কলকাতা : ভোটমুখী অন্তর্বর্তী বাজেটে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভাতা বাড়িয়েছে রাজ্য় সরকার । লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে এখন প্রত্য়েকের অ্য়াকাউন্টে মাসে ঢুকবে বাড়তি ৫০০ টাকা। সিভিক ভলান্টিয়ার প্যারা টিচার থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, আশাকর্মী, সবার ভাতা মাসে এক হাজার টাকা করে বেড়েছে। যার সুফল পেতে চলেছে বহু পরিবারই। আর সেই সুফলের প্রভাব কি সরাসরি পড়বে ইভিএমে? ভোটের আগে রাজ্য বাজেটে সরকার একেবারে দরাজ ! সবার জন্যই ঝুলি খুলে দিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ভোটে লাভ পেতেই, রাজ্য বাজেটের পরদিনই  অ্যাকাউন্টে ঢুৃকেছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বর্ধিত টাকা। ক্ষমতায় এলে 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার'-এ মাসে তিন হাজারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিয়েছে বিজেপিও। এখন প্রশ্ন, কোন পক্ষে রায় দেবে রাজ্যের মানুষ? এমনই প্রশ্ন দর্শকদের কাছে রেখেছিল এবিপি আনন্দ। 

Continues below advertisement

কী প্রশ্ন ? 

ABP Ananda - র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট সুমন দে, তাঁর ইউটিউব চ্যানেল সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে পোল-প্রক্রিয়ার জন্য প্রশ্ন রাখেন - পাঁচশো-হাজার টাকা ভাতা বাড়িয়ে কি সংখ্য়াগরিষ্ঠ মানুষের মন জয় করতে পারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?         প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন প্রায় ২৪০০ মানুষ। আর তাতে সাম্প্রতিক তম ডেটা বলছে - 

Continues below advertisement
  • হ্যাঁ বলছে ২৫ %
  • না বলছে ৭২ % 
  • জানি না / বলতে পারব না বলছে ৩% বাস্তবে ইভিএম যাই বলুক কেন, @sangesuman2025 - এর Poll প্রক্রিয়া বলছে, ৭২ % মানুষ মনেই করছেন না , পাঁচশো-হাজার টাকা ভাতা বাড়িয়ে সংখ্য়াগরিষ্ঠ মানুষের মন জয় করতে পারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।     বিধানসভা নির্বাচনের আগে গতকাল যে ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, তা নিয়ে এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে।  সামনেই এ রাজ্যে  বিধানসভা ভোট।  গত বৃহস্পতিবারই পেশ হয়েছে অন্তবর্তী বাজেট। আর সেই বাজেটে পার্শ্বশিক্ষক, সিভিক ভলান্টিয়ার থেকে আশা কর্মী সবারই বেড়েছে পারিশ্রমিক। মহিলা, যুব থেকে আশা, অঙ্গনওয়াড়ি, সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশ, ভিলেজ পুলিশ, পার্শ্ব শিক্ষক, সহায়ক/সহায়িকা, শিক্ষা বনধু, স্পেশাল এডুকেটর-সহ সব পক্ষকেই যেন খুশি করার চেষ্টা করা হয়েছে ভোট-মুখী এই ভোট অন অ্যাকাউন্টে। এদের সবারই ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। কিন্তু যা দাবি ছিল, তা কি পূরণ হল? মানুষ কি  এই বাজেটে খুশি হয়ে ভোটের ঝুলি ভরিয়ে দেবেন? উত্তর দেবে সময়।