কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) শান্তিনিকেতনের বাড়ির সামনে এল ক্রেন। হরিশ মুখার্জি রোডে অভিষেকের বাড়ির উল্টোদিকে ফুটপাত তৈরির পুরনো ব্লক সরাতে আনা হয়েছে ক্রেন। ক্রেন আসার পরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বাড়ির সামনে ভিড় সাধারণের।  

Continues below advertisement

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে এদিন হঠাৎ করেই পুরসভা থেকে একটি ক্রেন আসে। ক্রেন আসতে দেখেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। সাধারণ মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করে। এদিকে পুরসভার নোটিসের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেই বিষয়ে সময় চেয়েছেন বলে জানা যায়। কিন্তু তারপর হঠাৎ তাঁর বাড়ির সামনে ক্রেন দেখে মানুষের মনে প্রশ্ন ওঠে। 

তবে দেখা যাচ্ছে যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির বিপরীত লেনে নতুন করে ব্লক বসিয়ে রাস্তা করা হয়েছিল আগে। আর পুরনো যে ব্লক ছিল তা স্তূপ করে রাখা হয়। সেই ব্লক তুলতেই আসে ক্রেন এমনটাই জানা যায়। রাস্তা পরিষ্কার ও রাস্তার এই কাজ করতেই ক্রেন পাঠায় পুরসভা। 

Continues below advertisement

তাঁর একের পর এক ঠিকানায় কলকাতা পুরসভার নোটিস। সূত্রের খবর, আইনজীবী মারফত চিঠি পাঠিয়ে পুরসভার কাছ থেকে সময় চেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠি তাঁরা পেয়েছেন বলে জানালেন কলকাতা পুরসভার কমিশনার। স্মিতা পাণ্ডের বক্তব্য, ২ সপ্তাহ মতো সময় চেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 

পুরসভার নোটিসে বলা হয়েছে, ৭ দিনের মধ্যে বেআইনি অংশ ভেঙে ফেলতে। হরিশ মুখার্জি রোড, কালীঘাট রোড, প্রেমেন্দ্র মিত্র সরণি, পণ্ডিতিয়া রোড, এবং ওস্তাদ আমির খান সরণির একাধিক ঠিকানায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়  ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোম্পানি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের নামে পাঠানো হয়েছে নোটিসগুলো।

অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের কোম্পানি ও তাঁর আত্মীয়দের সম্পত্তি নিয়ে একের পর এক নোটিস ধরিয়েছে কলকাতা পুরসভা। অথচ এই নোটিসের ব্যাপারে কিছুই জানতেন না, এমনটাই দাবি করেছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। নোটিসকাণ্ডের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে দূরত্ব তৈরির চেষ্টা করছেন বহু তৃণমূল নেতা। সব মিলিয়ে তৃণমূলের মধ্যে কার্যত হুলস্থূল!

অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের কোম্পানি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের একাধিক ঠিকানায় যে ১৭টা নোটিস পাঠিয়েছে কলকাতা পুরসভা, তার মধ্য়ে ১৪টি গেছে ৯ নম্বর বরো থেকে। এই নোটিস-পর্বের মধ্যেই বরোর চেয়ারপার্সন পদ থেকে ইস্তফা দেন তৃণমূল কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস। 

সূত্রের খবর পুরসভার নোটিস প্রসঙ্গে শুক্রবার দলীয় কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠকে মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন নোটিস দিলেই যে এসে ভেঙে দেবে তা নিয়ম নয়। ভাঙারও পদ্ধতি আছে। আগে প্রমাণ করতে হয়। যদি কিছু বাড়তি থাকে সেগুলো তো রেগুলারাইজ করার নিয়ম থাকে। বৈঠকে উপস্থিত অভিষেক বন্দোপাধ্যায় বলেন, হ্যাঁ আমাকে নোটিস দিয়েছে। কিন্তু নোটিস দিলে শুনানি পর্ব থাকে।