংশ কমেছে। বিভিন্ন খাতের মধ্যে, নিফটি রিয়েলটি সূচক ১.৬ শতাংশ, নিফটি ফার্মা সূচক ০.৯৭ শতাংশ, নিফটি অটো সূচক ০.৬ শতাংশ এবং নিফটি আইটি ও ব্যাংক সূচক প্রতিটি ০.৫ শতাংশ কমেছে।
মার্কিন বাজারে লেনদেনশুক্রবার, ৯ই জানুয়ারি মার্কিন শেয়ারবাজারের প্রধান সূচকগুলো ঊর্ধ্বমুখী ধারায় বন্ধ হয়েছে। তিনটি প্রধান সূচকই রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ০.৬৫% বৃদ্ধি পেয়ে ৬,৯৬৬.২৮-এ বন্ধ হয়েছে, যা এর সর্বকালের সর্বোচ্চ ইন্ট্রাডে উচ্চতা। নাসডাক কম্পোজিট সূচক ০.৮১% বৃদ্ধি পেয়ে ২৩,৬৭১.৩৫-এ পৌঁছেছে, অন্যদিকে ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ ২৩৭.৯৬ পয়েন্ট বা ০.৪৮% বৃদ্ধি পেয়ে ৪৯,৫০৪.০৭-এর নতুন রেকর্ড উচ্চতায় বন্ধ হয়েছে।
মার্কিন ডলারের কী অবস্থাসোমবার সকালে মার্কিন ডলার সূচক (DXY) ০.০১ শতাংশ কমেছে, যা এক মাসের সর্বোচ্চ স্তর থেকে নেমে ৯৯.১৩-তে দাঁড়িয়েছে। এর আগে ৯ই জানুয়ারি, ডলারের বিপরীতে রুপির মান ০.১৪ শতাংশ শক্তিশালী হয়ে ৯০.১৭-তে বন্ধ হয়েছিল। এই সূচকটি বাস্কেটের অন্যান্য প্রধান মুদ্রাগুলোর (ব্রিটিশ পাউন্ড, ইউরো, সুইডিশ ক্রোনা, জাপানি ইয়েন এবং সুইস ফ্রাঙ্ক) বিপরীতে মার্কিন ডলারের শক্তি বা দুর্বলতা পরিমাপ করে।
অপরিশোধিত তেলের দাম কোথায় দাঁড়িয়েছেইরানে তীব্র বিক্ষোভের মধ্যে সোমবার তেলের দাম মূলত স্থিতিশীল ছিল। বিনিয়োগকারীরা ওপেক সদস্য ইরান এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ভেনিজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্নের দিকে নজর রাখছিল। শুক্রবারের প্রথম দিকে লেনদেনে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছিল, যেখানে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ডব্লিউটিআই ০.৪৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেল প্রতি ৫৯.৪১ ডলারে পৌঁছেছিল, অন্যদিকে ব্রেন্ট ক্রুড ০.৪১ শতাংশ বেশি দামে ব্যারেল প্রতি প্রায় ৬৩.৬২ ডলারে লেনদেন হতে দেখা গেছে।
( মনে রাখবেন : এখানে প্রদত্ত তথ্য শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। এখানে উল্লেখ করা জরুরি যে, বাজারে বিনিয়োগ করা ঝুঁকি সাপেক্ষ। বিনিয়োগকারী হিসাবে অর্থ বিনিয়োগ করার আগে সর্বদা একজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন। ABPLive.com কখনও কাউকে এখানে অর্থ বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেয় না। এখানে কেবল শিক্ষার উদ্দেশ্যে এই শেয়ার মার্কেট সম্পর্কিত খবর দেওয়া হয়। কোনও শেয়ার সম্পর্কে আমরা কল বা টিপ দিই না। )