কলকাতা : নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির আঁতাতের অভিযোগে ফের সপ্তমে সুর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কমিশন ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি থেকে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ, বাদ গেল না কিছুই। এসআইআর শুনানি শুরুর দিনই কনকনে ঠান্ডায় SIR নিয়ে পারদ চড়ালেন অভিষেক। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির লিস্ট রিলিজ না করলে নির্বাচন কমিশনের অফিস ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

Continues below advertisement

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে আগাগোড়া কমিশনকে নিশানা করেন অভিষেক। তিনি বলেন, "আমি ৩১ তারিখ দিল্লিতে নিজে যাব। আমি নিজে চিফ ইলেকশন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে সদুত্তর চাইব। আপনার যদি উদ্দেশ্য সঠিক থাকে এবং লুকানোর কিছু না থাকে, আপনি লিস্ট রিলিজ করবেন। কীসের ভিত্তিতে ? আপনার কাছে যদি জাদুকাঠি থাকে যে আপনি ৭ কোটি ডেটা এক ঘণ্টার মধ্যে দেখে, আপনি রিলিজ করে দিচ্ছেন যে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি রয়েছে। কী জাদুকাঠি রয়েছে আপনার কাছে ? আমরা তো জানতে চাই। কীসের ভিত্তিতে ? লিস্ট যদি রিলিজ না করা হয়, আমরা একটা সময়সীমা ৩১ তারিখ বেঁধে দিয়ে আসব। ৩১ তারিখ আমাদের সময় দিয়েছে। আমরা দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের অফিসে যাব। নির্বাচন সদনে গিয়ে আমাদের যা বলার বলব। আর যদি এই লিস্ট রিলিজ না করা হয়, নির্বাচন কমিশনের অফিস ঘেরাও হবে। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির ডেটা নির্বাচন কমিশনকে রিলিজ করতে হবে। হয় আপনি রিলিজ করুন, নাহলে বাংলার মানুষের কাছে কান ধরে ক্ষমা চান। দু'টোর মধ্যে একটা করতে হবে।"

কমিশনের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, "যারা বেঁচে আছেন, হার্টি অ্যান্ট হেল্দি, তাঁদের দেখিয়ে দিয়েছে ডেড। এই দায় কার ? কেন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এফআইআর হবে না ? আপনি SIR করে বাংলা দখল করতে চেয়েছেন। মানুষ এফআইআর করে আপনার বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিকভাবে জবাব দেবে ভোটে।" অভিষেকের কথায়, "বাংলায় যদি ১ কোটি রোহিঙ্গা-বাংলাদেশি থাকে, নির্বাচন কমিশন লিস্ট রিলিজ করুক। হয় লিস্ট রিলিজ করুক, নাহলে বাংলার মানুষের কাছে ক্ষমা চাক। দু'টোর মধ্যে একটা করুন। আপনারা বাংলার মানুষের কাছে ক্ষমা চান, আমরা লিস্ট করতে বলব না। কান ধরে ক্ষমা চান যে, ভুল হয়েছে। আপনারাই তো বলেছেন বাংলাদেশি আছে, রোহিঙ্গা আছে। এই লিস্ট রিলিজ করার দায়িত্ব কার ? ১ কোটি ৩৬ লক্ষ লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ! মামার বাড়ির আবদার ?"

Continues below advertisement