কলকাতা: আমতলায় সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে বুলডোজার। অভিষেকের আমতলার ৫ তলা কার্যালয়ে বুলডোজার অ্যাকশন। ৫ তলা অফিস বেআইনিভাবে তৈরির অভিযোগ, ভাঙার সিদ্ধান্ত প্রশাসনের। অভিষেকের অফিসে বুলডোজার চলতেই উচ্ছ্বাস স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের। অভিষেকের অফিসে ঢুকে ভাঙচুর বিজেপি কর্মীদের, সরিয়ে দিল পুলিশ।                                                           

Continues below advertisement

এ প্রসঙ্গে এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট যতদূর যাওয়ার যাব, আইনত এঁদের ব্যবস্থা করব। আমার ওখান থেকে বুথ দখল হত? সব মিথ্যে অভিযোগ। বিজেপির কোন বুথে এজেন্ট বসতে পারেনি তার তালিকা দিতে বলুন না। ২০২৪-এ যখন অভিযোগ জমা, স্ক্রুটিনি হচ্ছিল তখন বলতে পারেনি। নির্বাচন কমিশনই দেখে তৃণমূল তো দেখে না। নাচলে না জানলে উঠোন ব্যাঁকা। ১৪-এ দাঁড়িয়েছিল গো-হারা হেরেছে, ২৪-এ দাঁড়িয়েছিল গো-হারা হেরেছে। প্রতিহিংসার রাজনীতি করে চলেছে। এর বিচার মানুষ করবে। আমার মানুষের উপর বিশ্বাস আছে'।                                                  

অভিষেক বলেন, 'যারা ওই সব দলে গেছে তারা এখন নিজেদের বাঁচাতে বিজেপির দেওয়া স্ক্রিপ্ট-এ কথা বলছে। আমাকে যারা গালি দেবে, তারাই পুলিশের থেকে বাঁচবে। এতই যখন আমাকে নিয়ে সমস্যা তাহলে ৪ তারিখের আগেই চলে যেতে পারত। এখন হারের দায় যদি আমার হয় তাহলে ২৪ এর জয়ের কারণও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই ছিল। আপনারা দলে ফিরুন, আমি ইস্তফা দেব। আপনারা দলে ফিরে এলে আমি ১ ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দেব', বিদ্রোহীদের চ্যালেঞ্জ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। 

Continues below advertisement

এদিকে, সাংসদ কার্যালয়, নথিভুক্ত লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের নামে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের কাছে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের ডিরেক্টর অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক ব্যক্তির নামে নোটিসও দেওয়া হয়েছে। শুনানির জন্য ৩০ জুন ও ৭ জুলাই জোড়া নোটিস পাঠানো হয়। ১৫ জুলাই শুনানিতে ডাকা হলেও কেউ আসেননি, দাবি জেলা প্রশাসনের  ।