হায়দরাবাদ: দশেরায় নাবালিকাকে গণধর্ষণ। ভয়ঙ্কর ঘটনা তেলঙ্গানায়। সাত জন মিলে নাবালিকাকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ, যার মধ্যে তিন জন আবার নাবালক। এই ঘটনায় পকসো আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। পর পর নারী নির্যাতনের ঘটনা যেভাবে সামনে আসছে, তাতে এই ঘটনা নয়া সংযোজন। (POCSO Case)

Continues below advertisement

তেলঙ্গানার সিদ্দিপেট জেলা থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। ১৫ বছর বয়সি কিশোরীকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, দশেরার দিন এই ঘটনা ঘটে। নাবালিকার মা-বাবা জমিতে কাজ করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় নাবালিকাকে অপহরণ করে পাশের গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই নির্যাতন চলে তাঁর উপর। (Telangana News)

বিকেল গড়িয়ে সন্ধে, সন্ধে গড়িয়ে রাত হলেও মেয়ে বাড়ি না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন নির্যাতিতার মা-বাবা। কিন্তু কোথাও মেয়ের সন্ধান পাননি তাঁরা। পরে জানতে পারেন কী ভয়ঙ্কর অত্যাচারের শিকার হয়েছে মেয়ে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন: ‘ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ থামিয়েছি’, ফের কৃতিত্ব দাবি করলেন ট্রাম্প, কোন উপায়ে, তাও জানালেন

রাতভর নির্যাতন চালানোর পর, পরদিন ভোর বেলা মেয়েটিকে গ্রামের কাছে নামিয়ে দেয় অভিযুক্তরা। কোনও রকমে বাড়ি ফেরে মেয়েটি। মা-বাবাকে গোটা ঘটনা খুলে বলে সে। এর পর মেয়েটির মা-বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। 

নির্যাতিতার মা-বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে পকসো আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ। অভিযুক্ত সাতজনকেই হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। হেফাজতে নেওয়া হয়েছে অভিযুক্ত তিন নাবালককেও। তারা তেলঙ্গানারা চেরিয়াল এবং ধূলমিট্টা গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: অরুণাচলে কী পরিস্থিতি? ভারত ও চিন কি মুখোমুখি? ITBP প্রধানের মন্তব্যে বিতর্ক, মুখ খুল কেন্দ্র

মেয়েটি অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ধৃতদের আদালতে তোলা হয়েছিল। আপাতত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে সকলকে। তাদের জিজ্ঞাসাবাবাদ করছে পুলিশ। তবে কী তথ্য পাওয়া গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত তা প্রকাশ করেনি পুলিশ।

সাব ইনস্পেক্টর মহম্মদ আসিফ জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের মধ্যে তিন জন নাবালক বলে তাদের নাম ও পরিচয় আপাতত প্রকাশ করা হচ্ছে না। ওই সাতজনের ডাক্তারি পরীক্ষাও হয়েছে, যাতে বোঝা যায় তারা মাদক সেবন করেছিল কি না। তবে পরীক্ষায় তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। তাই সম্পূর্ণ সজ্ঞানেই তারা ওই অপরাধ ঘটিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।