Continues below advertisement

Indias GDP Growth : মোদি সরকারের আর্থিক নীতির (Indian Economy) ওপর আস্থা রাখল বিশ্বব্যাঙ্ক (World Bank)। ভারত সম্পর্কে অতীতের জিডিপি বৃদ্ধির (Indias GDP Growth) পূর্বাভাসের অনুমান বৃদ্ধি করেছে ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক। যা দেশের আর্তিক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সুখবর।   

কী বার্তা দিয়েছে বিশ্বব্যাঙ্কভারতের শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও কর সংস্কারের প্রভাবের কথা উল্লেখ করে চলতি অর্থবছরের জন্য ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.২ শতাংশ করেছে বিশ্বব্যাঙ্ক। এটি জুনের অনুমানের চেয়ে ০.৯ শতাংশ বেশি। বিশ্বব্যাঙ্ক তাদের মেন রিপোর্ট ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস’-এ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

Continues below advertisement

জিডিপি বৃদ্ধি বাড়বে বিশ্বব্যাঙ্কের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ সালে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৬.৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে। এই অনুমানটি এই ধারণার উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে যে, ভারত থেকে আমদানির উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত ৫০ শতাংশ শুল্ক ওই সময়কালে কার্যকর থাকবে। তা সত্ত্বেও বিশ্বব্যাঙ্ক বলেছে, ভারত বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর মধ্যে দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে উঠে আসবে।

আরও কী বার্তা বিশ্ব ব্যাঙ্কেরবিশ্বব্যাঙ্ক বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কিছু পণ্যের রপ্তানির উপর উচ্চ শুল্ক থাকা সত্ত্বেও জুনের তুলনায় বৃদ্ধির পূর্বাভাস অপরিবর্তিত রয়েছে। এর প্রধান কারণ হল, শুল্কের প্রতিকূল প্রভাব শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং অন্যান্য বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে পূরণ হয়েছে। ভারতের মোট পণ্য রপ্তানির প্রায় ১২ শতাংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হয়ে থাকে।

অভ্যন্তরীণ চাহিদা শক্তিশালী হয়েছেপ্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৬.৬ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা শক্তিশালী পরিষেবা খাতের কার্যকলাপ, রপ্তানির উন্নতি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্য়মে হবে।

ভারতের বৃদ্ধির হার ৭.২ শতাংশ হবে

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বিশ্বব্যাঙ্ক বলেছে, ভারতের বৃদ্ধির হার ৭.২ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে, কারণ অভ্যন্তরীণ চাহিদা শক্তিশালী রয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে, এটি শক্তিশালী ব্যক্তিগত ভোগকে প্রতিফলিত করে, যা সাম্প্রতিক কর সংস্কার এবং গ্রামীণ এলাকার পরিবারগুলোর প্রকৃত আয় বৃদ্ধির দ্বারা সমর্থিত। উল্লেখ্য, জুনে বিশ্বব্যাঙ্ক ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৬.৩ শতাংশ হবে বলে অনুমান করেছিল, যা এখন বাডা়নো হয়েছে।

তবে শুধু বিশ্বব্যাঙ্ক নয়। ভারতের অর্থনীতির ওপর আস্থা রেখেছে খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক আর্থিক রেটিং এজেন্সি। ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে 'ডেড ইকোনমি' বললেও তারা যে ভারতে আস্থা রাখছে ,তা বুঝিয়ে দিয়েছে এজেন্সিগুলি।